1
জাতীয় সড়কের খারাপ রাস্তা সারানোর আবেদন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার
এই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে অনেকগুলি জাতীয় সড়ক রয়েছে। এরমধ্যে বেশকিছু জায়গায় রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। এই রাস্তা সারানোর জন্য উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়ার আবেদন জানালো পূর্ব বর্ধমানের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা স্টার্টআপ ফাউন্ডেশন। এ প্রসঙ্গে এই সংস্থার তরফে সন্দীপন সরকার জানান, জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন জায়গায় টোল ট্যাক্স নেন। এই ট্যাক্স নেওয়ার বিনিময়ে জাতীয় সড়ক সর্বত্রই ব্যবহারের উপযোগী করে রাখাটাই তাদের দায়িত্ব। কিন্তু সেই দায়িত্ব এক্ষেত্রে যথাযথভাবে পালন করা হচ্ছে না বলেই আমরা মনে করছি। তাই আমরা দাবী জানাচ্ছি, জাতীয় সড়কের যে সমস্ত অংশে রাস্তার অবস্থা খুব খারাপ, খানাখন্দ রয়েছে, বৃষ্টি হলে জল জমে যায়, সেই সমস্ত জায়গা অবিলম্বে সারানো হোক। তা নাহলে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ যে টোল সংগ্রহ করেন তার যথাযথ ব্যয় হচ্ছে না বলেই সাধারণ মানুষ মনে করছেন। কারণ এই পথে যাতায়াতের সময় দেশের হাজার হাজার নাগরিককে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বিষয়টা অনুধাবন করার প্রয়োজন রয়েছে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের। সন্দীপন জানান, আমরা সেদিন বেলঘড়িয়া, দুর্গাপুর ও কোনা এক্সপ্রেসের বিভিন্ন অংশের বেহাল রাস্তা নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছি। পূর্ব বর্ধমান জেলার বর্ধমান ২ ব্লকের শক্তিগড় সহ জেলার বিভিন্ন প্রান্তে জাতীয় সড়কের আন্ডারপাশ গুলির বেহাল নিকাশি ব্যবস্থা চোখে দেখলে উপলব্ধি করা যায়। বৃষ্টি পড়লেই রাস্তায় জল জমে যাচ্ছে। ফলে যেকোনো গাড়ি নিয়ে যাওয়া-আসা করা বিপদজনক হয়ে পড়েছে। মাঝেমাঝেই দুর্ঘটনার কবলে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। দীর্ঘদিন রাস্তা না সারানো ফলে রাস্তার অবস্থাও ক্রমশ খারাপ হচ্ছে। তাই আমরা এ বিষয়ে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। লিখিতভাবে এক্ষেত্রে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের কাছে বলা হয়েছে।
2
রাজ কলেজিয়েট স্কুলে ২০৯ তম প্রতিষ্ঠা দিবস পালন
বর্ধমান শহরের অন্যতম প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রাজ কলেজিয়েট স্কুলের ২০৯ তম প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করা হলো। এই উপলক্ষ্যে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক খোকন দাস, মহকুমা শাসক তীর্থঙ্কর বিশ্বাস, বিশিষ্ট উদ্যোগপতি তথা এই স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র সনৎ নন্দী, কবি ও নাট্যকার দেবেশ ঠাকুর, স্কুল পরিচালন কমিটির সভাপতি তথা স্থানীয় কাউন্সিলর ও বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র সাহাবুদ্দিন খান। এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয়ে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। বিধায়ক খোকন দাস বলেন, আমিও এই বিদ্যালয়ের একজন প্রাক্তন ছাত্র। আমি যখন মাধ্যমিক পরীক্ষা দিই, তারপরেই বিদ্যালয়ে উচ্চ মাধ্যমিক কোর্স শুরু হয়। এই বিদ্যালয় থেকে উত্তীর্ণ হয়ে অনেক ছাত্র জীবনে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। দেশ-বিদেশের নানা স্থানে কর্মরত রয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা এই বিদ্যালয়টিকে আরও সুন্দর করে সাজিয়ে তুলতে চাই। ইতিমধ্যেই বিধায়ক উন্নয়ন তহবিল থেকে অর্থ প্রদানের মধ্যে দিয়ে এখানে পাঁচিল করা হয়েছে। সনৎ নন্দীর সহযোগিতায় একটি গেট নির্মাণ করা হয়েছে। বিদ্যালয়টিকে আরও সুন্দর করে গড়ে তোলার জন্য প্রধান শিক্ষক অত্যন্ত আন্তরিকভাবে উদ্যোগ নিয়েছেন। সহযোগিতা করছেন অন্যান্য শিক্ষক শিক্ষিকারাও। সকলের সমবেত প্রচেষ্টায় এই বিদ্যালয়ের পরিকাঠামগত উন্নয়নে আমরা জোর দিতে চাই। এখানে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিকে যথেষ্ট ভালো ফল করে ছাত্ররা। তারা যাতে আরও ভালো ফল করতে পারে তার জন্য বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। (পজ্)
3
বনমহোৎসবের সূচনা করলেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ
সবুজ বাঁচাও, সবুজ দেখাও / সবুজের মাঝে বিবেক জাগাও। এই বার্তাকে সামনে রেখে অরণ্য সপ্তাহ উপলক্ষ্যে পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি ১ নম্বর ব্লক অফিস প্রাঙ্গণে বনমহোৎসব অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এদিন প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্যে দিয়ে এই অনুষ্ঠানের সূচনা করেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা পূর্বস্থলী দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক স্বপন দেবনাথ। উপস্থিত ছিলেন জেলা বনাধিকারিক সঞ্চিতা শর্মা, জেলার পুলিশ সুপার সায়ক দাস, পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহার, সহকারি সভাধিপতি গার্গী নাহা, জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ নিত্যানন্দ ব্যানার্জী, বিশ্বনাথ রায় সহ অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিবর্গ। এদিন একটি বর্ণাঢ্য পদযাত্রার মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের প্রারম্ভিক সূচনা হয়। স্বপন দেবনাথ বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে এই বনমহোৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। যার লক্ষ্য হলো আমাদের পারিপার্শ্বিক এই পরিবেশকে আরও সবুজে ভরিয়ে তোলা, প্রাকৃতিক ভারসাম্যকে রক্ষা করা। সেই লক্ষ্য পূরণেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।


