সারা রাজ্য সহ পূর্ব বর্ধমান জেলার বিভিন্ন প্রান্তে ২০ ও ২১ নভেম্বর চলছে আদিবাসী মেলা। এবারে মেলার আয়োজনের বিশেষত্ব হলো বিরসা মুন্ডার ১৫০ তম জন্মবার্ষিকী পালন। জামালপুর ব্লকেও এবছর দু’দিন ধরে আদিবাসী মেলা অনুষ্ঠিত হলো পাঁচড়া কিষানমান্ডিতে। প্রথমে আদিবাসী নিয়ম মেনে পূজা পাঠ করা হয়। ফিতে কেটে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মেহেমুদ খান, বিডিও পার্থসারথী দে ও পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পূর্ণিমা মালিক সহ অন্যান্যরা। এই অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক অলোক কুমার মাঝি, বিডিও পার্থসারথী দে, জয়েন্ট বিডিও রুদ্রেন্দু নন্দী,পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পূর্ণিমা মালিক, সহ সভাপতি ভূতনাথ মালিক। এদিন অসুস্থ শরীর নিয়েও উপস্থিত ছিলেন পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মেহেমুদ খান, কৃষি আধিকারিক কাজী সঞ্জীবুল ইসলাম, ব্লকের বিসিডাবলুই অফিসার সুপ্রভাত মুখার্জী,আদিবাসী সমাজের বিভিন্ন মাজি বাবা, আদিবাসী সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে তারক টুডু, দেবু হেমব্রম, রবিন মান্ডি, লালু হেমব্রম,পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষগণ, প্রধান, উপ প্রধান, বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক সহ অন্যান্যরা। পতাকা উত্তোলন করেন বিধায়ক সহ অন্যান্য অতিথিরা। আদিবাসী ভাষায় উদ্বোধনী সঙ্গীত পরিবেশন করেন আদিবাসী সম্প্রদায়ের শিল্পীরা। বিধায়ক তার বক্তব্যে আদিবাসী সমাজের জন্য মুখ্যমন্ত্রী কী কী কাজ করেছেন তার খতিয়ান তুলে ধরেন।
মেহেমুদ খান বলেন, মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের আদিবাসী সমাজের জন্য অনেক কিছুই করেছেন। এই মেলায় সেই কারণে পুরো ব্লক অফিস তুলে নিয়ে এসেছেন। বিভিন্ন দপ্তরের স্টল হয়েছে। এখনও পর্যন্ত যারা বিভিন্ন সরকারি সুযোগ সুবিধা পাননি, তারা স্টলে গিয়ে সেই সুযোগ সুবিধাগুলি নেবেন। আধিকারিকরা আছেন সাহায্য করার জন্য।
বিডিও পার্থসারথী দে বলেন, জাতিগত শংসাপত্রের জন্য যাদের সমস্যা আছে তারা যেন দ্রুত ব্লকের সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করেন। তাদের দ্রুত ব্যবস্থা করা হবে। মেলায় প্রথম দিন চার দলীয় পুরুষ ও মহিলা ফুটবল প্রতিযোগিতা করা হয়। এছাড়াও দুদিনের এই অনুষ্ঠানে থাকছে বিভিন্ন অনুষ্ঠান। মঞ্চ থেকে আদিবাসী সমাজের মানুষের হাতে ধামসা মাদল, কৃষি সরঞ্জাম, ছাত্রছাত্রীদের হাতে জাতিগত শংসাপত্র, সাইকেল, জুতো সহ বিভিন্ন জিনিস তুলে দেওয়া হবে। এই আদিবাসী মেলায় স্থানীয় প্রচুর আদিবাসী মানুষ উপস্থিত ছিলেন


