দিল্লির ঘটনায় রাহুল-প্রিয়াঙ্কার গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে বর্ধমানে কংগ্রেসের পথ অবরোধ, বিজেপির সঙ্গে সাময়িক বচসা
লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে বুধবার পথে নামলো পূর্ব বর্ধমান জেলা কংগ্রেস। জেলা কংগ্রেসের ডাকে বর্ধমান শহরের পারবীরহাটা মোড় থেকে আরজি ভবন পর্যন্ত একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে আরজি ভবনের সামনে পথ অবরোধে সামিল হন কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকেরা। প্রায় আধঘণ্টা ধরে চলা এই কর্মসূচীর জেরে ওই এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়। সাময়িকভাবে যানজটের সৃষ্টি হয়।
পথ অবরোধ চলাকালীন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন বিজেপির বেশ কয়েকজন নেতা ও কর্মী। অভিযোগ, সাধারণ মানুষের স্বার্থে অবরোধ তুলে দেওয়ার দাবি জানাতেই কংগ্রেস কর্মীদের সঙ্গে তাদের বচসা শুরু হয়। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠলেও বর্ধমান থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশের হস্তক্ষেপে অবশেষে অবরোধ উঠে গেলে স্বাভাবিক হয় যান চলাচল।
বিক্ষোভ কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন জেলা কংগ্রেস এবং আইএনটিইউসি-র একাধিক নেতা-কর্মী। জেলা আইএনটিইউসি সভাপতি গৌরব সমাদ্দার বলেন, “দিল্লিতে সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আমাদের নেতা রাহুল গান্ধী এবং নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এমনকি রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয়েছে বলেও আমরা জানতে পেরেছি”।
অন্যদিকে, এই ঘটনায় বিজেপির পক্ষ থেকে ভিন্ন সুর শোনা যায়। জেলা বিজেপি নেতা সুমিত দত্ত বলেন, “গণতান্ত্রিক দেশে প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের আন্দোলন বা কর্মসূচী করার অধিকার রয়েছে। তবে তারজন্য নির্দিষ্ট সময় ও নিয়ম মেনে চলা উচিত। বুধবার কংগ্রেস যে সময়ে পথ অবরোধ করেছিল, তা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ছিল না। ওই সময় বহু স্কুলে ছুটির সময়। অভিভাবকদের কাছ থেকে আমাদের কাছে ফোন আসে। সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথা ভেবেই আমরা সেখানে গিয়ে রাস্তা স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেছি’।


