সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মঞ্চ ও বাঁকার ধারে ঘাট নির্মাণের গুরুত্ব | স্বশাসিতের মর্যাদা পেল সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ বর্ধমান


1
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মঞ্চ ও বাঁকার ধারে ঘাট নির্মাণের গুরুত্ব

শহরের ৩৫টি ওয়ার্ডেই বর্তমানে আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান প্রকল্পে উন্নয়নের কাজ শুরু হয়েছে। বিভিন্ন ওয়ার্ডে স্থানীয় মানুষের চাহিদা মতো উন্নয়নের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এই কাজ শুরু হয়েছে শহরের ২১ নম্বর ওয়ার্ডেও। এ প্রসঙ্গে এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শ্যামাপ্রসাদ বন্দোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এখানে আপাস প্রকল্পে মঞ্চ তৈরীর কাজ চলছে। মূলত এই মঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করা সম্ভব হবে। এছাড়া অন্যান্য অনুষ্ঠানও হবে। এলাকার মানুষের দাবি মেনে এই কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার দিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শ্যামাপ্রসাদ জানান, এছাড়াও এখানে বাঁকার পাড়ে একটি ঘাট তৈরীর বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এরফলে স্থানীয় মানুষদের দুর্গাপূজো, কালীপুজোয় ঘট আনা-নেওয়া, ঠাকুর বিসর্জন এইসব ক্ষেত্রেই সুবিধা হবে। ভালো ঘাট থাকলে এই সব কাজ করা সহজ হয়। তাই সাধারণ মানুষের সমস্যার সমাধানে এখানে একটি ঘাট নির্মাণে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ২১ নম্বর ওয়ার্ডে আমাদের পাড়া আমাদের সমাধানে অন্যান্য কাজ চলছে। তার মধ্যে রাস্তা, ড্রেন, কল, স্ট্রিট লাইট ইত্যাদির কাজ করা হচ্ছে। এই কাজও দ্রুত সম্পন্ন করা হবে।

2
স্বশাসিতের মর্যাদা পেল সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ বর্ধমান

এবার উচ্চশিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্পর্শ করলো সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ বর্ধমান। কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ইউনিভার্সিটি গ্র্যান্টস কমিশনের অনুমোদনে প্রতিষ্ঠানটি স্বশাসিত মর্যাদা লাভ করেছে। আগামী ২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে এই মর্যাদা কার্যকর হবে। কলেজে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই বিষয়টি ঘোষণা করা হয়। ছিলেন অধ্যক্ষ রেভারেন্ড ফাদার ড. জি. পল আরোকিয়াসাম এস. জে. সহ সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের এক্সটেনশন সার্ভিসেস ডিরেক্টর, বিশাল মাহেশ্বরী,সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ, বর্ধমানের পিজি কো অর্ডিনেটির সোমজিৎ হালদার।
২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠার পর স্বল্প সময়ের মধ্যেই জেলার উচ্চশিক্ষার পরিসরে প্রতিষ্ঠানটি উল্লেখযোগ্য অবস্থান তৈরি করেছে বলে কর্তৃপক্ষের বক্তব্য। বর্তমানে একাধিক স্নাতক ও স্নাতকোত্তর কোর্সের পাশাপাশি বিভিন্ন সার্টিফিকেট কোর্স চালু রয়েছে এখানে।