1
এসআইআরঃ মানুষের পাশে থেকে সহযোগিতা
৪ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া। ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই কাজ চলবে। সর্বত্র এসআইআর-এর জন্য ফর্ম ফিলাপের কাজ চলছে। নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে বিএলওরা বাড়ি বাড়ি এসআইআর-এর ফর্ম পৌঁছে দিয়েছেন। এরপর ফর্ম জমা নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। সার্বিক এই কাজে সাধারণ মানুষকে সহযোগিতা করা হচ্ছে শহর বর্ধমানে প্রতিটি ওয়ার্ডে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে। বর্ধমান শহরের ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে স্থানীয় কাউন্সিলর অনুপ আচার্যের আন্তরিক সহযোগিতায় ও ওয়ার্ড তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে এসআইআর -এর ফর্ম ফিলাপের ব্যাপারে স্থানীয় ভোটারদের সহযোগিতা করা হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে অনুপ আচার্য বলেন, ওয়ার্ডে ইতিমধ্যেই আমরা দুটি স্থায়ী সহায়তা কেন্দ্র থেকে এই ফর্ম ফিলাপের ব্যাপারে সাধারণ মানুষকে সহযোগিতা করছি। এছাড়াও তিন – চারটি স্থান থেকে এসআইআর – এর ফর্ম ফিলাপের ব্যাপারে সাধারণ মানুষকে সহযোগিতা করার জন্য তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব ও কর্মীরা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। সব মিলিয়ে ওয়ার্ডে ছ-সাতটি জায়গা থেকে এই ফর্ম ফিলাপের ব্যাপারে সাহায্য করা হয়েছে। এই কাজ আগামী ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে।
2
ডায়াবেটিস দিবস পালন বিদ্যালয়ে
বর্ধমানের কাঞ্চননগর ডিএন দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে শিশু দিবস তথা ডায়াবেটিস দিবস পালন করা হলো। বিদ্যালয়ের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সংস্কৃত শিক্ষক দীপ্ত সুন্দর মুখোপাধ্যায় জানান, মহামারি-উত্তর পর্বের নানা আতঙ্কের মধ্যে অন্যতম হল শিশুদের ডায়াবেটিস রোগ। যা আগে কল্পনা করা হতো না। কিভাবে কমছে তাদের ইনসুলিন ক্ষরণ, বাড়ছে তাদের রক্তে শর্করা এবং এর সমাধানই বা কী এই বিষয়ে ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে মনোজ্ঞ আলোচনাসভার আয়োজন করা হয় বর্ধমানের কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে।
অনুষ্ঠানে তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক রামশঙ্কর মণ্ডল বলেন, আমাদের মধ্যে সচেতনতা দরকার। ছাত্রছাত্রীরা চারাগাছ হলেও আগামী দিনে মহাবৃক্ষ হবে।
সারদা আশ্রমের মহারাজ স্বামী দুর্গেশানন্দ পুরী ওঁ সহ নাববতু ইত্যাদি উপনিষদের মন্ত্র উচ্চারণ করে বলেন , গুরুশিষ্যের সম্পর্ককে উপলক্ষ্য করে সমাজের সকল শ্রেণীর মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার বার্তা প্রাচীন ভারতীয় সংস্কৃতি দিয়েছে। তা আজকের দিনেও সমান প্রযোজ্য। ব্যষ্টির প্রসার না হলে সমষ্টির প্রসার হবে না। নিজের দোষ সম্পর্কে অবহিত থাকতে হবে। ভারতভ্রমণ করে স্বামীজি বলেছিলেন, তাঁর হৃদয়ের প্রসার ঘটেছে। যোগ অভ্যাসের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীরা দুশ্চিন্তা কমাতে পারবে।
জাতীয় শিক্ষক তথা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ডক্টর সুভাষচন্দ্র দত্ত বলেন, শিশুদের নিয়েই আমাদের বিদ্যালয়ের কর্মীদের কাজ। ফলে শিশুদের মনস্তত্ত্ব বোঝা যেমন দরকার তেমনই তাদের জীবনমার্গ নির্দেশ করা আমাদের কর্তব্য।
চিকিৎসক ড এস দাস জানান, ডায়াবেটিসকে উপলক্ষ্য করে ছাত্রছাত্রীদের সাধারণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা হবে। সকলকে ভাল রাখার চেষ্টা করাই আজকের শিবিরের উদ্দেশ্য।
এদিন ১৭৮ জন ছাত্রছাত্রীর সঙ্গে অনেক অভিভাবক অভিভাবিকারও রক্তে শর্করা পরীক্ষা করা হয়। দায়িত্বে থাকা বর্ধমানের বেঙ্গল ফেথ হাসপাতালের কর্মীরা জানান, সবাইকে প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে।


