1
রাখি বন্ধনের পাশাপাশি বিপ্লবী ক্ষুদিরামের প্রয়াণ দিবস পালন
শহর বর্ধমানে এসএফআই – ডিওয়াইএফআই-এর উদ্যোগে ‘আরজি কর থেকে তামান্না সুরক্ষার অঙ্গীকার’ বার্তায় সাধারণ মানুষদের সঙ্গে নিয়ে রাখিবন্ধন কর্মসূচী পালন করা হলো। বর্ধমান শহরে বড়নীলপুর মোড় থেকে বীরহাটা অবধি পথচলতি মানুষকে রাখি পরিয়ে এই কর্মসূচী পালন করা হয়। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন প্রান্ত জুড়ে সাধারণ পথচলতি মানুষ, স্বাস্থ্যকর্মী, ছাত্রছাত্রীদের অভয়া – তামান্নার বিচার ও সকলের সুরক্ষার অঙ্গীকারে রাখি পরানো হয়। তিলোত্তমার বিচার এখনও অধরা। বছর পেরিয়ে গেলেও বিচারের দেখা মেলেনি। এর মধ্যেই রাজ্যজুড়ে ঘটে গেছে সাউথ ক্যালকাটা ল কলেজে ধর্ষনের ঘটনা, তামান্নার নির্মম খুন। তাই, জেলার বিভিন্ন প্রান্তে সাধারণ মানুষের মধ্যে আন্দোলনের আঁচ আরও তীব্র করতেই এই কর্মসূচী গ্রহণ। এই কর্মসূচীতে মানুষ স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করেন।
অন্যদিকে, ১১ আগস্ট এসএফআই-এর উদ্যোগে বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর শহীদ দিবস পালিত হলো জেলাজুড়ে। জেলার বিভিন্ন প্রান্তে স্কুলের গেটে স্কুল পড়ুয়াদের বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর ব্যাজ পরানো হয়। বিভিন্ন কলেজের গেটেও বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর শহীদ দিবস পালন করা হয়। এর পাশাপাশি জেলাজুড়ে ইউনিট ভিত্তিক বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর শহীদ দিবস পালন করা হয়। সর্বত্রই সকলের অংশগ্রহণে এই দিবস পালন সার্থক হয়ে ওঠে।
2
বিবেকানন্দ সেবক সংঘের খুঁটি পুজো ও রক্তদান শিবির
বর্ধমান শহরের বড় পুজোগুলির মধ্যে অন্যতম হলো শাঁখারী পুকুর এলাকার বিবেকানন্দ সেবক সংঘের দুর্গাপুজো। এই পুজোকে কেন্দ্র করে খুঁটি পুজো অনুষ্ঠিত হলো সেবক সংঘ প্রাঙ্গণে। এই উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক খোকন দাস, বর্ধমান উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান উজ্জ্বল প্রামাণিক, কাউন্সিলর শ্যামাপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায়, ইন্তেখাব আলম সহ অন্যান্য বিশিষ্টজনেরা। একই সঙ্গে এদিন এখানে এক রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে খোকন দাস বলেন, বিবেকানন্দ সেবক সংঘ প্রতিবছরই দুর্গাপুজোর আয়োজন করে। বিধায়ক এবার এই উদ্যোক্তাদের কাছে আহ্বান জানান, তারা যেন কার্নিভালে অংশগ্রহণের মধ্যে দিয়ে পুরস্কার প্রাপ্তির চেষ্টা করেন। এরজন্য তিনি সকল ক্লাব সদস্যদের এগিয়ে এসে সহযোগিতার হাত বাড়ানোর আবেদন করেন।
3
শেষ হলো আট দিনের সঙ্গীত মেলা
বিধায়ক খোকন দাসের উদ্যোগে বর্ধমান সংস্কৃতি লোকমঞ্চে আট দিন ধরে অনুষ্ঠিত হলো সংগীত মেলা। এই সংগীত মেলার শেষ দিনে অতিথি শিল্পী ছিলেন অনিল শ্রীবাস্তব। এই অনুষ্ঠান মঞ্চে খোকন দাস বলেন, মূলত এই সঙ্গীতত মেলা আয়োজনের মূল লক্ষ্য হলো নবীন প্রতিভার সন্ধান। সেই লক্ষ্যেই নবীন প্রতিভাবানরা এখানে সঙ্গীত পরিবেশনের সুযোগ পান। এছাড়া বিভিন্ন দিনে অতিথি শিল্পীরাও সঙ্গীত পরিবেশন করেন। তিনি বলেন, বর্ধমান শহরে একটি বৃহৎ আকারের প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণ করা প্রয়োজন। যেখানে ৫ হাজার লোক একসঙ্গে বসে অনুষ্ঠান দেখতে পারবেন। নামিদামি শিল্পীদের অনুষ্ঠান করার অনুমতি পাবার ক্ষেত্রেও সুবিধা হবে। তাই এই বৃহৎ আকারের মঞ্চ নির্মাণে তিনি উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন বলে উল্লেখ করেন বিধায়ক। তার এই ঘোষণায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন এদিন সংস্কৃতি লোকমঞ্চে উপস্থিত দর্শকমন্ডলী।


