1
কবিগুরুর প্রয়াণ দিবস পালন তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে
২২ শ্রাবণ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস উপলক্ষ্যে জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের পক্ষ থেকে এক স্মরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। মাইনরিটি দপ্তরের সভাকক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান উজ্জ্বল প্রামাণিক, বিধায়ক অলোক মাঝি, জেলা পরিষদের মেন্টর মহঃ ইসমাইল, জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক রামশঙ্কর মন্ডল প্রমুখ। তারা প্রত্যেকেই রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করেন। রামশঙ্কর মন্ডল বলেন, কবিগুরুর স্মৃতিতে এই দিনটি তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের পক্ষ থেকে প্রতিবছর যথাযোগ্য মর্যাদা সহকারে পালন করা হয়। এ বছরও সেই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ দিনের অনুষ্ঠানে একক ও সমবেত সংগীত পরিবেশন করেন বর্ধমানের শিল্পীবৃন্দ।
2
অভয়ার মৃত্যুর বর্ষপূর্তিতে পথ নাটিকার মাধ্যমে প্রতিবাদ
এক বছর আগে কলকাতার আরজি কর হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছিল এক ডাক্তার ছাত্রী চিকিৎসকের। অভিযোগ, সেদিন সেখানে তাকে নির্মমভাবে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। এই ঘটনার প্রতিবাদে উত্তাল হয়েছিল কলকাতা শহর। সারা বাংলায় আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছিল। পথে নেমে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন দেশ-বিদেশের শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষরা। এই ঘটনার বর্ষপূর্তিতে বর্ধমান শহরের গণতন্ত্র প্রিয় মানুষরা প্রতিবাদ সংগঠিত করলেন নাটকের মাধ্যমে। বক্তৃতায়, কথায়, গানে, কবিতায় ও পথনাটিকার মাধ্যমে সেদিনের সেই ভয়ংকর ঘটনার কথা তুলে ধরা হয়। প্রতিবাদ ধ্বনিত হয় নাট্যকর্মীদের কন্ঠে। বর্ধমান কার্জন গেট চত্বরে প্রতিবাদীরা এদিন আবারও অভয়ার ঘটনার বিচারের দাবি তুলে ধরেন। বিচার না পাওয়া পর্যন্ত তারা প্রতিবাদে পথে থাকার কথাও জানান। কালো ব্যান্ড পরে এদিন এই অরাজনৈতিক প্রতিবাদ মঞ্চে সামিল হন বহু মানুষ। মোমবাতি জ্বালিয়ে অভয়ার প্রতি তারা শ্রদ্ধাও নিবেদন করেন।
3
বর্ধমান সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে রাখি বন্ধন উৎসব পালন
বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের বর্ধমান শাখা বর্ধমান সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে এক মনোরম পরিবেশে রাখি বন্ধন উৎসব পালন করা হলো। লেখক, কবি, সাহিত্যিক, সঙ্গীত শিল্পীদের উপস্থিতিতে এই রাখী বন্ধন উৎসব উদযাপন করা হয় সংস্থার নিজস্ব ভবনে। উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কবি, নাট্যকার ডক্টর দেবেশ ঠাকুর। তিনি এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। বর্ধমান সাহিত্য পরিষদের সম্পাদক কাশীনাথ গাঙ্গুলী রাখি বন্ধনের তাৎপর্য ও রবীন্দ্রনাথের সম্প্রীতির রাখী বন্ধন নিয়ে বক্তব্য রাখেন। এছাড়া আলোচনাতে অংশ নেন সাহিত্য গবেষক বিদ্যাভূষণ ভট্টাচাৰ্য, দেবেশ ঠাকুর, নিতাই মুখার্জী, কবি দীপেন্দ্র নাথ শীল, শিক্ষক মানব সরকার, প্রণব মুখার্জী, সঞ্জয় মন্ডল, অধ্যপক সুজিৎ চট্টপাধ্যায়, সমাজসেবী ফজরুল হক, আইনজীবী সঞ্জয় ঘোষ, মেহেবুব হাসান প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সুজিত চক্রবর্তী ও দেবনাথ মুখার্জী। সঙ্গীতে অংশ নেন করবী ঘোষ, রুবি আজমী, স্মৃতিকণা রায়, ডলি হোসেন, বরুণ মজুমদার, চৈত্র পরামানিক, মিঠু চক্রবর্তী, স্বাতী ব্যানার্জী। কবিতা পাঠে অংশ নেন পার্থ সারথি চৌধুরী, মিতা মন্ডল, বিষ্ণুপদ চেল, তাপস ভূষণ সেনগুপ্ত, প্রীতি বিশ্বাস, রথীন পার্থ মন্ডল প্রমুখ। সম্মিলীত উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানটি দিন প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
4
বর্ধমানেশ্বরে জলযাত্রীদের জন্য সহায়তা ও সেবাকেন্দ্রের আয়োজন
২৫ শ্রাবণ সোমবার বর্ধমান শহরে শ্রী শ্রী বর্ধমানেশ্বর শিবলিঙ্গে জল ঢালার জন্য হাজার হাজার ভক্তের সমাগম ঘটে। প্রতিবছরই এই ভক্ত সমাগম হয়ে থাকে। এবারও কাটোয়া থেকে কাঁধে বাঁকে করে গঙ্গাজল নিয়ে হাজার হাজার মানুষ বর্ধমান শহরে বর্ধমানেশ্বর মন্দির প্রাঙ্গণে আসেন। সেখানে তারা বাবার মাথায় জল ঢালেন। এই আসার পথে শহরের কার্জেন গেটের সামনে বিধায়ক খোকন দাসের উদ্যোগে আগত ভক্তদের জন্য সহায়তা ও সেবাকেন্দ্রের আয়োজন করা হয়েছিল। এখানে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক খোকন দাস সহ অন্যান্য নেতৃত্ব ও কর্মীবৃন্দ। পথ চলতি এই ভক্তদের হাতে তাদের পক্ষ থেকে মিষ্টি ও পানীয় জল তুলে দেওয়া হয়। চলার পথে এই ধরনের একটি সেবা কেন্দ্রে সুবিধা পাওয়ায় ভক্তরাও খুবই তৃপ্ত।


