1
আদিবাসী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের দেওয়া হলো পুষ্টিকর খাবার
পূর্ব বর্ধমান জেলার আউশগ্রাম ২ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত চন্ডীপুরডাঙা আদিবাসী অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠরত ছাত্রছাত্রীদের পুষ্টিকর খাবার দেওয়া হলো। মিড ডে মিলের পাশাপাশি তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় তরমুজ, আঙুর, খেজুর ইত্যাদি। এ প্রসঙ্গে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুমিত রায় বলেন, এখানে বেশিরভাগই পিছিয়ে পড়া পরিবারের শিশুরা পড়াশোনা করে। এখন মাসে তাদের ১২ দিন অতিরিক্ত পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানো হবে। তিনি জানান, মিড ডে মিলের ডিমের সঙ্গে তারা মরশুমী ফল পাবে। এতে বিদ্যালয়ে আগত ছাত্রছাত্রীর সংখ্যাও বাড়বে। বিদ্যালয় ছুটের সংখ্যা কমলে এলাকায় শিক্ষার হার আরও বৃদ্ধি পাবে। বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বলেন, সরকারের এই উদ্যোগ অবশ্যই প্রশংসার দাবি রাখে। প্রধান শিক্ষক বলেন, অত্যন্ত মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কচিকাঁচাদের মুখে পুষ্টিকর খাবার তুলে দেওয়ার বিষয়টি আমরা এই বিদ্যালয়ে সঠিকভাবে রূপায়িত করে চলেছি।
2
নেতাজিনগর দুর্গামন্ডপে ধুমধামের সঙ্গে পালিত হল দোল উৎসব
বর্ধমানের কেশবগঞ্জচটি এলাকায় নেতাজিনগর দুর্গামন্ডপে ধুমধামের সঙ্গে দোল উৎসব পালিত হলো। ৮ থেকে ৮০ সব বয়সের মানুষরাই এখানে উপস্থিত ছিলেন। দোল উৎসবের প্রারম্ভে উপস্থিত শিশু-কিশোররা গুরুজনদের পায়ে আবীর দিয়ে প্রণাম করে। এরপর দুর্গামন্ডপে মায়ের মূর্তিতে রং দিয়ে দোল উৎসবের সূচনা হয়। ব্যবস্থাপনায় ছিলেন নেতাজিনগর উন্নয়ন কমিটির সদস্যরা। এখানে এই দোল উৎসবে যেমন পথচলতি মানুষরা উপস্থিত হয়েছিলেন, তেমনই কমিটির সদস্যরাও বেশিরভাগই উপস্থিত ছিলেন। সকলের উপস্থিতিতে এই এলাকা মিলন উৎসবের রূপ নেয়। প্রত্যেককেই মিষ্টিমুখ করানো হয়। গরমের প্রকোপ থেকে রক্ষা পেতে উদ্যোক্তারা কোল্ড ড্রিংসের ব্যবস্থা করেছিলেন। একটা সময় উৎসবে মেতে উঠে সকলেই। নাচের তালে পা মেলান উদ্যোক্তারা সহ উপস্থিত অনেকেই। সকলেই বললেন, এই দিনটি আমাদের প্রত্যেকের কাছেই অত্যন্ত আনন্দের দিন। আজ এখানে আমরা একত্রিত হতে পেরে প্রত্যেকেই আপ্লুত। শিশুরাও আনন্দে খুশিতে মেতে উঠেছে। এক অপরূপ পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে এই দোল উৎসবকে কেন্দ্র করে।


