এনকাউন্টার নিয়ে স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে জবাব দিলেন দিলীপ ঘোষ
প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবারও কলকাতার ইকোপার্কে মর্নিংওয়াকে বেরিয়েছিলেন রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। মর্নিংওয়াকের মাঝেই চা খেতে খেতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে এনকাউন্টার প্রসঙ্গে তিনি বলেন,
এনকাউন্টার হয়েছে বাংলায় এবার প্রথমবার। নকশাল আমলে অতীতে হতো। আমরা এনকাউন্টার করতে চাইনা। কিন্তু বিহার উত্তরপ্রদেশে এনকাউন্টার অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমজনতাকে শান্তি দিয়েছে। তখন এখানে তৃণমূল সরকার ছিল। যারা অন্য রাজ্যে এনকাউন্টারের বিরোধিতা চালিয়ে গেছে। তারা দুষ্কৃতীদের মাথায় তুলে রেখেছিল। তাই আজ বাংলার এই অবস্থা। বাংলার পুলিশ চাইলে সব পারে। আমরা সেটাই ভুলতে বসেছিলাম। পুলিশ হিম্মত করেছে। মানুষের আশা আকাঙ্খা অগ্রাধিকার দিয়েছে। অপরাধে আমরা জিরো টলারেন্স। অপরাধী ধরা এবং সে পালানোর চেষ্টা করায় নিকেশ করতে দ্বিধা করেনি পুলিশ। অপরাধ দমনে পুলিশের হাত আর কাঁপবে না। সরকার আর পিছিয়ে যাবে না। এটা প্রমাণ হয়ে গেছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দেখিয়ে দিয়েছেন কিভাবে স্পটে দাঁড়িয়ে পরিস্থিতি হ্যান্ডেল করতে হয়। বিরোধীরা ওখানে ফটো তুলতে গেছেন। আর সরকার কাজ করে দেখিয়েছে।
দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, এনকাউন্টার ঘিরে মায়ের থেকে মাসীর দরদ বেশি। বুদ্ধিজীবীদের একাংশ তাই নাকে কাঁদছেন।
এরা বুদ্ধিজীবীর নামে সমাজবিরোধী। এদের নিজের ইমেজ আর নাম ছাড়া কিচ্ছু লাগে না। যখন অপরাধ হয়েছে তার বিরুদ্ধে আন্দোলন। আবার অপরাধী সাজা পেলে তার বিরুদ্ধেও আন্দোলন। ডিম এই সব বুদ্ধিজীবীদের মাথায় ভাঙ্গুন। এদের বুঝিয়ে দিন, অপরাধী এবং অপরাধের পাশে দাঁড়ালে সকলেই সমান ট্রিটমেন্ট পাবেন।
এনকাউন্টার নিয়ে অনেক ফাঁক রয়েছে বলে দাবী করছেন বিরোধীরা। এ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, ওদের
আর কি কি দেখাবো? আর কি কি ওরা দেখতে চায়? ছোটবেলায় একটা গান শুনতাম, দেখাবো নাকি। সেই গান ওরা শুনতে চাইছেন? সবকিছুর একটা শেষ থাকে। ন্যাকামোর শেষ নেই ওদের। মাঠের মধ্যে একনকাউন্টার হয়েছে। সেখানে সিসিটিভি থাকবে? ভিডিওগ্রাফি থাকবে? অপরাধী সাজা পেয়েছে তাতে ওরা খুশি নয়। কি চাইছেন, অপরাধীদের বাঁচিয়ে রেখে ট্রায়ালের পর ট্রায়াল চলবে? এই সুযোগ ওদের দেব না বলে দাবি করেন দিলীপ।


