1
উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পাশে দাঁড়ালেন সবুজ সংঘের সদস্যরা
২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার শুরু হল ১২ ফেব্রুয়ারি। এবার এই পরীক্ষা শুরুর দিন বর্ধমানের ইছলাবাদ বিবেকানন্দ বালিকা বিদ্যালয়ে আগত পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানালেন সবুজ সংঘের সদস্যরা। এদিন এখানে সবুজ সংঘের পক্ষ থেকে বিদ্যালয়ে আগত পরীক্ষার্থীদের হাতে ট্রান্সপারেন্ট বোর্ড, পেন, জলের বোতল, গোলাপ ফুল ইত্যাদি তুলে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে সবুজ সংঘের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা এই বিদ্যালয়ে আগত মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের হাতে গোলাপ ফুল তুলে দিয়ে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেছেন। পরীক্ষার্থীরা আগামী দিনে জীবনে সাফল্য লাভ করুক, প্রতিষ্ঠা পাক এটাই তারা কামনা করেন। জানা যায়, এই বিদ্যালয়ে মোট চারটি স্কুল থেকে আগত ২২০ জন পরীক্ষার্থীর হাতে এইসব সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের অভিভাবকদের এখানে আলাদা বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাদের জলের ব্যবস্থা করা হয়েছে । এখানে আগত মহিলা অভিভাবকরা সবুজ সংঘের টয়লেট ব্যবহার করতে পারবেন। এছাড়া পরীক্ষা কেন্দ্রে আগত কোনো পরীক্ষার্থী যদি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে তারজন্য সবুজ সংঘের পক্ষ থেকে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সবুজ সংঘের সদস্যরা সারা বছরই নানান সামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকেন। এক্ষেত্রেও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের পাশে থাকার মধ্যে দিয়ে তারা তাদের যে সামাজিক দায়বদ্ধতা তা পালনে সচেষ্টও রয়েছেন।
2
খন্ডঘোষে তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছাজ্ঞাপন
শুরু হলো উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা। আর এই পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে খণ্ডঘোষ ব্লকের উখরিদ অঞ্চলের সরঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ে আগত উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করা হলো। এই পরীক্ষা কেন্দ্রে আগত মোট ২২৮ জন পরীক্ষার্থীর হাতে জলের বোতল ও পেন তুলে দিলেন ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের অধ্যক্ষ অপার্থিব ইসলাম। তিনি বলেন, আমরা চাই জীবনের এই দ্বিতীয় বড় পরীক্ষায় এখানে আগত পরীক্ষার্থীরা সকলে সফল হোক। তারা জীবনে উন্নতি করুক। সেটাই আমাদের একমাত্র প্রার্থনা। এখানে দলীয় নেতৃত্বরা প্রত্যেকেই উপস্থিত আছেন। তারাও প্রত্যেকে এদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, সাফল্য কামনা করেছেন।
3
বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌথ কনভেনশন
বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত ও কর্মরত কর্মীদের ঐক্য মঞ্চের যৌথ কনভেনশন অনুষ্ঠিত হলো। ১১ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজবাটি প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই কনভেনশনে, কেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত ও কর্মরত কর্মীরা আজ আন্দোলনের পথে সে বিষয়ে আলোকপাত করা হয়। এদিনের এই কনভেনশনে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্ব ও কর্মীদের পাশাপাশি অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও নেতৃত্বরা উপস্থিত ছিলেন। তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক – অধ্যাপিকা, কর্মচারী, আধিকারিক প্রত্যেকেরই পেনশন, প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্রাচুইটি ন্যায্য প্রাপ্য। এগুলি অবসর গ্রহণের পর তারা প্রত্যেকে পেয়ে থাকেন। কিন্তু এক্ষেত্রে গাফিলতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তাদের দাবি, পেনশন, গ্রাচুইটি সহ সমস্ত অবসরকালীন সুযোগ সুবিধার অনুমোদন নিয়োগ কর্তা হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে দিতে হবে। ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ – এর পর অবসরপ্রাপ্ত এবং ভবিষ্যতে অবসরপ্রাপ্ত সকল কর্মীর অবসরকালীন সমস্ত সুযোগ-সুবিধা প্রচলিত প্রথা অনুযায়ী নিশ্চিত করতে হবে। তা নাহলে আগামী দিনে তারা আরও বৃহত্তর আন্দোলনের পথে যেতে বাধ্য হবেন।


