1
নবরূপে গড়ে ওঠা বংশগোপাল টাউন হলের উদ্বোধন
বর্ধমান পৌরসভার উদ্যোগে নবরূপে গড়ে তোলা হয়েছে বংশগোপাল টাউন হল। সেই টাউন হলের অনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হলো ২ জানুয়ারি। প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্যে দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে টাউন হলের উদ্বোধন করলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার। উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক খোকন দাস, বর্ধমান পৌরসভার পৌরপ্রধান পরেশচন্দ্র সরকার সহ অন্যান্য কাউন্সিলরবৃন্দ। এই উদ্বোধনী পর্বে পরেশচন্দ্র সরকার বলেন, টাউন হলকে নবরূপে গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত বর্তমান পৌরবোর্ড গঠনের পরই নেওয়া হয়। তবে অনেক বড় উদ্যোগ হওয়ায় কাজ শুরু করতে একটু সময় লেগেছে। ২০২৫ সালে কয়েক মাসের মধ্যেই এই টাউন হল নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। নবরূপে এই টাউন হল গড়ে তোলার জন্য ব্যয় হয়েছে চার কোটি টাকা।
বিধায়ক খোকন দাস বলেন, টাউন হল বর্ধমান শহরের গর্ব। ঐতিহ্যমন্ডিত এই স্থানকে নবরূপে গড়ে তোলার যে উদ্যোগ পৌরসভা নিয়েছে তা আজ বাস্তবায়িত হলো। এই টাউন হলকে সুরক্ষিত রাখার দায়িত্ব আমাদের প্রত্যেক নাগরিকের।
প্রদীপ মজুমদার বলেন, যেকোনো ঐতিহ্যশালী ভবন সেই শহর এলাকার গর্ব হয়ে থাকে। বর্ধমান টাউন হলের সঙ্গে অনেক স্মৃতি বিজড়িত রয়েছে। এই টাউন হল নতুন করে সংস্কার করার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তা অত্যন্ত বাস্তবসম্মত। নবরূপে গড়ে ওঠা এই টাউন হলের উদ্বোধন করতে পেরে আমি নিজেও গর্বিত।
2
বর্ধমানে পঞ্চম সৃষ্টিশ্রী মেলার উদ্বোধন
বর্ধমান উৎসব ময়দানে উদ্বোধন হলো পঞ্চম সৃষ্টিশ্রী মেলা ২০২৫-২৬। পূর্ব বর্ধমান জেলা মিশন ম্যানেজমেন্ট ইউনিট, আনন্দধারা আয়োজিত এই পঞ্চম সৃষ্টিশ্রী মেলার অনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত, গ্রামোন্নয়ন ও সমবায় দপ্তরের মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের প্রাণীসম্পদ বিকাশ দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। ছিলেন বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক খোকন দাস, জামালপুরের বিধায়ক অলোক মাঝি, পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহার, সহকারি সভাধিপতি গার্গী নাহা, জেলা পরিষদের মেন্টর মহঃ ইসমাইল, বর্ধমান উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান উজ্জ্বল প্রামাণিক, বর্ধমান পৌরসভার চেয়ারম্যান পরেশ চন্দ্র সরকার, জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ বিশ্বনাথ রায়, শান্তনু কোনার, আরতি খান প্রমুখ।
এই অনুষ্ঠানে প্রদীপ মজুমদার বলেন, সৃষ্টিশ্রী মেলার আয়োজনের মধ্যে দিয়ে আমাদের গ্রাম বাংলার স্বয়ংবর গোষ্ঠীর মহিলাদের হাতে তৈরী সামগ্রী বিপণনের একটা বৃহৎ সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগ প্রতিবছরই নেওয়া হচ্ছে। আনন্দধারা প্রকল্প ২০১২ সালে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে বাস্তবায়িত হয়েছে। এরফলে স্বয়ম্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা আজ অনেকেই আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে সক্ষম হয়েছেন।
স্বপন দেবনাথ বলেন আনন্দধারা প্রকল্প রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এর মধ্যে দিয়ে তিনি প্রতিটি পরিবারের মহিলাকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে চেয়েছেন। এটা একটা নতুন দিক খুলে দিয়েছে। এর ফলে স্বয়ম্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত মহিলারা আজ নিজেরা অর্থ উপার্জন করে তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পারছেন। এর ফলে তারা সামাজিকভাবেও নিজেদের একটা পরিচিতি তৈরী করে তুলতে পেরেছেন। যা একটা দৃষ্টান্ত বলা চলে।
এদিনের অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ দেন আনন্দধারা প্রকল্পের দপ্তরের আধিকারিক রাখি বিশ্বাস। উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলাশাসক প্রসেনজিৎ দাস, জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক রাম শঙ্কর মন্ডল প্রমুখ।


