1
কৃষ্ণপুর হাইস্কুলে ছাত্রছাত্রীদের মিড-ডে মিলে আম পরিবেশন
বিদ্যালয়ে পাঠরত ছাত্র-ছাত্রীদের মিড-ডে মিলে পুষ্টিকর খাবার পরিবেশনের বিষয়টিকে প্রাধান্য দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর এই বিষয়টিকে বরাবরই গুরুত্ব দিয়ে থাকেন বর্ধমানের কৃষ্ণপুর হাইস্কুল কর্তৃপক্ষ। ৯ জুলাই এই বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের মিড- ডে মিলের সঙ্গে ল্যাংড়া আম খাওয়ানো হলো। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে শিক্ষক-শিক্ষিকারা ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে আম তুলে দেন। মিড-ডে মিলের দৈনন্দিন খাবারের সঙ্গে হাতে আম পেয়ে অত্যন্ত খুশি এখানকার ছেলেমেয়েরা। এ প্রসঙ্গে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সৌমেন কোনার জানান, আমরা চেষ্টা করি ছাত্র-ছাত্রীদের মিড ডে মিলে দৈনন্দিন খাবারের সঙ্গে কিছু পুষ্টিকর খাবার দিতে। যেমন তাদের ডিম দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। মাসে একদিন অন্তত মুরগির মাংস দেবার চেষ্টা করা হয়। এই স্কুলের গাছের এঁচোড় কিছুদিন আগে ছাত্র-ছাত্রীদের রান্না করে খাওয়ানো হয়েছে। খুব শীঘ্রই আমরা তাদের কাঁঠাল খাওয়াবো। সৌমেনবাবু জানান, এদিন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারা উদ্যোগী হয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের মিড- ডে মিলে আম খাওয়ানোর ব্যবস্থা করেছেন। এতে খুবই খুশি তারা। প্রধান শিক্ষক বলেন, এই ধরনের পুষ্টিকর খাবার মাঝে মাঝে দেওয়ার ফলে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে খুবই উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়। তারা বিদ্যালয়ে নিয়মিত আসার ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে ওঠে। এর ফলে তাদের মধ্যে লেখাপড়ার প্রতিও আগ্রহ বাড়ে। এইভাবে ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকার প্রচেষ্টা আমাদের থাকবে।
বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক সামসুদ্দোহা আলম জানান, এদিন বিদ্যালয়ে পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণীতে পাঠরত ছাত্র-ছাত্রীদের মিড-ডে মিলে আম পরিবেশন করা হয়। প্রায় ৩০০ জন ছাত্রছাত্রীর হাতে এই আম তুলে দেওয়া হয়েছে। এই ধরনের উদ্যোগের সাথী হতে পেরে তারা শিক্ষক-শিক্ষিকারা খুবই আনন্দিত। পুত্র ও কন্যা সম এই ছাত্রছাত্রীদের মুখে এইভাবে একটু হাসি ফোটাতে পারাটাই, তাদের কর্মজীবনের একটা বড় লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেন সহকারী প্রধান শিক্ষক।
2
একটানা বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের পাশে দাঁড়ালেন মেহেমুদ
একটানা কয়েকদিন ধরে বৃষ্টিতে জামালপুরের দামোদরের বাঁধ সংলগ্ন উত্তর শুঁড়া, দক্ষিণ শুঁড়া, হরগোবিন্দপুর সহ অন্যান্য গ্রামে কোনো ক্ষতি হয়েছে কিনা তা ঘুরে দেখলেন জামালপুরের তৃণমূলের ব্লক সভাপতি তথা পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মেহেমুদ খান। জামালপুর ব্লকের যেকোনো সমস্যায়, তা বৃষ্টি বাদল হোক বা বন্যা অথবা কয়েক বছর আগে হয়ে যাওয়া করোনা, সবসময় মানুষের পাশে এসে দাঁড়ান মেহেমুদ খান। অসহায় মানুষ যে খেতে পাচ্ছে না বা যার পরণের পোশাকের অভাব তিনি সঙ্গে সঙ্গে পৌঁছে যান তার কাছে। সারা বছর তিনি মানুষের পাশে থেকে মানুষের জন্য কাজ করে যান। কোনো অসহায় মানুষ তার পার্টি অফিসে এলে খালি হাতে ফিরে যান না। এবার তিনি বৃষ্টির মধ্যেই দামোদরের বাঁধ বরাবর গ্রামগুলি ঘুরে দেখেন। সেখানে এক বয়স্কা অসহায় মহিলার বাড়ির চালে নিজের হাতে ত্রিপল টাঙিয়ে দেন। এছাড়াও অসহায় দুই প্রতিবন্ধী মহিলা যারা কথা বলতে পারেন না, তাদের ঘরের চাল দিয়ে জল পড়ছে দেখে তাদের হাতেও ত্রিপল তুলে দেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে মেহেমুদ খান বলেন, তিনি তার দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শ মেনে চলেন। দলনেত্রীকে দেখেই তিনি এই কাজ করেন। তারা জন প্রতিনিধি, তাই মানুষের পাশে থেকে কাজ করাই তাদের কাজ। তিনি এই ভাবেই দলনেত্রীর আদর্শ মেনে কাজ করে যেতে চান বলে জানান। মেহেমুদ খান আরও জানান, দামোদরের জল বাড়ছে, ব্লক প্রসাশন এবিষয়ে সতর্ক রয়েছেন। তিনি নিজেও সতর্ক দৃষ্টি রেখে চলেছেন। যেকোনো প্রয়োজনে এলাকার মানুষকে সর্বতোভাবে সহযোগিতা করার জন্য তারা প্রস্তুত রয়েছেন।
3
২১ জুলাইয়ের সমর্থনে প্রস্তুতি সভা আইএনটিটিইউসির
বর্ধমান ১ নম্বর ব্লক আইএনটিটিইউসির উদ্যোগে পালিতপুর মোড়ে একুশ জুলাইয়ের শহীদ স্মরণ সভাকে সামনে রেখে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হলো। এই সভায় উপস্থিত ছিলেন আইএনটিটিইউসির পূর্ব বর্ধমান জেলা সভাপতি সন্দীপ বসু, সহ-সভাপতি মুক্তার মিঁয়া, ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি কাকলি তা গুপ্ত, ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি মানস ভট্টাচার্য প্রমুখ। এই সভায় সন্দীপ বসু বলেন, এবছর একুশে জুলাইয়ের শহীদ স্মরণ সভাকে সফল করে তোলার জন্য পূর্ব বর্ধমান জেলা থেকে বিপুল সংখ্যক শ্রমজীবী মানুষ কলকাতায় উপস্থিত হবেন। তারজন্য জেলাজুড়ে আইএনটিটিইউসির পক্ষ থেকে প্রচারকার্য চলছে। বিভিন্ন ব্লক ও পৌরসভা এলাকায় সভা করা হচ্ছে। মিছিল সংগঠিত হচ্ছে। এর পাশাপাশি দেওয়াল লিখন এবং ফ্লেক্স, ফেস্টুনের মাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে। সন্দীপ বলেন, কলকাতার ধর্মতলায় একুশ জুলাইয়ের সভায় মুখ্য বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই সভাকে সফল করার জন্য জেলা আইএনটিটিইউসির পক্ষ থেকে সবরকম উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আমাদের সংগঠনের রাজ্য সভাপতি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ মতো আমরা প্রস্তুতি পর্বের কাজ ইতিপূর্বেই শুরু করে দিয়েছি।


