1
পলাশের সুরক্ষায় সতর্কীকরণ বার্তা
পলাশ মানেই রেঙে ওঠা, রাঙিয়া তোলা। এই পলাশের রঙ মেখেই যেন বসন্তের আগমন ঘটে প্রকৃতিতে। প্রকৃতি সেজে ওঠে পলাশের রঙে। তবে পলাশ নিয়ে এই ভাবনা কিছু মানুষের মনে থাকলেও, এমন কিছু মানুষ রয়েছে যারা কিন্তু নানান কার্যকারণে প্রকৃতির এই সৌন্দর্যকে অবলীলায় ধ্বংস করে চলে। পূর্ব বর্ধমান জেলার বর্ধমান-কালনা রোডে বালিয়াড়ি গ্রামে থাকা পলাশ বন প্রায়শই ধ্বংসের শিকার হয়। স্থানীয় কিছু মানুষ নিজেদের জ্বালানি হিসেবে এই পলাশের ডাল ভেঙে নিয়ে যায়। ছোট ছোট পলাশের চারা কেটে নিয়ে যায়। ফলে প্রকৃতিতে ঘাটতি ঘটে পলাশের। এই গাছ ক্রমশ এই এলাকায় কমতে থাকে। এই ঘটনার কথা জানার পর এখানকার পলাশ বন সুরক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ নেন গাছ গ্রুপের সদস্যরা। তারাই এবার এখানকার পলাশ বন সুরক্ষায় সতর্কীকরণ বার্তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে সেখানে ফ্লেক্স, ফেস্টুন টাঙালেন। এ প্রসঙ্গে গাছ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা তথা জাতীয় শিক্ষক অরূপ চৌধুরী বলেন, আমরা স্থানীয় মানুষদের কাছ থেকে অনেক সহযোগিতা পেয়েছি। পলাশ বন সুরক্ষায় এখানকার বাসিন্দারা অনেকেই এগিয়ে এসেছেন। এগিয়ে এসেছেন স্থানীয় বিদ্যালয়গুলির শিক্ষক-শিক্ষিকারাও। তবে কিছু মানুষ এখানে পলাশ গাছের ডাল মাঝে মাঝেই ভেঙে নিয়ে যায়। তারা যাতে এই কাজে বিরত থাকে তারজন্যই আমরা এই সতর্কীকরণ বার্তা মেলে ধরলাম এখানে। আশা রাখছি এর সুফল মিলবে খুব শীঘ্রই।
2
জেলায় ডেঙ্গুর হার প্রায় শূন্য
২০২৬ সালে জানুয়ারি মাসের শুরু থেকে ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত পূর্ব বর্ধমান জেলায় ডেঙ্গুর হার শূন্যে নেমেছে। এ প্রসঙ্গে পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ বিশ্বনাথ রায় বলেন, জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত জেলায় ডেঙ্গুর হার শূন্যে নেমেছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে ভিন জেলা থেকে জ্বর নিয়ে আসা দুজনের মধ্যে ডেঙ্গু পজেটিভ পাওয়ায় তাদের চিকিৎসাধীনে রাখা হয়েছে। তবে বর্ধমান জেলার স্থানীয় এলাকায় বাসিন্দাদের মধ্যে এখনও পর্যন্ত কোনো ডেঙ্গুর প্রভাব লক্ষ্য করা যায়নি। ডেঙ্গু বিষয়ে সরকারি পর্যায়ে সার্ভের কাজ চলছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য দপ্তর ও আশা কর্মীরা গ্রামের প্রত্যন্ত এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধ বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করে চলেছেন। বাড়ির ভিতরে ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় কোথাও যাতে জল জমে না থাকে সে বিষয়ে সকলকেই সচেতন করা হচ্ছে।


