রায়নায় বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়ালেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস | বর্ধমান সংস্কৃতি লোকমঞ্চে শুরু হল সঙ্গীত মেলা | ছাত্রছাত্রীদের বিদায় সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে অভিনব উদ্যোগ কলেজ কর্তৃপক্ষের


1
রায়নায় বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়ালেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস

জেলার রায়না ২ ব্লকের আদমপুর ও কামারগোর গ্রামে বন্যা পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখে গেলেন পশ্চিমবঙ্গের বিদ্যুৎ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। রবিবার তাকে মসাগ্রামে আঝাপুর হাইরোড চৌমাথায় স্বাগত জানান জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মেহেমুদ খান। জামালপুর দিয়ে রায়না যাবার পথে বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অরূপ বিশ্বাসের নামে জয়ধ্বনি দিতে থাকেন। আদমপুর পৌঁছে মন্ত্রী ত্রাণ শিবির পরিদর্শন করেন ও নিজের হাতে ত্রাণ শিবিরে থাকা মানুষদের খাবার পরিবেশন করেন। তার সাথে ছিলেন জেলা তৃণমূলের সভাপতি তথা কাটোয়ার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, জেলাশাসক আয়েশা রাণী এ, জেলা পুলিশ সুপার সায়ক দাস, এসডিও বুদ্ধদেব পান, এসডিপিও অভিষেক মন্ডল, রায়নার বিধায়িকা শম্পা ধাড়া, জামালপুরের বিধায়ক অলোক কুমার মাঝি, বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস, রায়না ২ ব্লক সভাপতি সৈয়দ কলিমুদ্দিন, রায়না ১ ব্লক সভাপতি বামদেব মন্ডল, জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মেহেমুদ খান সহ অন্যান্যরা। মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস দুর্গত মানুষদের হাতে মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে কিছু ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেন। তিনি বলেন, যেভাবে ডিভিসি রাজ্যের সঙ্গে কোনোরকম আলোচনা ছাড়াই জল ছেড়ে এই সমস্ত এলাকার মানুষদের ঘরছাড়া করে ত্রাণ শিবিরে নিয়ে এসেছে, এরাই একদিন বিজেপিকে এই রাজ্য ছাড়া করবে। তিনি নিজের হাতে ওই এলাকার কৃষকদের হাতে শস্য বিমার ফর্ম তুলে দেন।

2
বর্ধমান সংস্কৃতি লোকমঞ্চে শুরু হল সঙ্গীত মেলা

২ আগস্ট থেকে বর্ধমান সংস্কৃতি লোকমঞ্চে শুরু হল সঙ্গীত মেলা ২০২৫। বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক খোকন দাসের উদ্যোগে এই মেলার আয়োজন করা হয় এবারের উদ্বোধনী পর্বে বিশিষ্টদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জীবনমুখী গানের অন্যতম সঙ্গীত শিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তী। ছিলেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিকবৃন্দ। উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিল্পী প্রসেনজিৎ পোদ্দার জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক রাম শঙ্কর মন্ডল সহ অন্যান্য বিশিষ্টজনেরা। খোকন দাস বলেন, এই উদ্যোগ গ্রহণের মূল উদ্দেশ্য হলো নবীন প্রতিভার সন্ধান করা। বিভিন্ন মফস্বল শহর ও গ্রামীণ এলাকায় অনেক সঙ্গীত প্রতিভা লুকিয়ে থাকে। তাদের সামনে নিয়ে আসাটাই আমাদের উদ্দেশ্য। নচিকেতা চক্রবর্তী এই ধরনের নবীন প্রতিভা সন্ধানের যে উদ্যোগ তাকে সাধুবাদ জানান।

3
ছাত্রছাত্রীদের বিদায় সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে অভিনব উদ্যোগ কলেজ কর্তৃপক্ষের

পূর্ব বর্ধমান জেলার চন্দ্রপুর কলেজের বাংলা বিভাগের ষষ্ঠ সেমিস্টারের বিদায় সম্বর্ধনা অনুষ্ঠান হয়ে গেল ২ আগস্ট। বিভাগীয় ঐতিহ্য মেনে প্রতি বছরের মতোই বিভাগের ছাত্রছাত্রীরা বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিদায় জানায় ষষ্ঠ সেমিস্টারের দাদা-দিদিদের।এই অনুষ্ঠানের একটি বিশেষ তাৎপর্য ছিল। এদিন অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয় শিশু বৃক্ষে জল সিঞ্চনের মধ্যে দিয়ে । কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ গোবিন্দ চরণ ঘোষ এবং বিভাগের অধ্যাপকেরা মিলে প্রদীপ জ্বালানোর পরিবর্তে শিশু বৃক্ষমূলে জলদান করেন।বিভাগীয় প্রধান ড তন্দ্রা পালের উদ্যোগে বিদায়ী ছাত্র ছাত্রীদের হাতে উপহার হিসাবে গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়। বিভাগীয় ছাত্রছাত্রীরাও এই ধরনের সবুজ সজীব উপহার পেয়ে আপ্লুত। তন্দ্রাদেবী জানান, ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতার প্রসার ঘটানো, গাছ লাগানো, গাছের প্রতি ভালোবাসা গড়ে তোলাই ছিল তাদের প্রধান উদ্দেশ্য।
তিন বছরের পড়াশোনা শেষে ছাত্রছাত্রীরা যখন বাড়ি গিয়ে উপহার পাওয়া স্মৃতি বৃক্ষ রোপণ করবে, কলেজের প্রতি তাদের আত্মিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে বলেই মনে করেন তিনি। তথাকথিত সিলেবাসের বাইরে গিয়ে অন্য ধারার পাঠদানে ছাত্রছাত্রীদের সবুজ পৃথিবী গড়ার কারিগর করে তোলাই মুখ্য উদ্দেশ্য বলে জানান বিভাগীয় প্রধান। কলেজের অন্যান্য অধ্যাপকদেরও গাছ দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। বাংলা বিভাগের এই অন্য ধারার অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে কলেজের অধ্যাপকেরাও খুবই আনন্দিত বলে জানা যায়।