1
বিদ্যালয়ে পাঠরত ছাত্রীদের হাতেকলমে আত্মরক্ষার পাঠদান
বিষয়টা হলো আত্মরক্ষা। আর শিক্ষাটা একেবারেই হাতেকলমে। ১২ দিনের একটি কোর্সের মাধ্যমে হাতেকলমে আত্মরক্ষা বা সেলফ ডিফেন্সের পাঠ নিল কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা। দু ঘন্টার প্রতি সেশনে তারা শেখে রাস্তাঘাটে, ট্রেনে-বাসে আচমকা আক্রান্ত হলে নিজেকে কিভাবে রক্ষা করতে হবে। অন্তত প্রাথমিক পর্যায়ে বিপদ থেকে বেরিয়ে আসার জন্য শুধু সাহস বা মনের জোর যথেষ্ট নয়, বরং শারীরিক কৌশলের মাধ্যমে প্রতিআক্রমণ করা দরকার। আর সেই অভ্যাস রপ্ত করার জন্যেই এই কোর্স বলে জানান বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা শ্যামলী দাস। তিনি বলেন ছাত্রীদের কাছে বিষয়টি খুবই গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছে। (পজ্)
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত জানান, সমাজ সচেতনতা শিক্ষার একটি অঙ্গ। ঘরে-বাইরে জটিল অপরাধের আবর্তে বালিকারা যাতে হারিয়ে না যায়, তারজন্যে এই জাতীয় কর্মশালাকে আমরা সবসময়েই স্বাগত জানাই। এর মধ্যে দিয়ে ছাত্রীরা খুব অল্প বয়সেই তাদের আত্মরক্ষার পাঠ গ্রহণ করতে পারছে। হাতেকলমে এই শিক্ষা আগামী দিনে তাদের নিরাপদ জীবন যাপনের ক্ষেত্রে সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
2
গ্রিন গ্র্যাটিটিউড অ্যাওয়ার্ড পেল বর্ধমানের স্টার্টআপ ফাউন্ডেশন
পরিবেশ সুরক্ষায় পুরস্কৃত করা হলো বর্ধমানের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকে। ধনধান্য অডিটোরিয়ামে আয়োজিত পূর্ব ভারতের সর্ববৃহৎ পরিবেশ ও টেকসই উন্নয়ন সংক্রান্ত প্রদর্শনী গ্রীন আর্কিটেক্টস ২০২৫ এ, বৈদ্যুতিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য স্টার্ট আপ ফাউন্ডেশনকে হুলাডেক অনার্স শীর্ষক মঞ্চে “গ্রিন গ্র্যাটিটিউড অ্যাওয়ার্ড ২০২৫” প্রদান করা হয়। পরিবেশ সচেতনতা ও টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রে এটি একটি বিশেষ স্বীকৃতি হিসেবে পরিচিত। জানা গেছে, এই পুরস্কারকে অনেকেই ‘সাসটেইনেবিলিটির ফিল্মফেয়ার’ বলে থাকেন । মাত্র ১০ মাস আগে স্টার্ট আপ ফাউন্ডেশন ই-বর্জ্য নিয়ে কাজ শুরু করে। এর মধ্যেই প্রায় ১৫০টি স্কুল ও কলেজে সচেতনতা প্রচার করা হয়েছে এবং ৩১০০ কেজির বেশি ই-বর্জ্য সংগ্রহ করে বৈজ্ঞানিক উপায়ে নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এটা করা সম্ভব হয়েছে হুলাডেক রিসাইক্লিং-এর সহযোগিতায়। (পজ্)
এই পুরস্কার গ্রহণ করেন স্টার্টআপ ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি সন্দীপন সরকার। তিনি বলেন, “আমাদের এই চলার পথ সহজ ছিল না। অনেক আলোচনা, চ্যালেঞ্জ আর শেখার অভিজ্ঞতা হয়েছে আমাদের। এই স্বীকৃতি প্রমাণ করে মাত্র ১০ মাসেই যেকোনো উদ্যোগ শুরু করা যায়। যদি ইচ্ছা ও প্রচেষ্টা থাকে তাহলে এই সময়ের মধ্যেই সাফল্য আসতে পারে। অনেকে পরিবর্তনের কথা বলেন, কিন্তু হাতে গোনা কয়েকজনই তা বাস্তবে করে দেখান। আমরা দেখিয়ে দিতে চেয়েছি, সত্যিকারের প্রভাব কীভাবে তৈরী করা যায়। আর সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা এগিয়ে চলেছি।
3
২৮ নম্বর ওয়ার্ডের কর্মী সম্মেলনে জনসংযোগ বৃদ্ধিতে গুরুত্ব তৃণমূল নেতৃত্বের
বর্ধমান শহরের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কর্মী সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এই কর্মী সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক খোকন দাস, বর্ধমান শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তন্ময় সিংহ রায়, স্থানীয় কাউন্সিলর ইন্তেখাব আলম সহ অন্যান্য কাউন্সিলরদের মধ্যে শ্যামাপ্রসাদ বন্দোপাধ্যায়, সাহাবুদ্দিন খান, পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জয়দেব মুখার্জী প্রমুখ। এদিনের সভায় খোকন দাস বলেন, ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের জয় সুনিশ্চিত করতে হবে। এর জন্য ওয়ার্ডে সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ বাড়াতে হবে। সারা রাজ্যে যে সমস্ত উন্নয়নমূলক কর্মসূচী চলছে সে বিষয়ে ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের অবহিত করতে হবে।
শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তন্ময় সিংহ রায় বলেন, আগামী ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে এখন থেকেই দলীয় স্তরে ওয়ার্ড ভিত্তিক কর্মীসভা করা হচ্ছে। এই সমস্ত সভায় উপস্থিত কর্মীদের ভুতুড়ে ভোটার চিহ্নিতকরণের বিষয়ে গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্পের বার্তাকে ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উপরও গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। জয়দেব মুখার্জী বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের সঙ্গে আরও নিবিড় জনসংযোগ স্থাপন করতে হবে। এরজন্য প্রতিটি ওয়ার্ডেই দলের নেতৃত্ব ও কর্মীদের সাধারণ মানুষের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে তাদের সুবিধা-অসুবিধার কথা জানতে হবে।


