1
ভুতুড়ে ভোটার কার্ড খুঁজতে মেহেমুদের উদ্যোগে বাড়ি বাড়ি অভিযান
পূর্ব বর্ধমান জেলার জামালপুরে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি মেহেমুদ খানের নেতৃত্বে দলের নেতা ও কর্মীরা গ্রামে গ্রামে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে সারা রাজ্যজুড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা এবং নেতা ও মন্ত্রীরা বাড়ি বাড়ি ঘোরার কাজ শুরু করেছেন। লক্ষ্য হলো ভুয়ো ভোটার খোঁজা। পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে ১৪০ ও ১৪১ নম্বর বুথ এলাকা নিজে ঘুরে দেখেন ব্লক তৃণমূল সভাপতি তথা জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মেহেমুদ খান। জামালপুর বাজারে তিনি দুটি বুথ এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার কার্ড খতিয়ে দেখেন। তিনি জানান, দলনেত্রী কেন্দ্রীয় সরকারের এই ভোটার কার্ডের খেলা ধরে ফেলেছেন। তাঁর নির্দেশে সারা রাজ্যের সঙ্গে এই ব্লকের ১৩ টি অঞ্চলে এই ভুতুড়ে ভোটার খোঁজার কাজ চলছে। মঙ্গলবার তিনি বেড়িয়েছিলেন এই কাজে। তার সঙ্গে ছিলেন বুথ সভাপতি শোভন বসু, পঞ্চায়েত সদস্য উত্তম পাত্র , শিব শঙ্কর রক্ষিত, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য রুমকি পাল সহ দলীয় কর্মী – সমর্থকরা। সকলকে নিয়ে এই কাজ এখন ব্লক জুড়ে চলবে বলে জানিয়েছেন মেহেমুদ খান।
2
ভুয়ো ভোটার সনাক্তকরণে ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে বুথ এজেন্টদের নিয়ে বৈঠক
গত ২৭ ফেব্রুয়ারি কলকাতার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত দলীয় সভায় তৃণমূল সুপ্রিমো তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের প্রত্যেকটি এলাকায় ভুয়ো ভোটারদের সনাক্তকরণের জন্য দলের প্রত্যেক নেতৃত্ব ও কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন। সেই মতো বর্ধমান শহরের ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে প্রাথমিক পর্যায়ে প্রস্তুতির কাজ শুরু হয়েছে। এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা বর্ধমান পৌরসভার এমসিআইসি সুশান্ত প্রামাণিক বলেন, এই ওয়ার্ডের ছটি পার্ট রয়েছে। প্রতিটি পার্টের তিনজন করে দলের প্রতিনিধিদের নিয়ে ১০ মার্চ বৈঠক করা হয়েছে। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, ওয়ার্ড তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি প্রণবরঞ্জন ব্যানার্জী সহ অন্যান্য অভিজ্ঞ নেতৃত্ববৃন্দ। সুশান্ত বলেন, এই বৈঠকে প্রত্যেক বুথ এজেন্টের হাতে ভোটার তালিকা তুলে দেওয়া হয়েছে। এই তালিকাগুলি সঙ্গে নিয়ে ওয়ার্ডের প্রতিটি পার্টে আমি নিজেও ভোটারদের বাড়ি বাড়ি যাব। তাদের সঙ্গে কথা বলবো। যদি কোনো ভোটার তালিকায় দেখা যায় কোনো ভুতুড়ে ভোটারের নাম যুক্ত করা হয়েছে, তাহলে তা দলের ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের কাছে সঙ্গে সঙ্গে জানাবো। প্রতিটি পার্টে এই কাজ করতে চার-পাঁচ দিন করে সময় লাগবে। এই সময় প্রত্যেক নেতৃত্ব ও কর্মী সহযোগিতা করবেন বলে আশারাখি। সুশান্ত বলেন, এই কাজ এখন ধারাবাহিক ভাবে দলের পক্ষ থেকে করা হবে।


