1
মন্দিরের সামনে বিশ্রামাগারের শিলান্যাস করলেন মন্ত্রী
পূর্ব বর্ধমান জেলার পূর্বস্থলী ১ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত শ্রীরামপুর অঞ্চলের মধ্য শ্রীরামপুরে শিব দুর্গা বারোয়ারি কমিটির মন্দিরের সামনে বিশ্রামাগার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই উপলক্ষ্যে ওই মন্দিরের সামনে শিলান্যাস অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। শিলান্যাস করেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। তিনি স্থানীয় পূর্বস্থলী দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক। তাই তার বিধায়ক উন্নয়ন তহবিল থেকে এই বিশ্রামাগার নির্মাণের জন্য অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে স্বপন দেবনাথ জানিয়েছেন, বিশ্রামাগার নির্মাণের জন্য চার লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে। এখানে প্রায়শই ভক্তদের সমাগম ঘটে। কিন্তু মন্দিরের ভিতরে স্থান সংকুলানে সমস্যা হয়। তাই একটি বিশ্রামাগার প্রয়োজন ছিল। এখানে আগত ভক্তদের সুবিধার্থেই এই বিশ্রামাগার নির্মাণে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় এই কর্মসূচী বাস্তবায়িত করার কাজ শুরু হল। এ প্রসঙ্গে পূর্বস্থলী ১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি দিলীপ কুমার মল্লিক বলেন, এখানে এই বিশ্রামাগারটি নির্মাণ খুব জরুরি ছিল। মন্ত্রী এই কাজে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় এই প্রকল্পকে এখানে দ্রুত বাস্তবায়িত করা হবে।
2
রবীন্দ্রপল্লী মহিলা পরিচালিত মানুষ ঝুলন যাত্রার উদ্বোধনে বিধায়ক
বর্ধমান শহরের রবীন্দ্রপল্লীতে মহিলা পরিচালিত মানুষ ঝুলন যাত্রার উদ্বোধন হলো। উদ্বোধন করলেন বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক খোকন দাস। উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবী তন্ময় সিংহ রায়, সমাপ্তিকা মন্ডল, কাউন্সিলার ইন্তেখাব আলম সহ বিশিষ্টজনেরা। এদিন প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্যে দিয়ে এই মানুষ ঝুলন যাত্রার শুভ উদ্বোধন হয়। বিধায়ক খোকন দাস বলেন, এখানে মহিলা পরিচালিত মানুষ ঝুলনযাত্রা শুরু হলো। এই ঝুলন যাত্রা চলবে আগামী ১০ আগস্ট পর্যন্ত। বর্ধমান শহরে একটা সময় অনেকগুলি ঝুলন যাত্রা হত। কিন্তু এখন বেশিরভাগই বন্ধ হয়ে গেছে। এরই মাঝে রবীন্দ্রপল্লীতে এই মানুষ ঝুলনযাত্রা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিধায়ক বলেন, এর ধারাবাহিকতা রক্ষা করা জরুরি। যারা মানুষ ঝুলনযাত্রায় অংশ নিয়েছেন তাদের ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
3
বিভিন্ন দাবিতে এসএফআই-এর ডেপুটেশন বিশ্ববিদ্যালয়ে
বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের সিবিসিস অন্তর্ভুক্ত স্নাতক স্তরের ষষ্ঠ সেমিস্টারের ফলাফল প্রকাশ ও দ্রুত ফলাফলের হার্ডকপি প্রদান, হোস্টেল মেস কমিটি নির্বাচনে অবৈধ ছাত্র সংসদের বেআইনি হস্তক্ষেপ এবং স্টেট ফান্ড ফেলোশিপ হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রতিবাদে ৬ আগষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে ডেপুটেশন দিল এসএফআই।
এদিন এসএফআই নেতৃত্ব জানান, বিগত কয়েকবছরে স্নাতক স্তরের ষষ্ঠ সেমিস্টারের ফলাফল প্রকাশ ও হার্ডকপি প্রদানে দেরির জন্য ভুগতে হয়েছে ছাত্রছাত্রীদের। এর পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে তার দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে। এর পাশাপাশি বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেলগুলিতে মেস কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে শাসকদলের সঙ্গে যুক্ত ছাত্র সংগঠনের সদস্যরা সরাসরি হস্তক্ষেপ করছে। যা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং ছাত্রদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণকে দমন করছে বলে দাবি করে এসএফআই। তারা আরও দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতার পরিপন্থীভাবে মেস কমিটি গঠন করার চক্রান্ত চলছে। যা হোস্টেলের অভ্যন্তরীণ স্বায়ত্তশাসনের ওপর আঘাত। যা সাধারণ ছাত্রদের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে খর্ব করছে।
এর পাশাপাশি ডেপুটেশনে আরও এক গুরুতর ইস্যু তুলে ধরা হয়েছে। রাজ্য সরকারের অধীনস্থ গবেষণার জন্য দেওয়া ফেলোশিপ কোনও প্রকার নোটিশ ছাড়াই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এসএফআই জানিয়েছে, এই ফেলোশিপ বহু গবেষকের পঠন-পাঠনের একমাত্র আর্থিক ভরসা। হঠাৎ এই ফেলোশিপ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গবেষকরা মানসিক ও আর্থিক চাপে পড়েছেন এবং তাদের পড়াশোনা এতে বিঘ্নিত হবে।
এদিন রেজিস্ট্রারের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় এসএফআই-এর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, দ্রুত স্নাতক স্তরের ষষ্ঠ সেমিস্টারের ফলাফল প্রকাশ ও দ্রুত ফলাফলের হার্ডকপি প্রদান করতে হবে। হোস্টেল মেস কমিটির নির্বাচন সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও ছাত্রদের মধ্যে থেকে গণতান্ত্রিকভাবে পরিচালিত করায় কর্তৃপক্ষকে হস্তক্ষেপ করতে হবে। বন্ধ হয়ে যাওয়া স্টেট ফান্ড ফেলোশিপ অবিলম্বে পুনরায় চালু করে ক্ষতিগ্রস্ত গবেষকদের পাশে দাঁড়াতে হবে। এফএফআই-এর জেলা সম্পাদক উষসী রায় চৌধুরী বলেন, এই দাবিগুলির স্বপক্ষে এসএফআই ধারাবাহিক আন্দোলন চালিয়ে যাবে।


