1
মাধ্যমিকে অষ্টম স্থান অধিকার করলো বিদ্যার্থী গার্লসের পাপড়ি মন্ডল
২ মে রাজ্যে মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হলো। প্রকাশিত ফল অনুযায়ী এ বছর বর্ধমানের বিদ্যার্থী গার্লস হাইস্কুলের ছাত্রী পাপড়ি মন্ডল অষ্টম স্থান অধিকার করলো। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮। ৯৮ শতাংশর বেশি নম্বর পেয়ে পাপড়ি এই স্থান অধিকার করায় খুশি তার পরিবার ও বিদ্যালয় শিক্ষিকাবৃন্দ। সে জানায়, মাধ্যমিকে ভালো ফল করবে এই প্রত্যাশা তার ছিল। কিন্তু কোনো স্থান অধিকার করবে এই ধরনের ভাবনাচিন্তা তার ছিল না। ভালো লাগছে অষ্টম স্থান অধিকার করায়। আগামী দিনে সে বিজ্ঞান নিয়ে পড়তে চায় বিদ্যার্থী গার্লস স্কুলেই। তার পড়াশোনার কাজে বিদ্যালয়ের শিক্ষিকারা সবসময় সহযোগিতা করেছেন। পড়াশোনায় সহযোগিতা করেছেন মা নিজেও। সে জানায়, তার ৬ জন প্রাইভেট টিউটর ছিল। আগামী দিনে যারা মাধ্যমিক পরীক্ষা দেবে তাদের কাছে পাপড়ির বার্তা প্রত্যেকে যেন টেক্সট বইটা ভালো করে পড়ে। তাহলে পরীক্ষায় ভালো ফল করা অনেকটাই সহজ হবে।
2
ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে নিয়ে পিতার প্রথম প্রয়াণ বার্ষিকী পালন
পিতা প্রয়াত হয়েছেন এক বছর হলো। আর তার প্রথম প্রয়াণ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে বর্ধমান রাজ কলেজের অধ্যাপিকা মিষ্টু রায় সামন্ত তেজগঞ্জ চিল্ড্রেন ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের অবৈতনিক শিক্ষা বিভাগে পাঠরত ১৪০ জন ছাত্রছাত্রীকে নৈশভোজে আপ্যায়িত করলেন। ৩০ এপ্রিল রাতে এই অবৈতনিক শিক্ষা বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠদান পর্ব শেষ হবার পর, এই নৈশ আহারের ব্যবস্থা করা হয়। এই মহতী কর্মযজ্ঞে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমতী সামন্তর মা-বোনসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। এ প্রসঙ্গে তেজগঞ্জ চিল্ড্রেন ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের সম্পাদক উৎপল দত্ত শ্রীমতী সামন্ত সহ তার পরিবারের সকল সদস্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এই ধরনের মহতী উদ্যোগ আগামী দিনে ছাত্র-ছাত্রীদের সামনে একটা উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো। উৎপলবাবু আরও জানান, শ্রীমতী সামন্ত ইতিপূর্বে তার পুত্রের জন্মদিন উপলক্ষ্যে এই প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে নিয়ে একাধিকবার এমন অনুষ্ঠান করেছেন। এখানে পাঠরত ছাত্রছাত্রীরাও এই ধরনের একটি প্রচেষ্টার অঙ্গ হতে পারায় খুবই ভালো লেগেছে তাদেরও। তারা মনে করে সমাজে এই ধরনের মানুষের সংখ্যা যত বাড়বে ততই সমাজ পরিশুদ্ধ হবে। শ্রীমতী সামন্ত বলেন, বাবার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে ছাত্রছাত্রীদের পাশে থাকতে পেরে আমাদেরও খুবই ভালো লাগছে। এরা প্রত্যেকেই আমাদের সন্তানতুল্য। এরাই আমাদের ভবিষ্যৎ।


