জলনিকাশি উদ্যোগের পর পোস্টার বিতর্ক ! ‘মাটি চুরির’ অভিযোগে কুৎসা রটনার অভিযোগ, থানার দ্বারস্থ বিজেপি নেতা
জলমগ্ন এলাকার সমস্যা সমাধানে নয়ানজুলি পরিষ্কারের উদ্যোগকে ঘিরে এবার শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। জলনিকাশির কাজের পর বিজেপির ৩ নম্বর নগর মণ্ডলের সভাপতি অজয় দত্তের বিরুদ্ধে ‘জেসিবি দিয়ে নয়ানজুলির মাটি চুরি’ করার অভিযোগ তুলে সোমবার রাতের অন্ধকারে বর্ধমান কোর্ট চত্ত্বর এলাকায় পোস্টার পড়ে। মঙ্গলবার এই ঘটনাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কুৎসা রটনা বলে দাবি করে বর্ধমান সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বিজেপি নেতা অজয় দত্ত।
উল্লেখ্য, গত ১৯ জুনের টানা বৃষ্টিতে বর্ধমান পুরসভার ১২ ও ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে ব্যাপক জল জমে যায়। ড্রেনের নোংরা জল ঘরে ঢুকে পড়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েন বাসিন্দারা। স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল, জাতীয় সড়কের ধারে থাকা নয়ানজুলি দীর্ঘদিন ধরে আবর্জনা ও জঞ্জালে ভরাট হয়ে যাওয়ায় জলনিকাশি ব্যবস্থা কার্যত ভেঙে পড়েছে।
পরবর্তীতে বিজেপির ৩ নম্বর নগর মণ্ডলের সভাপতি অজয় দত্ত ও ৪ নম্বর নগর মণ্ডলের সভাপতি রাজু চন্দ্রের উদ্যোগে জেসিবি দিয়ে নয়ানজুলি পরিষ্কারের কাজ শুরু হয়। সেই সময় তৃণমূল শাসকদলের বিরুদ্ধে অব্যবস্থাপনা ও দীর্ঘদিনের উদাসীনতার অভিযোগও তুলেছিলেন বিজেপি নেতৃত্ব। তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিজেপি নেতৃত্বরা অভিযোগ তোলাতেই কি এই পোস্টার, সেটাই এখন প্রশ্ন?
তবে ওই উদ্যোগের কিছুদিনের মধ্যেই পরিস্থিতি নতুন মোড় নেয়। অজয় দত্তের ছবি ব্যবহার করে এলাকায় পোস্টার লাগানো হয়, যেখানে অভিযোগ করা হয়েছে তিনি নয়ানজুলির মাটি চুরি করেছেন। এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মানহানিকর এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন বিজেপি নেতা।
অজয় দত্ত জানান, সাধারণ মানুষের স্বার্থে জলনিকাশির কাজ করা হয়েছে। অথচ সেই উদ্যোগকে বদনাম করার জন্য পরিকল্পিতভাবে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার চালানো হচ্ছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে বর্ধমান সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি খুতিয়ে দেখছে বলে জানা গেছে।



