২৩ নভেম্বর সর্বমঙ্গলা মন্দিরে নবান্ন || বিশ্ব শৌচাগার দিবসে বিশেষ আলোচনা সভা আউসগ্রামে


1
২৩ নভেম্বর সর্বমঙ্গলা মন্দিরে নবান্ন

আগামী ২৩ নভেম্বর, বাংলার ৬ অগ্রহায়ণ বর্ধমানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী শ্রী শ্রী সর্বমঙ্গলা মাতার মন্দিরে নবান্ন উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। এদিন মন্দিরে আগত ১২০০ ভক্তকে মায়ের প্রসাদ ভোগ দেওয়া হবে। তারা প্রত্যেকেই এখান থেকে ভোগ নিয়ে যেতে পারবেন বলে জানিয়েছেন শ্রী শ্রী সর্বমঙ্গলা ট্রাস্ট বোর্ডের পক্ষে বিশিষ্ট আইনজীবী সঞ্জয় ঘোষ। তিনি বলেন, প্রতিবছরই এই নবান্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে সর্বমঙ্গলা মন্দির প্রাঙ্গণে বহু ভক্তের সমাগম হয়। বর্ধমান শহরসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষজন এদিন এই মন্দির প্রাঙ্গণে আসেন। মন্দিরে সুষ্ঠুভাবে পুজো সম্পন্ন করার জন্য আগত ভক্তদের কাছে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার আগাম আহ্বান জানানো হয়েছে।সঞ্জয় ঘোষ জানান নবান্নর দিন বেলা ১ টা থেকে প্রসাদ বিতরণ করা হবে। এছাড়া মায়ের মুখ্যান্ন প্রসাদ বিতরণ করা হবে ওই দিন সকাল ন’টা থেকে। ২২ নভেম্বর সকাল সাড়ে দশটা থেকে নবান্নের কুপন বিতরণের কাজ শুরু হবে বলে জানা গেছে। (পজ্)

2
বিশ্ব শৌচাগার দিবসে বিশেষ আলোচনা সভা আউসগ্রামে

বিশ্ব শৌচাগার দিবসকে কেন্দ্র করে পূর্ব বর্ধমান জেলার আউসগ্রাম ১ নম্বর ব্লক অফিসে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছিল। এই সভায় বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহার, জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ বিশ্বনাথ রায়, আউসগ্রাম ১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তাপস চ্যাটার্জী, সহ-সভাপতি শীলা মাড্ডি প্রমুখ। এ দিনের আলোচনা সভায় শৌচাগার ব্যবহারের গুরুত্বের উপর আলোকপাত করেন সভাধিপতি। জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ বিশ্বনাথ রায় বলেন, আমরা চাই পূর্ব বর্ধমান জেলায় প্রত্যেকটি পরিবার যেন শৌচাগার ব্যবহার করে। তারজন্য বিশ্ব শৌচাগার দিবস পালনকে কেন্দ্র করে ধারাবাহিক প্রচার করা হয়েছে। এছাড়া এখনও যে সমস্ত প্রান্তিক পরিবারগুলিতে শৌচাগার নেই, তাদের শৌচাগার নির্মাণে গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতি গুলিকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। জেলার প্রতিটি প্রান্তের প্রত্যেকটি মানুষের শৌচাগার ব্যবহারের বিষয়টিকে সুনিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করার কথা বলা হয়েছে।