মন্তেশ্বরে ইভিএম-য়ে তৃণমূল প্রার্থীর নামের উপর স্টিকার আটকানোর অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা


মন্তেশ্বরে ইভিএম-য়ে তৃণমূল প্রার্থীর নামের উপর স্টিকার আটকানোর অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা

পূর্ব বর্ধমান জেলার মন্তেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত একটি বুথে ইভিএম ভোট যন্ত্রে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরীর নাম ও বোতামের উপর স্টিকার আটকানোর অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায়। ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হন সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী। তিনি বলেন, এখানে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে তাকে হারানোর লক্ষ্য নিয়েই বিরোধী দলের পক্ষ থেকে কেউ বা কারা এই ধরনের স্টিকার লাগিয়ে দিয়েছে ইভিএমে। আমাদের এজেন্ট দেখেছেন সকাল ১১ টা অব্দি সেখানে কোনো স্টিকার লাগানো ছিল না। ১টা নাগাদ ঘটনাটি চোখে পড়ে। আমরা এরপর ভোটের দায়িত্বে থাকা অফিসারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করি। তারপর থেকেই ভোট বন্ধ রয়েছে এখানে। প্রশাসনের আধিকারিকরা এসে বিষয়টি দেখভাল করছেন। এদিকে সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী সমস্যা তৈরী হওয়া বুথে উপস্থিত হলে, তাকে ঘিরে ধরে বিজেপির কর্মী সমর্থকরা স্লোগান দিতে থাকেন। তার উদ্দেশ্যে গো ব্যাক স্লোগান দেওয়া হয়। সিদ্দিকুল্লাহ বলেন ওরা যতই চিৎকার করুক, ভোটে আমিই জিতবো, আবার মন্ত্রীও হবো।

এ প্রসঙ্গে মন্তেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী সৈকত পাঁজা বলেন, এই বুথে মহকুমা শাসক এসেছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, যতক্ষণ ভোট হয়েছে তারপর থেকে নতুন ইভিএম বসিয়ে এখানে ভোট করা হবে। আমরা বিষয়টি মেনে নিয়েছি। সৈকত অভিযোগ করেন, বেশকিছু বুথে বিএলও- দের কিনে নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। পরিযায়ী শ্রমিকরা এখানে এসেছিলেন ভোট দেওয়ার জন্য। কিন্তু তাদের মধ্যে অনেককেই ভোট দিতে দেওয়া হয়নি। তাদের ভোট অন্য লোকে দিয়ে দিচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। এরজন্য তিনি বিক্রি হয়ে যাওয়া বেশকিছু এলাকার বিএলওদের দিকে অভিযোগের আঙুল তোলেন।

এদিকে এই ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে উপস্থিত অনেকেই অভিযোগ করেন, এখানে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী পাঁচ বছর বিধায়ক ছিলেন। তাকে দেখতে পাওয়া যায়নি। আজ তিনি পরিযায়ী শ্রমিকের মতো এখানে এসেছেন। যেকোনো সার্টিফিকেটের জন্য বিধায়কের সই প্রয়োজন হলে, তাকে এখানে পাওয়া যায় না। আজ হঠাৎ করে উপস্থিত হয়ে তিনি ভোটে জিতবো বলছেন। কিন্তু তিনি ইতিমধ্যেই হেরে বসে আছেন। মানুষ তাকে আর বিধায়ক হিসেবে চাইছেন না।