বর্ধমানের স্পন্দনে ডার্বি জিতল ঐতিহ্যশালী মোহনবাগান
বর্ধমান শহরে স্পন্দন মাঠে গত ৩ জানুয়ারি থেকে রিয়েল বুল- এর উদ্যোগে শুরু হয় ভদ্রেশ্বর গোল্ডকাপ প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতায় রাজ্যের প্রথম সারির দল হিসেবে মোহনবাগান, মহামেডান সহ একাধিক ক্লাব অংশগ্রহণ করে। ফাইনালে মোহনবাগান, মহামেডান স্পোর্টিংকে ১–০ গোলে হারিয়ে ভদ্রেশ্বর গোল্ডকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়। ৬ জানুয়ারি ফাইনালের দিন মাঠে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ফুটবল দলের প্রাক্তন অধিনায়ক বাইচুং ভুটিয়া, তার সতীর্থ খেলোয়াড় বর্ধমানের সন্দীপ নন্দী, মোহনবাগানের সচিব দেবাশিস দত্ত, মহামেডান কর্তা বেলাল আহম্মেদ প্রমুখ। এদিনের খেলাকে কেন্দ্র করে বাইচুং ভুটিয়া বলেন, এই ধরনের প্রতিযোগিতার আয়োজন যে কোন জায়গার খেলোয়াড় সহ ক্রীড়ামোদিদের আনন্দ দেয়। ছোট ছোট খেলোয়াড়েরা এর মধ্যে দিয়ে মাঠে আসার ব্যাপারে অনুপ্রেরণা পায়।
সন্দীপ নন্দী বলেন, আমরা কলকাতার পাশাপাশি ব্যারাকপুর, নৈহাটির মতো শহরে প্রথম শ্রেণীর ফুটবল দলগুলিকে বিভিন্ন খেলায় অংশগ্রহণ করতে দেখেছি। কিন্তু বর্ধমানের মতো শহরে যেখানে এমন সুন্দর ব্যবস্থা রয়েছে, সেখানে কেন এই ধরনের ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হবে না, তা নিয়ে একটা আক্ষেপ ছিল আমাদের। আজ মোহনবাগান মহামেডানের মতো ফুটবল দলকে নিয়ে যে ভদ্রেশ্বর গোল্ডকাপ অনুষ্ঠিত হলো, তা অত্যন্ত আনন্দ দিয়েছে সকলকে। বর্ধমানে এমন একটি বড় মাপের খেলা হওয়ায় শহরবাসী অত্যন্ত খুশি। আগামী দিনেও এই ধরনের আয়োজন আশাকরি এখানে আবারও বিয়ে করা হবে।
এই ভদ্রেশ্বর গোল্ডকাপের আয়োজকদের অন্যতম লালবাবা রাইসের কর্ণধার সনৎ নন্দী বলেন, আমার খুব ভালো লাগছে এখানে আমার বাবার নামে ভদ্রেশ্বর গোল্ডকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হলো। এটায় আমি অত্যন্ত খুশি। এই ধরনের প্রতিযোগিতা এখানকার খেলার মানের উন্নয়নে সহযোগিতা করবে বলেই আশা রাখি।
এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম কর্মকর্তা পার্থ নন্দী বলেন, এখানে আমার দাদুর নামে যে গোল্ডকাপ অনুষ্ঠিত হলো তা অত্যন্ত আনন্দ দিয়েছে আমাদের সকলকে। ভারত তথা বিশ্বখ্যাত খেলোয়াড়রা এখানে খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। যা শহরবাসীকে ভালো খেলা দেখার ব্যাপারে একটা সুযোগ করে দিয়েছে। আমরা ভবিষ্যতে আরও বড়ভাবে এই ধরনের প্রতিযোগিতার আয়োজন করার বিষয় ভাবনাচিন্তা করবো। সেই লক্ষ্য নিয়েই আগামী দিনে আমরা এগিয়ে যাব


