বর্ষার আগে নাগরিক পরিষেবায় জোর, বর্ধমান পুরসভার চেয়ারম্যান ও আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়িকার
ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই বর্ধমান পৌরসভার কাজ কর্ম একপ্রকার লাটে উঠেছিল, এমনটাই অভিযোগ। পৌর কর্মীরা পৌরসভায় এলেও,এমসিআইসিরা পৌরসভায় না আসাতে শহরের উন্নয়নমূলক কাজ এক প্রকার থমকে আছে। বর্ধমান পৌরসভার উন্নয়নের কাজকে সচল রাখতে এবং বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভার অন্তর্গত বর্ধমান পৌরসভার ৩৫টি ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে যাতে কোনও রকম সমস্যা তৈরী না হয়, সেই বিষয়টিকেও গুরুত্ব দিয়েই বুধবার বর্ধমান পৌরসভার চেয়ারম্যান ও আধিকারিকদের সঙ্গে সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ ও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন বর্ধমান দক্ষিণের নবনির্বাচিত বিধায়িকা মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র।বিধায়িকাকে ফুলের স্তবক দিয়ে শুভেচ্ছা জানান পৌরপতি সহ পৌর কর্মীরা। এদিকে সমস্ত পৌরসভার কর্মীরা উপস্থিত থাকলেও এই বৈঠকে উপস্থিত হতে দেখা যায়নি বর্ধমান পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান মৌসুমী দাসকে। তিনি অফিসে আসলেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেননি মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্রর সঙ্গে ! আসন্ন বর্ষার মরশুমের কথা মাথায় রেখে শহরের নিকাশি ব্যবস্থা দ্রুত পরিষ্কার করা, নিয়মিত আবর্জনা বহনকারী গাড়ির পরিষেবা সচল রাখা, পানীয় জল ও বিদ্যুৎ পরিষেবা যাতে নিরবচ্ছিন্নভাবে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছয়, সেই বিষয়গুলির উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন বিধায়িকা।
এদিনের বৈঠকে নাগরিক পরিষেবার মানোন্নয়ন, শহরের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং সাধারণ মানুষের সমস্যা দ্রুত সমাধানের বিষয়েও আলোচনা হয় বলে সূত্রের খবর। বিধায়কের তরফে পুর প্রশাসনকে সাধারণ মানুষের স্বার্থে আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করার অনুরোধ জানানো হয়। এদিন বিধায়িকা মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র বলেন, বিভিন্ন দিক থেকে অভিযোগ আসছে বর্ধমান পৌর এলাকার বিভিন্ন জায়গায় দৈনন্দিন পরিষেবা এক প্রকার বন্ধ হয়ে আছে। সেই পরিষেবা যাতে বিঘ্নিত না হয়, মানুষ যাতে সঠিক পরিষেবা পায় সেই কারণেই পৌরসভায় আসা এবং পৌরপতি ও পৌর আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনায় বসা, বলে জানান বিধায়িকা। তার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন পৌর কর্মচারীরা সহ শহরের আপামর মানুষ।


