1
এসআইআর নিয়ে জামালপুর ব্লক পরিদর্শনে বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ
দুদিন আগেই তৃণমূল দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দলের সকল স্তরের পদাধিকারীদের নিয়ে ভার্চুয়ালি এক মেগা মিটিং করেন। সেখানে দলের কর্মীদের এসআইআর সংক্রান্ত নানা নির্দেশ দেন। প্রতিটি অঞ্চলে ভোট রক্ষা শিবির ও ব্লকে ওয়ার রুম সঠিক ভাবে কাজ করছে কিনা সে বিষয়ে খোঁজখবর নেন। বিএলএ ২ রা সঠিকভাবে যেন কাজ করেন সে বিষয়ে নির্দেশ দেন। বিধায়ক থেকে শুরু করে ব্লক সভাপতি, অঞ্চল সভাপতি সকলকে সচেতন করেন। সেই মতো ২৬ নভেম্বর পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে জৌগ্রাম ও আবুজহাটি ২ অঞ্চলে ভোট রক্ষা শিবির পরিদর্শনে আসেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা কাটোয়ার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। উপস্থিত ছিলেন ব্লক সভাপতি মেহেমুদ খান, বিধায়ক অলোক কুমার মাঝি, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পূর্ণিমা মালিক, সহ সভাপতি ভূতনাথ মালিক, দুই অঞ্চল সভাপতি মৃদুল কান্তি মন্ডল ও রমেন্দ্রনাথ কোনার, দুই প্রধান মল্লিকা মন্ডল ও ঝর্না দাস, উপ প্রধান শ্যামল চ্যাটার্জী সহ অন্যান্যরা। তিনি দুটি জায়গায় পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন। একটিও বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না যায় সে ব্যাপারে ব্লক সভাপতিকে নির্দেশ দেন। ব্লক সভাপতি মেহেমুদ খান বলেন, জেলা সভাপতি এসেছিলেন পরিদর্শনে । উনি যা নির্দেশ দিলেন তা যথাযথ ভাবে পালন করা হবে। তবে জামালপুর ব্লকে ঠিকঠাক ভাবেই চলছে এসআইআর এর কাজ। আমরাও চাই, প্রত্যেক বৈধ ভোটারের নাম যেন ভোটার তালিকায় থাকে।
2
জামালপুরের বেত্রাগড় গ্রামে মা শীতলা দেবীর বিসর্জন উপলক্ষ্যে জনজোয়ার
২৬ নভেম্বর পূর্ব বর্ধমান জেলার জামালপুরের বেত্রাগড় গ্রামে ৩০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী মা শীতলা দেবীর বিসর্জন উপলক্ষ্যে হাজার হাজার ভক্তের সমাগম ঘটে। উপস্থিত সকলে মায়ের খিচুড়ি ও পায়েস ভোগ গ্রহণ করেন। প্রসঙ্গত, আজ থেকে প্রায় ৩০০ বছর আগে রায় বংশের কোনো পূর্ব পুরুষ মা শীতলার স্বপ্নাদেশ পেয়ে পুকুর থেকে মায়ের শিলা মূর্তি উদ্ধার করেন। তারপর মায়ের স্বপ্নাদেশে জগদ্ধাত্রী রূপে মাটির মূর্তি বানানো হয়। স্বপ্নাদেশ পেয়েই প্রতি ১২ বছর অন্তর মায়ের বিসর্জন হয়। সেই মতো ১২ বছর পর এদিন মায়ের বিসর্জন হয়। এই উপলক্ষ্যে প্রায় ২০ থেকে ৩০ হাজার ভক্তের সমাগম হয়। ভোর থেকেই মায়ের ভোগ রান্না শুরু হয়ে যায়। আজকের এই অনুষ্ঠানে এক সম্প্রীতির আবহ সৃষ্টি হয়। এখানে এসে পৌঁছোন তৃণমূলের ব্লক সভাপতি মেহেমুদ খান। তিনি এসে সব খোঁজখবর নিয়ে তদারকি করেন। এমনকি ভোগ রান্নায় হাত লাগান। তিনি বলেন মা সবার। ধর্ম যার যার উৎসব সবার। তাঁকে এখানে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য তিনি সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।মায়ের কাছে তিনি ব্লকের সমস্ত মানুষের মঙ্গল কামনা করেন।


