শহরে ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে ১৬ টি রাস্তা সংস্কারের কাজ চলছে | কালীপুজোকে কেন্দ্র করে আড়াইশো মানুষকে মায়ের ভোগ খাওয়ানোর আয়োজন

1
শহরে ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে ১৬ টি রাস্তা সংস্কারের কাজ চলছে

বর্ধমান শহরে ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে অম্রুত প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার পর রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। বর্তমানে এই ওয়ার্ডে ১৬ টি রাস্তা সংস্কার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কাউন্সিলর নাজমুন আরা বেগম। জানা গেছে, এর মধ্যে এগারটি রাস্তা প্রধান সড়ক পথ হিসেবে পরিচিত। বাকি পাঁচটি গলির রাস্তা। নাজমুন আরা বেগম জানিয়েছেন, বর্ধমান পৌরসভা এই রাস্তা সংস্কারের কাজে সবরকম ভাবে সহযোগিতা করছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৮ কিলোমিটার রাস্তা সংস্কার করা হচ্ছে। তিনি জানিয়েছেন, গোদা বটতলা থেকে টিকরহাট পর্যন্ত প্রায় ৭০০ মিটার রাস্তা পেপার ব্লক করা হচ্ছে। এর জন্য ব্যয় হচ্ছে ৫২ লক্ষ টাকা। এই রাস্তাটি সংস্কার হয়ে গেলে স্থানীয় ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত মানুষজনের খুবই সুবিধা হবে। গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তাটি দ্রুত সংস্কারের কাজ চলছে। এ বিষয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কাঞ্চন কাজী জানিয়েছেন, পুজোর আগে বৃষ্টির কারণে রাস্তাগুড়ি ঠিক মতো সংস্কার করা সম্ভব হচ্ছিল না। বৃষ্টি কমার পর এখানে রাস্তা সংস্কারের কাজ চলছে। এই কাজে বর্ধমান পুরসভা তাদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। রাস্তাগুলি সংস্কার হয়ে গেলে স্থানীয় মানুষজন খুবই উপকৃত হবেন।

2
কালীপুজোকে কেন্দ্র করে আড়াইশো মানুষকে মায়ের ভোগ খাওয়ানোর আয়োজন

পূর্ব বর্ধমান জেলার মন্তেশ্বর ব্লকের তারা শুশুনা গ্রামে মা তারার মন্দিরের পাশেই অবস্থিত মুখোপাধ্যায় পরিবারের বহু প্রাচীন মহাশক্তির মন্দির। জানা গেছে, এই মন্দিরে প্রায় ২০০ বছরের বেশি সময় ধরে মহাকালী পূজিতা হয়ে আসছেন। পরিবার সূত্রে আরও জানা যায়, এই মুখোপাধ্যায় পরিবারের পাঁচ ভাই ছিলেন শক্তিপদ, বিষ্ণুপদ, কালীপদ, শ্যামাপদ ও ষষ্ঠীপদ মুখোপাধ্যায়। তাদেরই দায়িত্বে পালা করে প্রতিবছর পূজো হয়। এ বছর এই পুজোর পালা ছিল বিষ্ণুপদ মুখোপাধ্যায়ের জ্যেষ্ঠ পুত্র আনন্দকুমার মুখোপাধ্যায়ের। তিনি গত হওয়ায় এই পুজোর দায়িত্ব পালন করেন তার কন্যা মৌসুমী বন্দোপাধ্যায় ও জামাতা শ্যামাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়। তাদের পাশে ছিলেন তাদেরই দুই কন্যা প্রিয়দর্শিনী ও ঐশ্বর্য। এবারের পুজো তাদের তত্ত্বাবধানে খুব সুন্দর করে সুসম্পন্ন হয়েছে। এ প্রসঙ্গে শ্যামাদাস বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এখানে যে মাকে পুজো করা হয় তিনি খুবই জাগ্রত। এই পুজোয় সামিল হন পুরো মুখোপাধ্যায় পরিবার। গ্রামের বহু মানুষও এই পুজোকে কেন্দ্র করে উৎসব ও আনন্দে মেতে ওঠেন। জানা গেছে, এই মহাকালীর পুজোয় এবার আড়াইশোর বেশি মানুষকে মায়ের ভোগ খাওয়ানোর আয়োজন করা হয়। শ্যামাদাস বাবু বলেন, এত মানুষের উপস্থিতিতে এবার এই মন্দির প্রাঙ্গণ উৎসব মুখরিত হয়ে ওঠে। তিনি বলেন, আমরা মায়ের কাছে সকলেরই মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা করি।