রক্তদান শিবির ও রবীন্দ্র নজরুল সন্ধ্যা II গন্ধবণিক সেবা সমিতির উদ্যোগে গন্ধেশ্বরী মাতার পুজো II উচ্চ মাধ্যমিকে কৃতীদের সম্বর্ধনা জ্ঞাপন

1
রক্তদান শিবির ও রবীন্দ্র নজরুল সন্ধ্যা

বর্ধমান শহরের ১২ নম্বর ওয়ার্ডে সেন্ট্রাল পার্ক এলাকার নাগরিকদের উদ্যোগে এক রক্তদান শিবির এবং রবীন্দ্র – নজরুল সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়। এই রক্তদান শিবিরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক খোকন দাস। উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় কাউন্সিলর ভবদেব চক্রবর্তী সহ অন্যান্য বিশিষ্টজনেরা। এ প্রসঙ্গে খোকন দাস বলেন, এখানে আয়োজকরা যে উদ্যোগ নিয়েছেন তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। রক্তদান মানেই হলো একজন মুমূর্ষু রোগীর জীবন দান। গ্রীষ্মকালে রক্তের সংকট বিভিন্ন হাসপাতালে দেখা দেয়। কারণ এই সময়ে রক্তদান শিবিরের আয়োজন কম হয়ে থাকে। ফলে রক্তের চাহিদা ও জোগানের মধ্যে একটা তারতম্য তৈরী হয়। চাহিদা মতো রক্তের জোগান না থাকায় সমস্যায় পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে। তাই আজ যারা রক্তদান করতে এগিয়ে এসেছেন তাদের প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানাই। (পজ্)

কাউন্সিলর ভবদেব চক্রবর্তী বলেন, এখানকার সাধারণ নাগরিকরা সম্মিলীতভাবে যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন তা একটা দৃষ্টান্ত। এই সেন্ট্রাল পার্ক এলাকার নাগরিকদের উদ্যোগে সারা বছরই নানান সামাজিক কাজ হয়ে থাকে। তার মধ্যে এক দিকে রয়েছে যেমন রাস্তাঘাট পরিষ্কার করা, ঠিক তেমনই রয়েছে স্থানীয় এলাকায় পুকুর পরিষ্কার রাখা। এর পাশাপাশি তারা এই এলাকার বেশ কয়েকটি রাস্তা ঢালাই করে দেওয়ার কথা বলেছেন। এ ব্যাপারে বিধায়ক আমাদের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। নাগরিকদের এই দায়িত্ববোধ এখানকার সার্বিক পরিবেশকে আরও সুন্দর রাখতে সাহায্য করেছে।

2
গন্ধবণিক সেবা সমিতির উদ্যোগে গন্ধেশ্বরী মাতার পুজো

প্রতি বছরের মতো এ বছরও গন্ধবণিক সেবা সমিতির উদ্যোগে গন্ধেশ্বরী মাতার পুজোর আয়োজন করা হয়েছে। বর্ধমান জেলখানা মোড় সংলগ্ন পাল বিল্ডিং এলাকায় এই পুজো অনুষ্ঠিত হয়। এ প্রসঙ্গে গন্ধবণিক সেবা সমিতির অন্যতম কর্মকর্তা শীর্ষেন্দু সাধু জানান, তাদের এই সেবা সমিতি ২০১০ সালে গঠিত হয়েছে। তখন থেকেই গন্ধবণিক সেবা সমিতির তত্ত্বাবধানে মায়ের পুজো হয়ে আসছে। তবে গন্ধবণিক সম্প্রদায়ের মানুষজন বর্ধমানে এই পুজোর প্রথম সূত্রপাত করেন ১৯৮৫ সালে । সেই অর্থে এই পুজো ৪০ বছরে পদার্পণ করলো। শীর্ষেন্দু বাবু আরও জানান, মূল পুজোর আয়োজন দুদিন ধরে অনুষ্ঠিত হয়। পুজোর আয়োজন ছাড়াও এখানে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিকে কৃতী ছাত্রছাত্রীদের সম্মানিত করা হয়। শহরের বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি এবং পৌরসভার চেয়ারম্যানসহ বিশিষ্টজনেরা সাধারণত উপস্থিত থাকেন। প্রতি বছরই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়ে থাকে।

3
উচ্চ মাধ্যমিকে কৃতীদের সম্বর্ধনা জ্ঞাপন

পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে উচ্চমাধ্যমিকে কৃতী ছাত্রছাত্রীদের সম্বর্ধনা জানালো জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস। এবছর বর্ধমান জেলার সিএমএস স্কুলের ছাত্র রূপায়ণ পাল উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম হয়েছে। তার প্রাপ্ত নাম্বার ৪৯৭। জামালপুর ব্লকও পিছিয়ে নেই উচ্চমাধ্যমিকের নম্বরে। মাত্র দুই নম্বরের জন্য প্রথম দশের মেধা তালিকায় স্থান হয়নি জামালপুরের সর্বোচ্চ প্রাপক পর্বতপুর গার্লস হাইস্কুলের ছাত্রী পূজা ঘোষ। তার প্রাপ্ত নম্বর ৪৮৬। এছাড়াও রিঙ্কি কর্মকার ৪৭২, সৌম্যদীপ সাধুখাঁ ৪৬৮, সৌমা হালদার ৪৬৬, পরমা হালদার ৪৬৪, শ্রেয় পাত্র ৪৬৪, কিংশুক দাস ৪৬২, তৃষাণ ঘোষ ৪৫৮,সূচন্দ্রা অধিকারী ৪৫৪ এরাও ভালো রেজাল্ট করে। এই কৃতী ছাত্রছাত্রীদের সম্বর্ধনা ও শুভেচ্ছা জানাতে তাদের বাড়িতে উপস্থিত হন বিধায়ক অলোক কুমার মাঝি, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি মেহেমুদ খান, এসসি সেলের সভাপতি উত্তম হাজারী, আনোয়ার সরকার সহ অন্যান্য কর্মীরা। মেহেমুদ খান বলেন, এই কৃতীরা শুধু আমাদের জামালপুরের নয় সারা দেশের গর্ব। আগামীতে অবশ্যই এর প্রতিষ্ঠিত হয়ে দেশের ও দশের মুখ উজ্জ্বল করবে।

বিধায়ক অলোক কুমার মাঝি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মেয়েদের এগিয়ে যাবার জন্য বিভিন্ন প্রকল্প চালু করেছেন। তাঁরই জন্য আজ মেয়েরা এইভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি সকলের উজ্বল ভবিষ্যত কামনা করেন। কৃতীরা এই সম্বর্ধনা পেয়ে খুবই খুশী।