বর্ধমানের বালিডাঙা রানার্স ক্লাবের উদ্যোগে ক্লাবের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষ্যে এক রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। এই ক্লাবের প্রতিষ্ঠা দিবস হলো ৬ নভেম্বর। আর এই দিবসটির প্রতি সম্মান জ্ঞাপনে ২৪ নভেম্বর ক্লাব প্রাঙ্গণে এক রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। এ প্রসঙ্গে শিবিরে উপস্থিত স্থানীয় মানুষজন জানান, বালিডাঙা রানার্স ক্লাবের পক্ষ থেকে এই ধরনের উদ্যোগ প্রতি বছরই গ্রহণ করা হয়। এখানে স্থানীয় মানুষ হিসেবে তারা রক্তদান করতে এসে খুবই গর্ব অনুভব করছেন। রক্তদানের মতো সামাজিক কাজে অংশ নেওয়ার মধ্যে একটা আলাদা মানসিক তৃপ্তি রয়েছে। তারা বলেন, শুধু রক্তদান নয়, সারা বছরই এই ক্লাবের পক্ষ থেকে নানান সমাজসেবামূলক কাজ করা হয়ে থাকে। করোনার সময় এই ক্লাবের পক্ষ থেকে এলাকার বহু গরীব দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের এই সমস্ত উদ্যোগই প্রশংসার দাবি রাখে।
বর্ধমান শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে বাহির সর্বমঙ্গলা পাড়া এলাকায় বিশিষ্ট তৃণমূল নেতৃত্ব কানাই মির্জার উদ্যোগে এলাকার প্রবীণ নাগরিকদের সম্বর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়। এই সম্বর্ধনা জ্ঞাপন অনুষ্ঠানে একদিকে যেমন উপস্থিত ছিলেন রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজ, তেমনই ছিলেন মৌলানা সাহেবরাও। এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে জানাতে গিয়ে কানাই মির্জা বলেন, আমরা প্রতি বছরই প্রবীণ নাগরিকদের সম্মান জানাই। মূলত প্রবীণ নাগরিকরাই হলেন আমাদের পথপ্রদর্শক। তাদের দেখানো পথ ধরেই আমরা এগিয়ে চলি। কানাই মির্জা বলেন, আমি যতদিন থাকবো এখানে ততদিন এখানকার প্রবীণ নাগরিকদের প্রতিবছরই সম্মান জ্ঞাপন করবো। এটা আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য বলেই আমি মনে করি। আজকের এই অনুষ্ঠানে আদিবাসী নৃত্যের পাশাপাশি অন্যান্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তন্ময় সিংহ রায়, পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি স্বরাজ ঘোষ সহ অন্যান্য বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ
বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী ও গবেষকদের মিলনী সংস্থা আমরা সবাই-এর বাৎসরিক পুনর্মিলন উৎসব অনুষ্ঠিত হলো ২৪ নভেম্বর বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাঃ কাদম্বিনী হলে। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী তথা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য ডঃ ষোড়শীমোহন দাঁ, বাংলা বিভাগের প্রাক্তন অধ্যাপিকা তথা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী ডঃ সুমিতা চক্রবর্তী সহ এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীবৃন্দ। এদিনের অনুষ্ঠা নে তারা প্রত্যেকেই খুব সংক্ষেপে তাদের এই বিশ্ববিদ্যালয় পাঠ গ্রহণের সময়সীমার কথা বলেন। সংক্ষেপে তাদের কর্মজীবন ও বর্তমান সময় তারা কে কি করছেন সে কথাও তুলে ধরেন। এ প্রসঙ্গে সুমিতা চক্রবর্তী বলেন, সাত বছর ধরে এই অনুষ্ঠান এখানে হয়ে আসছে। প্রতিবছরই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনীরা আমরা সবাই-এর ছত্রছায়ায় মিলিত হন। পারস্পরিক ভাব বিনিময় করেন। কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলাপ আলোচনা হয়। আমরা চাই এর ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে।


