বিদ্যালয়ে কিচেন সেড ও স্মার্ট টিভির উদ্বোধন
পূর্ব বর্ধমান জেলার খণ্ডঘোষ ব্লকের কৈয়র অঞ্চলে গুইর গ্রামের উত্তরপাড়া প্রাথমিক স্কুলে কিচেন সেড ও স্মার্ট টিভির উদ্বোধন হলো। এই উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের অধ্যক্ষ অপার্থিব ইসলাম। ছিলেন পঞ্চায়েত প্রধান শাজাহান মন্ডল, পঞ্চায়েত সদস্যা নীলুফা বেগম, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যা টুম্পা দত্ত ও সদস্য সনাতন মাঝি। ছিলেন উপ প্রধান টুম্পা বাগ সহ গ্রামের বহু বিশিষ্টজন। এছাড়াও বিদ্যালয়ের পাঁচ জন শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে উপস্থিত ছিল ১৩৮ জন ছাত্রছাত্রীও। এ প্রসঙ্গে অপার্থিব ইসলাম বলেন, ব্লকের তিনটি প্রাইমারি স্কুলে অত্যন্ত ভালো পড়াশোনা হয় বলে তারা নির্বাচিত হয়েছে। তার মধ্যে এই বিদ্যালয়টি স্মার্ট টিভি পুরস্কার হিসেবে পেয়েছে। এরফলে আমরা সকলেই খুব খুশি। আমরা আশারাখি এই বিদ্যালয় তার নিজের গতিতে আরও অনেকটাই এগিয়ে যাবে। ছাত্রছাত্রীরাও এখান থেকে পাঠ গ্রহণ করে আরও উচ্চতর শিক্ষা লাভে উচ্চ বিদ্যালয় ভর্তি হবে। অপার্থিব বলেন, শিক্ষার উন্নয়নে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত সর্বস্তরে সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্ব দিয়েছেন। তারই ফলস্বরূপ আজ এখানে কিচেন সেট ও স্মার্ট টিভির উদ্বোধন হলো। পরিকাঠামগত এই সমস্ত উন্নয়নের দিকগুলিকে আমাদের সুরক্ষিত রাখতে হবে।
২৯ নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে দেওয়াল লিখন কাউন্সিলরের
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে দেওয়াল লিখনের কাজ। ভোটের প্রচারে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই দেওয়ালে চুনের প্রলেপ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই এই কাজে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। এবার বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে ওয়ার্ড তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দেওয়াল লিখনের কাজ শুরু করা হলো। এই কাজে হাত লাগালেন স্থানীয় কাউন্সিলর তথা বর্ধমান পৌরসভার এমসিআইসি সুশান্ত প্রামাণিক। তিনি বলেন, দল এখনও প্রার্থী ঘোষণা না করলেও আমরা প্রার্থী যেই হোন, তার সমর্থনে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীকে জয়ী করার আহ্বান জানিয়ে দেওয়াল লিখনের কাজ শুরু করেছি। আমরা আশারাখি, ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনেও বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী বিপুল ভোটে জয়লাভ করবেন। সেই লক্ষ্য নিয়েই ওয়ার্ডে ভোট প্রচারের কাজ দেওয়াল লিখনের মাধ্যমে শুরু করা হয়েছে।


