1
ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে এখন থেকেই সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ
এবছর ডেঙ্গু প্রতিরোধের বিষয়টিকে আরও বেশি করে গুরুত্ব দিতে চাইছে পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ দপ্তর। ডেঙ্গু রোধে ২০২৪ সালের চেয়ে ২০২৫ সালে অনেক বেশি সাফল্য পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। ২০২৪-এ যেখানে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৪০০, সেখানে ২০২৫ সালে সেই আক্রান্তের সংখ্যা অর্ধেকে নামিয়ে এনে ৭০০ করা সম্ভব হয়েছে। এ প্রসঙ্গে পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ বিশ্বনাথ রায় বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ করার ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে জেলা পরিষদ। ২০২৬-এ ডেঙ্গু প্রতিরোধের বিষয়টিকে আরও বেশি করে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এই রোগ প্রতিরোধের যে সাফল্য গত বছর ছিল সেই সাফল্যকে ছাপিয়ে যাওয়াটাই আমাদের লক্ষ্য। এরজন্য এখন থেকেই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশ্বনাথ জানান, এতদিন এসআইআর প্রক্রিয়ার কারণে ডেঙ্গু রোধের বিষয়টি নিয়ে কাজের ধারাবাহিকতা কিছুটা কম ছিল। এবার এসআইআর প্রক্রিয়া প্রায় শেষ। ফলে আবারও স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মীরা তাদের এই সংক্রান্ত দায়িত্ব পালনে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। ইতিমধ্যেই তারা বাড়ি বাড়ি প্রচারে বেরিয়ে পড়েছেন। ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ব্যবস্থার অধীনে থাকা প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতের গ্রামগুলিতে এই স্বাস্থ্যকর্মীরা নিয়মিত পৌঁছনোর চেষ্টা করছেন। তারা ডেঙ্গু রোধে কি কি করণীয় সে বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করছেন।
2
কেন্দ্র ও রাজ্য বাজেটের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ কর্মসূচী এসএফআই-ডিওয়াইএফআই-এর
ইতিমধ্যেই বাজেট পেশ করেছে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের দীর্ঘস্থায়ী উন্নয়ন বিরোধী, জনবিরোধী ও ছাত্র-যুব স্বার্থবিরোধী দিশাহীন বাজেটের বিরুদ্ধে সমস্ত স্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বর্ধমানের নীলপুর মোড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করে এসএফআই ও ডিওয়াইএফআই। বিক্ষোভ কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ছাত্র-যুব নেতৃত্বরা বলেন, ২০২৬ সালের কেন্দ্র ও রাজ্য—দুই সরকারের বাজেটই দিশাহীন ও অন্তঃসারশূন্য। এই বাজেটগুলিতে বড় বড় আশ্বাস থাকলেও দেশের ও রাজ্যের প্রকৃত উন্নয়নের কোনও সুস্পষ্ট দিশা নেই। কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত বিনিয়োগের কোনও উল্লেখ নেই।
তারা আরও বলেন, কর্পোরেট-বান্ধব এই বাজেট আসলে কর্মসংস্থান, শিক্ষা, প্রযুক্তি ও গবেষণা খাতে বরাদ্দ বাড়াতে ব্যর্থ। শিল্প ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে দিশা দেখাতে না পেরে সরকার নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে ভোটের আগে গিমিক তৈরী করতে ভাতার রাজনীতিতে মেতে উঠেছে। যা কোনওভাবেই দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের পথ দেখাতে পারে না।
বিক্ষোভ কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন এসএফআই ও ডিওয়াইএফআই নেতৃত্ব উষসী রায় চৌধুরী, প্রবীর ভৌমিক, অনির্বাণ রায় চৌধুরী, সুদেব দাস-সহ অন্যান্যরা।
কর্মসূচীর শেষে এসএফআই ও ডিওয়াইএফআই কর্মীদের পক্ষ থেকে ২০২৬ সালের কেন্দ্র ও রাজ্য বাজেটের খসড়া আগুনে পোড়ানো হয়। এই বাজেটের বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়া হয়।
3
আবারও বর্ধমান শহর তৃণমূল সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি হলেন তাজিবুর রহমান
পুনরায় বর্ধমান শহর তৃণমূল সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি হলেন তাজিবুর রহমান। এই দায়িত্ব পাবার পর তিনি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। একইসঙ্গে তিনি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল কংগ্রেস সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি তথা বিধায়ক মোশারফ হোসেন ও পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় ও বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক খোকন দাসকে। পাশাপাশি ধন্যবাদ জানান পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি জাকির হোসেনকে। তাজিবুর বলেন, দল পুনরায় আমাকে শহর সভাপতির দায়িত্ব দিয়েছে। এরজন্য আমি নেতৃত্বের কাছে কৃতজ্ঞ।। আমি চেষ্টা করেছি এই সংগঠনকে বর্ধমান শহরে প্রসারিত করতে। পাশাপাশি বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণের মধ্যে দিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে থাকারও চেষ্টা করেছি। শিশু থেকে বৃদ্ধ সকলের জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছি। দল তাই আমাকে পুনরায় এই শহরের সভাপতির দায়িত্ব দিয়েছে। আমি সেই দায়িত্ব পালনে অবশ্যই সচেষ্ট থাকব।


