1
শিশু ও বয়স্কদের বস্ত্র প্রদান ও স্ট্রিট লাইট প্রদান কর্মসূচী
পূর্ব বর্ধমান জেলার গলসীর গোহগ্রামে বসবাসকারী পিছিয়ে পড়া পরিবারের শিশু ও বয়স্কদের হাতে বস্ত্র তুলে দেওয়া হলো স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা হলুদ পাখি ও ভরুকা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের পক্ষ থেকে। এদিন এখানে প্রায় ২০০ জন এমন শিশু ও বৃদ্ধদের হাতে বস্ত্র তুলে দেন হলুদ পাখির মেন্টর ডাক্তার সিদ্ধার্থ শংকর রায়, জেলা সম্পাদক সৌমাভ সরকার, ভরুকা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ডিরেক্টর তানিয়া দাস প্রমুখ। এছাড়া এদিন এই গ্রামের মানুষদের রাতের বেলায় পথ চলার সুবিধার্থে এই দুই সংস্থার পক্ষ থেকে কিছু স্ট্রিট লাইট প্রদান করা হয়। সিদ্ধার্থবাবু জানান, আলো আমার আলো — এই বার্তাকে সামনে রেখে এখানকার গ্রামবাসীদের জন্য স্ট্রিট লাইট প্রদান করা হলো। আমরা আশাবাদী তারা এগুলি সুরক্ষিত রাখবেন। রাতের অন্ধকারে পথ চলার ক্ষেত্রে এই আলো তাদের প্রত্যেকের কাছেই অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা নেবে বলে মনেকরি। একই সঙ্গে এদিন এই গ্রামের মহিলাদের স্যানিটাইজেশন বিষয়ে সচেতন করা হয়। তারা যাতে নিজেরাই স্যানেটারি ন্যাপকিন তৈরী করতে পারেন, তারজন্য প্রশিক্ষণেরও উদ্যোগ নেওয়া হয়।
2
প্রদেশ কংগ্রেস অফিসে বিজেপির আক্রমণের ঘটনায় প্রতিবাদ সভা
কলকাতায় কংগ্রেসের অফিসে ঢুকে বিজেপির গুন্ডামি ও ছবি পোড়ানোর ঘটনায় প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হলো বর্ধমানে। যেখানে এই হিংসাত্মক ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ জানানো হয়। এ প্রসঙ্গে জেলা কংগ্রেস নেতৃত্ব তথা চ্যাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট শ্যামাদাস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কলকাতায়
প্রদেশ কংগ্রেস অফিসে রাহুল গান্ধী ও খাড়্গে সাহেবদের সব ছবি পুড়িয়ে দিয়েছে বিজেপির গুন্ডারা। রাহুল গান্ধীর ছবিতে মুখে কালি লাগিয়ে দিয়েছে তারা। আর এটা করেছে বিজেপির গুন্ডা বাহিনী। তারই প্রতিবাদে কংগ্রেসের সভা। সেখানে আমরা সবাই মিলে বিজেপির এই নারকীয় ঘটনার প্রতিবাদে ধিক্কার জানিয়েছি। আবারও যদি বিজেপির গুন্ডারা এই ধরনের কাজ করে তাহলে অবশ্যই কংগ্রেস প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।


