1
বর্ধমান রবীন্দ্রভবনে অনুষ্ঠিত হবে হনুমন্ত ত্রিবেদী
বর্ধমান রবীন্দ্রভবনে হনুমন্ত ত্রিবেদী অনুষ্ঠিত হবে। এবারই প্রথম এখানে তিনদিনের হনুমান সম্বন্ধীয় আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এই উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক সাংবাদিক সভায় উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে এই ধরনের আলোচনা সভা আয়োজনের কার্যকারণ নিয়ে ব্যাখ্যা করা হয়। এই আলোচনা সভায় সকলকে অংশগ্রহণের আহ্বানও জানানো হয়।
2
২৫ নম্বর ওয়ার্ডে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবির
বর্ধমান শহরের ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে স্থানীয় কাউন্সিলর অনুপ আচার্যের উদ্যোগে এবং ওয়ার্ড তৃণমূল কংগ্রেসের সহযোগিতায় এক স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবিরের আয়োজন করা হয়। এদিনের এই শিবিরে মোট ৪০০ জনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। স্থানীয় লাকুর্ডি বিদ্যামন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার শিবিরে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি রাসবিহারী হালদার, জেলা আইএনটিটিইউসি-র সহ-সম্পাদক প্রসেনজিৎ কুণ্ডু, আশীষ বিশ্বাস প্রমুখ। এই শিবিরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন বর্ধমান ক্যামরি হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীদের পাশাপাশি ডাক্তার রঞ্জন মুখার্জী, ডাক্তার গৌতম সাহা প্রমুখ। এ প্রসঙ্গে কাউন্সিলর অনুপ আচার্য জানান, এই ধরনের শিবিরের আয়োজন মূলত স্থানীয় বাসিন্দাদের সুবিধার্থেই করা হয়েছে। এই শিবির পরিচালনায় চিকিৎসকরা যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন। এগিয়ে এসেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব ও কর্মীরাও। প্রত্যেকের আন্তরিক সহযোগিতায় এই শিবিরকে সফল করে তোলা সম্ভব হয়েছে।
3
সরকারি নিয়ম মেনে স্কুলে ভর্তি ফি নেওয়ার দাবি এসএফআই-এর
এসএফআই-এর নেতৃত্বে গোটা রাজ্যজুড়ে চলছে “স্কুল বাঁচাও, মূল বাঁচাও কর্মসূচী”। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ২৪০ টাকার বেশি ভর্তি ফি নেওয়া যাবে না। এদিকে বিভিন্ন স্কুলে স্কুলের ডেভেলপমেন্ট, ল্যাব, ইলেক্ট্রিক বিলের নাম করে নেওয়া হচ্ছে মাত্রাতিরিক্ত টাকা। ভর্তির প্রমাণ হিসেবে ছাত্রদের দেওয়া হচ্ছে দু তিনটি রিসিট। তাতে অসঙ্গতি ধরা পড়ছে। পূর্ব বর্ধমান জেলাজুড়েও চলছে স্কুল বাঁচানোর লড়াই। গত ৬ ই ডিসেম্বর বর্ধমান শহরের অনতিদূরে উল্লাসের কাছে মটর বিনয় ট্রাস্টে দিনভর “জনশিক্ষা বাঁচাও কনভেনশন” এর মধ্যে দিয়ে শুরু হয়েছিল এই লড়াই। এরপর থেকে স্কুলে স্কুলে চলছে পোস্টারিং,জেলাজুড়ে চলছে ডেপুটেশন। ছাত্র ও অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়ে চলছে এসএফআই-এর কর্মসূচী। এই কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ২ জানুয়ারি পূর্বস্থলী ১ ব্লকের আকবপুর হাইস্কুলে চলে ছাত্রদের আন্দোলন। এসএফআই-এর কর্মীরা স্কুলের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করেন। প্রধান শিক্ষক জানান, স্কুলের আইডেন্টিটি কার্ড, মার্কশিট ছাপানো সহ একাধিক বিষয়ের জন্য নেওয়া হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা। বেশ কয়েকজনের ভর্তির রিসিট হাতে এলে দেখা যায় ভর্তি রিসিটের মূল অংশে ২৪০ টাকা লেখা থাকলেও রিসিটের উল্টো দিকে রয়েছে ৩৮০ টাকা লেখা। তখন এস এফ আই নেতৃত্বরা ছাত্র ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলেন। স্কুলের মাঠেই দীর্ঘক্ষণ চলে ছাত্রদের সাথে কথাবার্তা। সাধারণ ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকরা সরকারি মেমো দেখে ও এস এফ আই নেতৃত্বের সমস্ত কথা শোনার পর তারাও দাবি তোলেন ২৪০ টাকার বেশি টাকা নেওয়া যাবে না। অতিরিক্ত টাকা ফেরৎ দিতে হবে। সাধারণ ছাত্রছাত্রীরাও এস এফ আই – এর সঙ্গে স্কুল বাঁচানোর স্লোগানে গলা মেলায়। স্কুলের পক্ষ থেকে প্রকাশ্যেই জানানো হয় ২৪০ টাকার বেশি তারা কেন নিচ্ছেন। এরপর নতুন করে অতিরিক্ত টাকা তারা নেবেন না। যারা অতিরিক্ত টাকা ফেরৎ চাইবেন, তাদের সবাইকেই টাকা ফেরত দেওয়া হবে।


