প্রার্থী ভূতনাথ মালিককে নিয়ে বিরাট মিছিল জারগ্রাম অঞ্চলে | ২৯ নম্বরে ভোটারদের পাশে সুশান্ত সহ তৃণমূলের কর্মীরা


1
৬ এপ্রিল বর্ধমানে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন সিপিআইএমের ৯ জন প্রার্থী

২৯ এপ্রিল যে সমস্ত বিধানসভায় নির্বাচন রয়েছে সেখানে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার কাজ শুরু হয়ে গেছে। পূর্ব বর্ধমান জেলার ১৬ টি বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচন হবে ২৯ এপ্রিল। তাই এখানেও মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। ৬ এপ্রিল বর্ধমানে প্রশাসনিক ভবন প্রাঙ্গণে বিভিন্ন আধিকারিকের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন সিপিআইএমের ন’জন প্রার্থী। এদিন মনোনয়নপত্র জমা দেন বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে সিপিআইএম প্রার্থী সুদীপ্ত গুপ্ত, জামালপুর বিধানসভা কেন্দ্রে সিপিআইএম প্রার্থীর সমর হাজরা, মেমারি বিধানসভা কেন্দ্রে সিপিআইএম প্রার্থী কৃষাণু ভদ্র,বর্ধমান উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রে সিপিআইএম প্রার্থী মামণি মন্ডল রায়, রায়না বিধানসভা কেন্দ্রে সিপিআইএম প্রার্থী সোমনাথ মাজী, গলসী বিধানসভা কেন্দ্রে সিপিআইএম প্রার্থী মণিমালা দাস, খণ্ডঘোষ বিধানসভা কেন্দ্রে সিপিআইএম প্রার্থী রামজীবন রায়, আউশগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে সিপিআইএম প্রার্থী চঞ্চল কুমার মাঝি, ভাতার বিধানসভা কেন্দ্রে সিপিআইএম প্রার্থী হাসিনা খাতুন। এদিন সিপিআইএম জেলা কার্যালয় থেকে মিছিল করে দলের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে আসেন। কার্জেন গেটের কাছে প্রশাসনিক নিয়ম মতো মিছিল আটকে দেওয়া হয়। এরপর প্রার্থী ও তার সঙ্গে নির্দিষ্ট সংখ্যক দায়িত্বপ্রাপ্ত দলীয় নেতৃত্বরা বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরে পৌঁছে মনোনয়নপত্র জমা দেন। বর্ধমান দক্ষিণের প্রার্থী সুদীপ্ত গুপ্ত বলেন, এখানে প্রশাসনিক ভবন প্রাঙ্গণে তারা ৯ জন প্রার্থী এদিন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বাকি সাতজন প্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা দেবেন কাটোয়া ও কালনা মহকুমা শাসক অফিসে। সিপিআইএম জেলা কমিটির সদস্য অপূর্ব চ্যাটার্জী বলেন, আমাদের লড়াই হলো সাধারণ মানুষের স্বপক্ষে এবং তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির বিরুদ্ধে। সেই লড়াইয়ে মানুষ আমাদের সঙ্গে রয়েছেন। আমরা নির্বাচনে জয়লাভ করবো।

2
ভাতাড়ে ভোট প্রচারে তৃণমূল প্রার্থী শান্তনু কোনার

প্রতিদিনই সকালে উঠে ভাতাড় বিধানসভা কেন্দ্র এলাকায় ভোট প্রচারে বেরিয়ে পড়ছেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শান্তনু কোনার। তার সঙ্গে যেমন থাকছেন দলীয় নেতৃত্ব ও কর্মীরা, তেমনই তিনিও বাড়ি বাড়ি পৌঁছে ভোটারদের সঙ্গে জনসংযোগ সারছেন প্রতিদিনই। এ প্রসঙ্গে শান্তনু কোনার বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব ও কর্মীরা সারা বছরই সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগসূত্র রাখেন। আমরা প্রতিদিনই নিজের এলাকার মানুষদের সঙ্গে জনসংযোগ বজায় রাখি। তাদের সমস্যার কথা, চাহিদার কথা শুনে আর তা পূরণে চেষ্টা করি। ভোটের সময় আমরা প্রচারকালে সাধারণ মানুষের সঙ্গে বাড়তি জনসংযোগ স্থাপন করছি। শান্তনু বলেন, যেদিন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও কর্মীরা তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। তারপর থেকেই ভাতাড় এলাকায় তিনি প্রচার শুরু করে দিয়েছেন। শান্তনু বলেন, এখানকার মানুষের সঙ্গে আমি নিয়মিত কথা বলছি। তাদের চাহিদা ও দাবির কথা শুনছি। মানুষ যদি আমাকে নির্বাচিত করেন, তাহলে আমি বিধায়ক হিসেবে তাদের দাবি ও চাহিদার কথা যথাস্থানে তুলে ধরবো। এলাকার মানুষের সমস্যার সমাধানের সচেষ্ট থাকব। এর পাশাপাশি আমরা বিজেপির সাম্প্রদায়িক নীতির প্রসঙ্গে সাধারণ মানুষকে সজাগ থাকতে বলেছি। কোথাও যাতে কোন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয় তারজন্য এলাকার মানুষকে সচেতন থাকার কথা বলেছি।