বর্ধমানে কিশলয় -এর প্রতিষ্ঠা দিবস পালন | কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে বিজেপির সাংবাদিক সভা


1
বর্ধমানে কিশলয় -এর প্রতিষ্ঠা দিবস পালন

বর্ধমানের অন্যতম স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা কিশলয়-এর ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করা হলো বর্ধমান স্টেশন প্রাঙ্গণে। এই উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিশিষ্টরা ছাড়াও উপস্থিত ছিল এক ঝাঁক কচিকাঁচা। এ প্রসঙ্গে কিশলয়-এর সম্পাদক গোপাল ঘোষাল বলেন, ২০২০ সালে আমরা পথচলা শুরু করি। ২৩ জানুয়ারি নেতাজির আদর্শকে সামনে রেখে আমরা এই প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সংকল্প গ্রহণ করেছি। এখানে বর্ধমান স্টেশন প্রাঙ্গণে যে পথশিশুরা রয়েছে, তাদের লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা, সংস্কৃতিক চর্চা ইত্যাদির ব্যবস্থা করা হয়েছে। এদের নিয়ে শীতকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তারা অংশ নেয়। মূলত, এই পথশিশুদের নেশা মুক্তি ঘটানো এবং সমাজের মূলস্রোতে ফিরিয়ে নিয়ে আসার লক্ষ্য নিয়েই আমাদের এগিয়ে চলা। এই শিশুদের ভবিষ্যৎকে আরও উজ্জ্বল করতে এখানে অনেকেই তাদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। আমরা করোনার সময় স্নেহের পরশ কর্মসূচীর মধ্যে দিয়ে তাদের কাছে পুষ্টিযুক্ত খাবার পৌঁছে দিয়েছিলাম। প্রথম থেকেই তাদের লেখাপড়ার বিষয়টিকেও আমরা বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছি।

2
কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে বিজেপির সাংবাদিক সভা

১ ফেব্রুয়ারি দিল্লীর পার্লামেন্টে বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের বাজেট পেশ হয়। বাজেট পেশ করেন কেন্দ্রের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। কেন্দ্রীয় বাজেট অধিবেশনকে সামনে রেখে বর্ধমানে বিজেপির সাংগঠনিক জেলা অফিসে এক সাংবাদিক সভার আয়োজন করা হয়। এই সভায় বর্ধমান সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি অভিজিৎ তা বলেন, ১ ফেব্রুয়ারি রবিবার হলেও কেন্দ্রের সরকার নিয়মমতো এই দিনই বাজেট পেশ করেছে। এটা একটা দৃষ্টান্ত বলা যায়। এবারের কেন্দ্রীয় বাজেটে বাংলাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়ি থেকে বেনারস পর্যন্ত সুপারফাস্ট ট্রেন চালু হবে। ডানকুনি থেকে সুরাট পর্যন্ত ফ্রেড করিডর হবে। সুন্দরবনের জন্য ব্যাঘ্র প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। দেশের বুকে ১২ হাজার উন্নত পরিকাঠামো যুক্ত সরকারি স্কুল তৈরি করা হবে। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গেও বেশ কিছু স্কুল তৈরি হবে। যেহেতু বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। এরফলে সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তাই সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দুর্গাপুরের শিল্পাঞ্চলকে আরও উন্নত করার প্রক্রিয়া নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাজেটে বেশকিছু জীবনদায়ী ওষুধের দাম কমানো হয়েছে। এরফলে বাংলার মানুষরাও উপকৃত হবেন। কেন্দ্রের এই জনকল্যাণমুখী বাজেটের জন্য দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনকে ধন্যবাদ জানাই। এবারের বাজেটে বাংলাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়ায় তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।