1
গাছের মতোই অপরিহার্য সম্পদ রক্ত, বার্তা স্বপনের
গাছ আমাদের অক্সিজেন দেয়, আর সেই অক্সিজেন মানুষের জীবনধারণের ক্ষেত্রে একটা অপরিহার্য সম্পদ। ঠিক তেমনই রক্ত মানুষের জীবন রক্ষায় অপরিহার্য। তাই আজকের দিনে যারা রক্তদান শিবিরের আয়োজন করছেন, তারা একজন মুমূর্ষু রোগীর জীবন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন বলে মন্তব্য করলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। উল্লেখ্য, সিমলন রুরাল কালচারাল সোসাইটির পরিচালনায় এবং গাছ গ্রুপ- বর্ধমান, কানলা মহকুমা হাসপাতাল ও কালনা বিজ্ঞান কেন্দ্রের সহযোগিতায় আয়োজিত এক রক্তদান শিবিরে উপস্থিত থেকে এই কথাগুলি বলেন স্বপন দেবনাথ। তিনি বলেন, এখানে যারা রক্তদান করছেন তাদের হাতে একটি করে গাছের চারা তুলে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু শুধুমাত্র এই গাছের চারা তুলে দেওয়াই নয়, এই গাছ রোপণ করা এবং তাকে সুরক্ষিত রাখার দায়িত্ব আমাদের প্রত্যেকের রয়েছে।
এদিনের এই অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গাছ গ্রুপের পক্ষে সৌগত রায়, বিজ্ঞান মঞ্চের পক্ষে সুবোধ কুমার সাহা, মধুসূদন রায়, কৃষ্ণচন্দ্র সরকার, আশিস কুমার দত্ত, সুকুমার রায় প্রমুখ। এই রক্তদান শিবিরে ৭৫ জন রক্তদাতা এদিন রক্তদান করেন বলে জানা গেছে।
2
মুখ্যমন্ত্রীর সভামঞ্চ থেকেই শ্রমজীবীদের সামাজিক সুরক্ষার সুবিধা প্রদান
বর্ধমানের মিউনিসিপ্যাল হাইস্কুল মাঠে ২৬ আগস্ট প্রশাসনিক সভা করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই সভামঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কর্তৃক দক্ষিণবঙ্গের ১৪টি জেলায় উপযুক্ত প্রাপকদের পাট্টা বিতরণ করা হলো। এর পাশাপাশি এদিন পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলার বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস এবং পরিষেবা প্রদান করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভা মঞ্চ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এবং কাউন্টার থেকে অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিক ও তার নমিনিদের হাতে তাদের প্রাপ্য সুবিধা প্রদান করা হয়। এক্ষেত্রে সামাজিক সুরক্ষার ষাট বছর পূর্তিতে ফাইনাল পেমেন্ট পান প্রতীমা সমাদ্দার, সরস্বতী ঘোষ, অঞ্জনা গায়েন ও কৃষ্ণা রাউত। অন্যদিকে স্বামীর মৃত্যুকালীন পঞ্চাশ হাজার টাকা অনুদান পান তার স্ত্রী যথাক্রমে রানু বেগম, হাজরা বেগম ও ঊষা দে। পিতার মৃত্যুকালীন অনুদান হিসেবে পঞ্চাশ হাজার টাকা পান তার সন্তান সুমিত শীল। মায়ের মৃত্যুকালীন অনুদান হিসেবে পঞ্চাশ হাজার টাকা পান তার সন্তান শুভময় দাস। এছাড়া স্ত্রীর মৃত্যুকালীন অনুদান হিসেবে পঞ্চাশ হাজার টাকা পান তার স্বামী প্রবীর দে। তারা প্রত্যেকেই এই সমস্ত সামাজিক সুরক্ষার সুবিধা পেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ও রাজ্য সরকারের ভূমিকার প্রশংসা করেন। এ প্রসঙ্গে বর্ধমান শহর আইএনটিটিইউসির সভাপতি প্রসেনজিৎ কুণ্ডু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শ্রমজীবীদের পাশে প্রতি মুহূর্তে রয়েছেন। তাদের সামাজিক সুরক্ষার আওতায় নিয়ে এসে নানারকম সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা করেছেন।
3
কাঞ্চননগর ডি. এন. দাস হাইস্কুলে ভেগান খাদ্যাভ্যাসের উপকারিতা নিয়ে আলোচনা
কাঞ্চননগর ডি এন দাস উচ্চ বিদ্যালয়ের সংস্কৃত শিক্ষক দীপ্তসুন্দর মুখোপাধ্যায় জানান: কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে রাজ্য সরকারের সাম্প্রতিক প্রকল্পের উদ্বোধন হয়। যার নাম “আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান”। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সরকারের প্রতিনিধি ব্যক্তিবর্গ।
পাশাপাশি “দুয়ারে সরকার” প্রকল্পটিও অন্য দুটি শ্রেণীকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।বিদ্যালয়ে “ওয়ার্ল্ড ভেগান ভিশন”- সংস্থার পক্ষ থেকে এসেছিলেন রণজিৎ পাল, কার্তিক দাস ও বাপি চৌধুরী। উদ্ভিজ্জ খাদ্যের যথেষ্ট পুষ্টিগুণ আছে এবং প্রাণীদের বেঁচে থাকার অধিকার আছে মূলত এই দ্বিমুখী ভাবনা প্রসারিত করে তাঁদের এই আবেদন যে ভেগান খাদ্য গ্রহণ করুন। সম্পূর্ণ আমিষ বর্জন করুন। সুস্থ থাকুন, ভাল থাকুন।
রণজিৎ বলেন, সয়াবিন, মাশরুম, ডাল ইত্যাদি খাদ্য থেকে আমরা অনায়াসেই প্রাণীজ প্রোটিনের অভাব মেটাতে পারি। অত্যধিক প্রোটিন নিলে শরীর খারাপ হয়। বরং এতে বিপাকতন্ত্রেল ক্ষতি হয়। প্রাণীজ প্রোটিন কমপ্লেক্স বলে অন্ত্রে অনেকক্ষণ থেকে যায় এবং তাতে ক্ষতি হয়। উদ্ভিজ প্রোটিনে যে ভারসাম্য আছে তাতে আমাদের কম পরিশ্রমে হজম হয়।
বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক তথা জাতীয় শিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত বলেন, বিশ্বজুড়ে ভেগান মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। অ্যানিমাল ফার্মিং প্রচুর পরিমাণে গ্রিন হাউস গ্যাস তৈরী করে। ফলে আগামী ভবিষ্যতের কথা ভেবে আমাদের ভেগান হওয়ার দিকে ভাবতে হবে।


