বিশ্ব শৌচাগার দিবসে সচেতনতার বার্তা নদীয়ার জেলাশাসকের II আহত পেঁচাকে তুলে দেওয়া হলো বনদপ্তরের হাতে

 

 

 

বিশ্ব শৌচাগার দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে পদযাত্রা ও সচেতনতা মূলক এক সভার আয়োজন করে নদীয়া জেলা প্রশাসন। প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে এই অনুষ্ঠানের সূচনা করেন বিধায়ক পুন্ডরীকাক্ষ সাহা ও জেলাশাসক এস অরুণপ্রসাদ।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলাশাসক(জেলা পরিষদ) অনুপ কুমার দত্ত,বিডিও মনীষ নন্দী,পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মঞ্জুরাণী ঘোষ সহ ৮ টি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ও উপপ্রধান এবং একাধিক পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ও বেশকিছু স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা। ১৯ নভেম্বর বিশ্ব শৌচাগার দিবস। এই দিনে প্রতিটি মানুষকে সঠিকভাবে শৌচাগার ব্যবহার করে দূষণমুক্ত পরিবেশ ও রোগমুক্ত সমাজ গঠন করার আহ্বান জানান জেলাশাসক এস অরুণপ্রসাদ। তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের পাশাপাশি এ ব্যাপারে তাদের অভিভাবকদেরও সচেতন হওয়ার কথা বলেন।

 

 

বর্ধমান শহরের বাদামতলা এলাকা থেকে একটি আহত পেঁচাকে উদ্ধার করে জেলা বনদপ্তরের হাতে তুলে দেওয়া হলো। একটি পরিবেশ প্রেমী স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার পক্ষ থেকে এই কাজ করা হয়। এ প্রসঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দা জয়দেব দাস জানান, পেঁচাটি রাতে আঘাত পেয়ে খানিকটা দিশাহারা হয়েই একটি গাড়ির নীচে আশ্রয় নিয়েছিল। তাকে দেখতে পাওয়ার পর পরিবেশপ্রেমী সংস্থাটিকে খবর দেওয়া হয়। তারাই পেঁচাটিকে উদ্ধার করে রাতের বেলাতেই রমনাবাগানে বনদপ্তরে স্থানান্তরিত করে। এ প্রসঙ্গে ওই পরিবেশপ্রেমী সংস্থার পক্ষে রামকৃষ্ণ দত্ত ও সুমিত কুমার দে জানান, পেঁচাটি আহত থাকায় তার চিকিৎসার প্রয়োজন ছিল। তাই আমরা দ্রুতই বনদপ্তরের হাতে তাকে স্থানান্তরিত করেছি। তাদের কথায়, এই পেঁচাটি সম্ভবত বার্ণ-আউল প্রজাতির। পেঁচাটিকে উদ্ধার করতে পেরে তারা খুবই খুশি। তারা বলেন, অসহায় মানুষের মতো অসহায় যেকোনো পশুপাখিদের পাশেও আমরা দাঁড়াই। এক্ষেত্রেও সেই চেষ্টাই করেছি।