1
বর্ধমান শহর আইএনটিটিইউসির পক্ষ থেকে মে দিবস পালন
১ লা মে ঐতিহাসিক মে দিবস। সারা বিশ্বজুড়ে এই দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদা সহকারে পালন করা হয়। বর্ধমান শহরেও আইএনটিটিইউসির পক্ষ থেকে ঐতিহাসিক মে দিবস উপলক্ষ্যে টিকরহাটে সংগঠনের অফিস প্রাঙ্গণে পতাকা উত্তোলন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান শহর আইএনটিটিইউসির সভাপতি প্রসেনজিৎ কুণ্ডু, তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম জেলা নেতৃত্ব চন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (বাবলু দা), ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনুপ আচার্য প্রমুখ। ছিলেন ৩৫টি ওয়ার্ডের আইএনটিটিইউসির ওয়ার্ড সভাপতিরাও। এ প্রসঙ্গে প্রসেনজিৎ কুন্ডু জানান, সমাজের শ্রমজীবী মানুষদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনে আমরা এই দিনটি প্রতিবছর মর্যাদার সঙ্গে পালন করে থাকি। এদিন সংগঠনের অফিস প্রাঙ্গণে আইএনটিটিইউসির পতাকা উত্তোলন করা হয়। তিনি বলেন, এই রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে আইএনটিটিইউসি শ্রমজীবী মানুষের পাশে থেকে লড়াই আন্দোলন চালিয়ে চলেছে। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই শ্রমজীবীদের জন্য বিভিন্ন প্রকল্পকে কার্যকর করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, এদিন এই কর্মসূচীর শেষে উপস্থিত শ্রমজীবীদের আইএনটিটিইউসির পক্ষ থেকে জলযোগের ব্যবস্থাও করা হয়।
2
জামালপুর ব্লক জুড়ে দীঘায় জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখানোর ব্যবস্থা
দীঘায় জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে সারা রাজ্যজুড়ে ছিল উৎসবের আমেজ। রাজ্যের প্রতিটি ব্লকে প্রতিটি অঞ্চলে জায়ান্ট স্ক্রিনে দেখানো হয় পুরো অনুষ্ঠান। তারই সঙ্গে চলে পূজার্চনা, চলে ভোগ খাওয়ানো । পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর ব্লকে ১৩ টি অঞ্চলেই জায়ান্ট স্ক্রিনে দেখানো হয় মন্দির উদ্বোধনের অনুষ্ঠান। ব্লক অফিসে বড় জায়ান্ট স্ক্রিনে পুরো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখানো হয়। তার সঙ্গে পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে উপস্থিত সকলকে মিষ্টি মুখ করানো হয়। সেখানে অনুষ্ঠান দেখতে হাজির ছিলেন বিধায়ক অলোক কুমার মাঝি, ব্লক সভাপতি তথা পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মেহেমুদ খান, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পূর্ণিমা মালিক সহ পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ ও সদস্যরা। ছিলেন ব্লকের বিডিও পার্থসারথী দে সহ ব্লকের সকল আধিকারিকরা। জামালপুর ১ পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে বেত্রাগর গ্রামে বড় জায়ান্ট স্ক্রিনে দেখানো হয় মন্দির উদ্বোধনের অনুষ্ঠান। সেখানে প্রায় ১ হাজার মানুষকে খিচুড়ি ভোগ খাওয়ানো হয়। সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন বিধায়ক অলোক কুমার মাঝি, ব্লক সভাপতি তথা পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মেহেমুদ খান, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পূর্ণিমা মালিক,জামালপুর ১ পঞ্চায়েতের উপ প্রধান তথা জেলা যুব সহ সভাপতি সাহাবুদ্দিন মন্ডল সহ অন্যান্যরা। সেখানে তাঁরা সকলের সঙ্গে ভোগ খান।
বিধায়ক অলোক কুমার মাঝি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী একটি ঐতিহাসিক কাজ করে দেখালেন। এটি একটি মাইল স্টোন হয়ে থাকবে। তিনি জয় জগন্নাথ বলে জয়ধ্বনিও করেন।
মেহেমুদ খান বলেন, দীঘায় জগন্নাথ মন্দির উদ্বোধন দেখতে হাজারে হাজারে মানুষ সেখানে গেছেন। ব্লকের সমস্ত অঞ্চলে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখানোর ব্যবস্থা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দীঘায় জগন্নাথ মন্দির প্রতিষ্ঠা করে ইতিহাস সৃষ্টি করলেন। আমরা কৃতজ্ঞ তাঁর কাছে।
3
ভুয়ো ভোটার চিহ্নিতকরণে ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে ১১৫ নম্বর পার্টের কাজ শেষ হলো
একটানা ৬০ দিন ধরে ওয়ার্ডে মানুষের বাড়ি বাড়ি ঘুরে ভুয়ো ভোটার সনাক্তকরণের কাজ করা হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে। একটানা ৬০ দিন ধরে ওয়ার্ডে বিভিন্ন পার্টে বাসিন্দাদের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে ভোটার তালিকা ধরে ভোটারদের নাম মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। এই কাজে অংশ নিয়েছেন ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুশান্ত প্রামাণিক সহ তৃণমূলের অন্যান্য নেতৃত্ব ও কর্মীবৃন্দ। এ প্রসঙ্গে সুশান্ত প্রামাণিক জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে বর্ধমান পৌরসভার ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের চিহ্নিত করার কাজ দলের পক্ষ থেকে করা হচ্ছে। একটানা ৬০ দিন ধরে এই কাজ চলছে। ১ লা মে ১১৫ নম্বর পার্টে এই কাজ সমাপ্ত করা হলো। পরবর্তী পর্যায়ে অন্যান্য পার্টেও যাওয়া হবে। সুশান্ত বলেন, বিজেপি যে চক্রান্ত করেছে তার বিরুদ্ধে আমরা পথে নেমে সাধারণ মানুষকে সচেতন করছি। বিজেপির যাবতীয় অপচেষ্টাকে আমরা ব্যর্থ করে দেব।


