২১ নম্বর ওয়ার্ডে এসআইআর-এর ফর্ম পূরণে ইতিমধ্যেই ৮০ শতাংশ মানুষকে সহায়তা প্রদান || প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ঝড়বৃষ্টিতে ডেঙ্গু রোধে সচেতন থাকার বার্তা


1
২১ নম্বর ওয়ার্ডে এসআইআর-এর ফর্ম পূরণে ইতিমধ্যেই ৮০ শতাংশ মানুষকে সহায়তা প্রদান

রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার সময় থেকেই শহরের ২১ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সহায়তা শিবির করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই এই শিবির থেকে ওয়ার্ডের ৮০ শতাংশ মানুষকে এসআইআর-এর ফর্ম পূরণের ব্যাপারে সহযোগিতা করা হয়েছে বলে জানালেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর শ্যামাপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এই সহযোগিতার কাজ আগামী ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। কাউন্সিলর বলেন, ওয়ার্ডে এমন অনেক মানুষ রয়েছেন যারা ভালোমতো লিখতে পড়তে পারেন না। ভিন প্রদেশের মানুষও এখানে অনেকেই রয়েছেন। তারা বেশিরভাগই সাধারণ কাজকর্ম করেন। তাদের পক্ষেও লেখা সম্ভব নয়। তাই এখানকার সহায়তা শিবির থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব ও কর্মীরা এসআইআর ফর্ম পূরণে তাদের সহযোগিতা করছেন। এরফলে বহু সাধারণ মানুষ উপকৃত হয়েছেন। তিনি বলেন,তৃণমূল কংগ্রেস সবসময় মানুষের পাশে থেকে কাজ করে। এক্ষেত্রে ওয়ার্ডের প্রতিটি মানুষের পাশে আমরা থাকার চেষ্টা করে চলেছি। এই সহায়তা প্রদানের কাজ আগামী ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে।

2
প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ঝড়বৃষ্টিতে ডেঙ্গু রোধে সচেতন থাকার বার্তা

রাজ্যে দুর্গাপুজোর আগে এবং পরে নিম্নচাপের কারণে দীর্ঘ তিন মাস বৃষ্টি হয়েছে। সেই সময় যাতে কোনো ঘরবাড়িতে জল জমে না থাকে, মশা যাতে বংশ বৃদ্ধি করতে না পারে, তারজন্য স্বাস্থ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে প্রতিটি শহর ও ব্লক এলাকায় সাধারণ মানুষকে সচেতন করা হয়েছে। এই সচেতনতার বার্তা এখনও দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। কারণ আবহাওয়া দপ্তরের পক্ষ থেকে মাঝে মাঝেই ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কার কথা বলা হচ্ছে। তাই ঝড়-বৃষ্টিতে কোথাও যাতে জল না জমে সে ব্যাপারে সাধারণ মানুষকে সচেতন থাকার কথা বললেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ বিশ্বনাথ রায়। তিনি বলেন, আমরা সাধারণ মানুষকে ইতিপূর্বেও সচেতন করেছি। এখনও সচেতন করছি। কোনো কারণে বৃষ্টি হলে প্রত্যেককে নজর রাখতে হবে, যাতে ঘরের ভিতরে বা চারপাশে জল জমে না থাকে। এই জল দ্রুত পরিষ্কার করে দিতে হবে। জমে থাকা জল ফেলে দেবার ব্যবস্থা করতে হবে। এ ব্যাপারে এখনও পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মীরা সাধারণ মানুষকে সচেতন করে চলেছেন। ডেঙ্গু যাতে কোনোভাবে প্রভাব বিস্তার করতে না পারে তারজন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ডেঙ্গু প্রবণ এলাকাগুলিতে নিয়মিত মশক নিরোধক ওষুধ স্প্রে করা হচ্ছে। ব্লিচিং দেওয়া হচ্ছে। এই কাজে পৌর এলাকায় পৌরকর্মীরা এবং গ্রামীণ এলাকায় স্বাস্থ্য দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীরা তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে চলেছেন।