1
বার অ্যাসোসিয়েশন-এর নির্বাচনের ফল ঘোষণা
বর্ধমান জেলা আদালতে বর্ধমান বার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ নির্বাচন ২০২৬ অনুষ্ঠিত হলো ৩১ জানুয়ারি। এদিন সকাল ১০ টা থেকে বিকেল সাড়ে তিনটে পর্যন্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় নির্বাচন কমিটির তত্ত্বাবধানে। এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৯৫৩ জন। এদিন মধ্যরাত পর্যন্ত ভোট গণনা চলে। ১৭ রাউন্ড ভোট গণনার পর ফাইনাল রেজাল্ট প্রকাশিত হয়। জানা গেছে, এই নির্বাচনে ৬৯৬ টি ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন অরূপ দাস। এই পদে তিনজন প্রতিযোগী ছিলেন। সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সঞ্জয় ঘোষ। তিনি পেয়েছেন ৪৯৬ টি ভোট। এই পদে প্রার্থী ছিলেন দুজন। ৬১৮টি ভোট পেয়ে সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন সদন তা। এই পদেও প্রার্থী ছিলেন দুজন। কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন অর্ণব দে। তার প্রাপ্ত ভোট ৩৯০। এই পদে প্রার্থী ছিলেন তিনজন। এছাড়া সহ-সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন পার্থ হাটি, প্রাপ্য ভোট ৪১৭। মোল্লা মহাতাব উদ্দিন (বাপি), প্রাপ্য ভোট ৩৭৪। সুদীপ্ত সামন্ত, তার প্রাপ্য ভোট ৩১০ এবং আশিস কুমার পাল, প্রাপ্য ভোট ২৯৩। এই সহ-সম্পাদক পদে প্রার্থী ছিলেন মোট ১৩ জন। উল্লেখ্য, বর্ধমান বার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন প্রতি তিন বছর অন্তর অনুষ্ঠিত হয়।
2
বর্ধমান শহর মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে উন্নয়নের পাঁচালী কর্মসূচী
বর্ধমান শহর মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বর্ধমান পৌরসভার ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের তিনটি পার্টে মহিলাদের কাছে ১৫ বছরের উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য এক কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়। এখানে উন্নয়নের পাঁচালী শীর্ষক বই তুলে দেওয়া হয় উপস্থিত সকলের হাতে। উল্লেখ্য, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে রাজ্যের প্রতিটি জেলায় এই উন্নয়নমূলক প্রচার কর্মসূচী চলছে। সেইমতো এখানে এই প্রচার চালানো হয়। ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা বর্ধমান পৌরসভার এমসিআইসি সুশান্ত প্রামাণিক বলেন, ১৫ বছরে ৯৪ টি প্রকল্প রাজ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে। এই সমস্ত জনকল্যাণমুখী প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্যসাথী, লক্ষীর ভান্ডার, কন্যাশ্রী, রূপশ্রী, সবুজসাথী, সমব্যথী, কর্মসাথী, শিক্ষাশ্রী, পথশ্রী ইত্যাদি প্রকল্প। এদিনের এই কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান শহর মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি আল্পনা হালদার। তিনি উপস্থিত মহিলাদের কাছে রাজ্যের ১৫ বছরের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচী বিষয়ে আলোকপাত করেন। অন্যান্য নেত্রীরাও এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন। সুশান্ত বলেন, বিগত ৩৪ বছরে বামফ্রন্টের আমলে উন্নয়ন একেবারেই থমকে গিয়েছিল। স্বজনপোষণ মাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। বর্তমানে রাজ্য সরকার সার্বিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে সমস্ত মানুষের কথা চিন্তা করে প্রতিটি এলাকায় উন্নয়নের কাজ এগিয়ে নিয়ে চলেছে। ২৯ নম্বর ওয়ার্ডেও সব মানুষের মতামত নিয়ে এই মুহূর্তে পাড়ায় সমাধান প্রকল্পের কাজ চলছে। এটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল সরকারের সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি।


