মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেওয়া ফেস্টুন এবং সরকারি প্রকল্পের সাইনবোর্ড ভেঙে ফেলার কারণে আটক বিজেপির দুই কর্মী
শহর বর্ধমানের কার্জন গেটের সামনে তৃণমূল প্রার্থী খোকন দাসের তৃণমূল কার্যালয়ের সামনে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দিয়ে সাইনবোর্ড,ব্যানার ও ফেস্টুন ছিঁড়ে ও ভেঙে ফেলায় চাঞ্চল্য ছড়াল এলাকায়। ৫ মে এই ঘটনাকে ঘিরে তীব্র উত্তেজনা তৈরী হয়। যা মুহূর্তের মধ্যে রাজনৈতিক তরজায় পরিণত হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শহর বর্ধমানের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা কার্জনগেটে থাকা ওই তৃনমূল কার্যালয়ের সামনে লাগানো ব্যানার ও ফেস্টুন এবং সাইনবোর্ড আচমকাই ছিঁড়ে ও ভেঙে ফেলা হয়। ঘটনাস্থলে বিজেপি কর্মীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেলেও, এই ঘটনায় সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিজেপি নেতৃত্ব।
ঘটনার পরপরই এলাকায় ভিড় জমে যায় এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছোয় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্রিয় হয় প্রশাসন। এই ঘটনায় বিজেপি কর্মী দিব্যেন্দু চক্রবর্তী সহ আর এক বিজেপি কর্মীকে আটক করে পুলিশ।
দিব্যেন্দু চক্রবর্তী ঘটনার বিষয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, “এটা সাধারণ মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। আমরা শুধু তাদের পাশে ছিলাম, কোনও রকম ভাঙচুর বা হিংসার সঙ্গে আমরা জড়িত নই”। তার এই বক্তব্য ঘিরেও শুরু হয়েছে নতুন করে বিতর্ক।
অন্যদিকে, বিজেপির জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা স্পষ্ট ভাষায় দলের অবস্থান জানিয়ে বলেন, “এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে অভিযোগ উঠছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বিজেপি একটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল, আমরা কখনওই হিংসা বা ভাঙচুরের রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। আমাদের দল সবসময়ই শান্তিপূর্ণ ও সাংবিধানিক পথে আন্দোলন করে এসেছে। কোনও কর্মী বা সমর্থক যদি ব্যক্তিগতভাবে কোনও কাজ করে থাকে, তার দায় দল নেবে না—এটাই আমাদের স্পষ্ট অবস্থান।


