1
বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৯ তম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হলো
২০ আগস্ট বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৯ তম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হলো। বিশ্ববিদ্যালয় গোলাপবাগ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডঃ শংকর কুমার নাথ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডঃ পৃথ্বীশ নাগ। এবারের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে মোট চারজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদকে ডিএসসি সম্মানে ভূষিত করা হয়। তাঁরা হলেন ডক্টর ভি নারায়নন, প্রফেসর পদ্মনাভন বলরাম, ডাক্তার শ্যামাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ডাক্তার দেবী প্রসাদ শেঠী। প্রথম তিনজন উপস্থিত থাকলেও ডঃ দেবী শেঠী বিশেষ কারণবশতঃ এদিন আসেননি। এদিনের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না আচার্য তথা রাজ্যের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তবে তিনি এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত না থাকলেও, লিখিত বার্তায় এর সাফল্য কামনা করেন। উপাচার্য ডঃ শংকর কুমার নাথ তাঁর ভাষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের অতীতের ইতিহাস থেকে শুরু করে বর্তমান সময়কাল পর্যন্ত অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন। এবারের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যে সমস্ত ছাত্র-ছাত্রীরা ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন তাদের হাতে সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়। বিভিন্ন বিষয়ে মাস্টার ডিগ্রীতে ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট যারা হয়েছেন তাদের হাতে মেডেল প্রদান করা হয়। জাতীয় সংগীতের মধ্যে দিয়ে এদিনের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সূচনা ও সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
2
আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান ক্যাম্প পরিদর্শনে মন্ত্রী
পূর্ব বর্ধমান জেলার প্রতিটি শহর ও ব্লক এলাকায় চলছে আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান কর্মসূচী। এই কর্মসূচী পরিদর্শনে জেলায় এলেন রাজ্যের মন্ত্রী মহম্মদ গোলাম রব্বানী। তিনি পূর্ব বর্ধমান জেলার অধীন বর্ধমান ২ নম্বর ব্লকের নান্দুর এফপি স্কুলে দুয়ারের সরকার ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। ক্যাম্পে আগত মানুষজনদের সঙ্গে তিনি কথা বলেন। তাদের এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা গ্রহণে মুখ্যমন্ত্রীর এই যে উদ্যোগ তার সাথী হওয়ার জন্য তাদের সকলের কাছে আহ্বান জানান মন্ত্রী। একই সঙ্গে এদিন বর্ধমান ১ নম্বর ব্লকের টুব গ্রাম এফপি স্কুলে আয়োজিত আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান ক্যাম্পে উপস্থিত হন মন্ত্রী। সেখানেও তিনি উপস্থিত সরকারি কর্মী ও আধিকারিক এবং এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন। দুটি জায়গা পরিদর্শন করে এখানে ক্যাম্প পরিচালনার ক্ষেত্রে যে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে সে কথা উল্লেখ করেন মন্ত্রী। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক আয়েশা রাণী এ। তিনি বলেন, এই ক্যাম্পগুলি পরিদর্শন করে যথেষ্ট খুশি হয়েছেন মন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, সঠিক পদ্ধতি মেনেই এই ক্যাম্পগুলি পরিচালনা করা হচ্ছে।
3
পূর্বস্থলীতে সাত দিনব্যাপী যাত্রা শিল্পের কর্মশালা শুরু
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের যাত্রা আকাদেমির আয়োজনে পূর্বস্থলী ১ নম্বর ব্লকের নজরুল মঞ্চে ১৯ আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে সাত দিনের যাত্রা কর্মশালা। এই কর্মশালা চলবে আগামী ২৫ আগস্ট পর্যন্ত। যাত্রাশিল্পী প্রতিভার খোঁজে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এই কর্মশালার উদ্বোধন করেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ যাত্রা আকাদেমির সচিব লিপিকা ব্যানার্জী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা। প্রতিদিন এই কর্মশালা চলবে সকাল দশটা থেকে বিকেল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত। কলকাতা থেকে স্বনামধন্য প্রশিক্ষকরা প্রতিদিন কর্মশালায় উপস্থিত হয়ে এই কর্মশালা পরিচালনা করবেন বলে জানিয়েছেন জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক রামশঙ্কর মন্ডল। এবার বর্ধমান ডিভিশনের কর্মশালা পূর্বস্থলী ১ ব্লকে হওয়াতে খুশি এলাকার সাধারণ মানুষ । মুখ্যমন্ত্রীর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যাত্রাশিল্পের বিকাশের জন্য এই উদ্যোগকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এই প্রথম বিভিন্ন জেলায় যাত্রা শিল্পীদের জন্য কর্মশালার আয়োজন করা হচ্ছে। জানা গেছে, কর্মশালা শেষে সকল অংশগ্রহণকারীদের শংসাপত্র প্রদান করা হবে দপ্তরের পক্ষ থেকে। এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন, যাত্রা আমাদের বাংলার লোকসংস্কৃতির একটি গৌরবজনক অধ্যায়। একে বাঁচিয়ে রাখার জন্য এই কর্মশালার আয়োজন সুস্থ সংস্কৃতির প্রসারের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সহায়ক একটি পদক্ষেপ। মুখ্যমন্ত্রী নিজে উদ্যোগী হয়ে এই ধরনের একটি মহতী কর্মযজ্ঞকে সফল করার পরিকল্পনা নিয়েছেন। তাই এখানে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে।
4
প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের রিভিউ মিটিং জামালপুরে
পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের রিভিউ মিটিং অনুষ্ঠিত হলো জামালপুরের মসাগ্রামে। উপস্থিত ছিলেন ডিপিএসসি-র চেয়ারম্যান তথা মেমারির বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য্য, প্রাইমারি ডি আই প্রলয়েন্দু ভৌমিক, জামালপুরের ভারপ্রাপ্ত বিডিও রাহুল বিশ্বাস, এ আই প্রিয়ব্রত মুখার্জী, সর্বশিক্ষা মিশনের পক্ষ থেকে আনন্দময়ী চ্যাটার্জী, মিড ডে মিল বিভাগের পক্ষ থেকে জ্যোতির্ময়বাবু, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পূর্ণিমা মালিক, সহ সভাপতি ভূতনাথ মালিক, পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মেহেমুদ খান,দুই চক্রের এস আই অনিন্দিতা সাহা ও প্রশান্ত কবিরাজ, শিক্ষক সৌমেন ভট্টাচার্য্য ও আব্দুল রহমান সহ অন্যান্যরা। ডি আই প্রলয়েন্দু ভৌমিক জানান, প্রতিটি ব্লকেই এই রকম রিভিউ মিটিং চলছে। মূলত, সারা বছর কী কী কাজ করতে হবে, পরীক্ষা পদ্ধতি, হলিস্টিক রিপোর্ট কার্ড সহ নানা বিষয় নিয়ে এদিন আলোচনা করা হয়।মেহেমুদ খান সকল শিক্ষক শিক্ষিকাদের যথাযোগ্য সম্মান জানিয়ে বলেন, শিক্ষকরাই মানুষ গড়ার কারিগর। তিনি সকল শিক্ষকদের অনুরোধ করেন, মুখ্যমন্ত্রীর অন্যতম একটি শ্রেষ্ঠ প্রকল্প পাড়ায় সমাধান চলছে। সেখানে বুথ পিছু ১০ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। যদি কোনো স্কুলের কোনো ছোটখাটো কাজ থাকে, তাঁরা যেন পঞ্চায়েতের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। দুই সার্কেল মিলিয়ে শতাধিক প্রাথমিক শিক্ষক-শিক্ষিকা এই রিভিউ মিটিংয়ে অংশ নেন বলে জানা যায়।


