জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে রক্তদাতাদের সম্বর্ধনা জ্ঞাপন | ২১ শে জুলাইয়ের সভাকে সফল করার লক্ষ্যে আলোচনা সভা | রবীন্দ্র-নজরুল সন্ধ্যা এবং কৃতী ছাত্র-ছাত্রী সম্বর্ধনা

1
জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে রক্তদাতাদের সম্বর্ধনা জ্ঞাপন

বিভিন্ন জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ কনফারেন্স হলে রক্তদাতাদের সম্বর্ধনা জ্ঞাপন করা হলো। উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান মেডিকেল কলেজের সুপার তাপস ঘোষ, বর্ধমান মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ মৌসুমী বন্দোপাধ্যায় সহ অন্যান্য চিকিৎসকবৃন্দ। এই অনুষ্ঠানে পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহার রক্তদাতাদের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, যে সমস্ত সংস্থা রক্তদান শিবিরের আয়োজন করে থাকে সারা বছর তাদের সেই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। এক্ষেত্রে তিনি আয়োজক রক্তদাতা সংস্থাকে তাদের সংগৃহীত রক্ত বর্ধমান মেডিকেল কলেজ ব্লাড ব্যাঙ্কে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। কারণ এই ধরনের সরকারি হাসপাতালে মুমূর্ষু রোগীদের জন্য যেমন প্রতিমুহূর্তে রক্তের প্রয়োজন হয়, তেমনই সারা বছর ধরে থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত রোগীদেরও রক্ত দিতে হয়। তাই রক্তের চাহিদা প্রতিমুহূর্তেই সেখানে থেকে যায়। তাই সরকারি ব্লাড ব্যাংকে রক্তদান করলে তা সব ধরনের রোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়। পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের অধ্যক্ষ অপার্থিব ইসলাম বলেন, সারা বছর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, গণসংগঠন, ক্লাব, সমিতি ইত্যাদির পক্ষ থেকে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়ে থাকে। এই ধরনের শিবির থেকে সংগৃহীত রক্ত প্রতিমুহূর্তে রক্তের চাহিদা পূরণে সাহায্য করে। তাই এই প্রচেষ্টা যারা নিয়ে থাকেন তারা মানবকল্যাণে প্রতিমুহূর্তে কাজ করে চলেন। তাদের শুধুমাত্র ধন্যবাদ জানিয়ে ছোট করবো না, বরং তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি বলে উল্লেখ করেন অপার্থিব। পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ বিশ্বনাথ রায় বলেন, এই ধরনের সম্বর্ধনা জ্ঞাপনের মূল লক্ষ্য হলো রক্তদাতাদের উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করা। যারা প্রতিমুহূর্তে রক্তদান শিবিরের আয়োজনের মধ্যে দিয়ে মুমূর্ষু রোগীদের জীবন দান করছেন তাদের অবদানকে আমরা কোনোভাবেই অস্বীকার করতে পারি না। তাদের প্রতি আমরা বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের আর এক কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু কোনার, বর্ধমান পৌরসভার কাউন্সিলর রাসবিহারী হালদার সহ অন্যান্য বিশিষ্টজনেরা।

2
২১ শে জুলাইয়ের সভাকে সফল করার লক্ষ্যে আলোচনা সভা

কলকাতার ধর্মতলায় আগামী ২১ শে জুলাইয়ের সভাকে সফল করার উদ্যেশ্যে জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস, ব্লক তৃণমূল কার্যালয়ে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করে। এই আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি মেহেমুদ খান,পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পূর্ণিমা মালিক,সহ-সভাপতি ভূতনাথ মালিক, শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি তাবারক আলী মন্ডল,জেলার যুব সহ সভাপতি শাহাবুদ্দিন মন্ডল ওরফে পাঞ্জাব,সংখ্যালঘু সেলের ব্লক সভাপতি ওয়াসিম সরকার, জেলা পরিষদের দুই সদস্যা কল্পনা সাঁতরা ও শোভা দে সহ প্রতিটি পঞ্চায়েতের প্রধান, উপ প্রধান এবং অঞ্চল সভাপতিরা। এই আলোচনা সভায় আগামী ২১ শে জুলাই ধর্মতলায় শহীদ স্মরণে যে বিরাট সমাবেশের আয়োজন করা হয় সেই সমাবেশকে সফল করতে কি কি করণীয় তা প্রত্যেক অঞ্চল নেতৃত্বকে জানিয়ে দেওয়া হয়। ব্লক সভাপতি মেহেমুদ খান বলেন, ২১ জুলাই দিনটি প্রত্যেক তৃণমূল কর্মীর কাছে একটা আবেগের দিন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তাদের দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতকে শক্ত করতে এই দিন রাজপথকে ভরিয়ে দিতে হবে। ওইদিন দলনেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাদের যে নির্দেশ দেবেন সেই নির্দেশও অক্ষরে অক্ষরে তাদের মেনে চলতে হবে।
মিটিং-এর পর ২১ শে জুলাই-এর উদ্দেশ্যে একটি দেওয়াল লেখায় অংশ নেন ব্লক সভাপতি সহ অন্যান্য নেতৃত্বরা।

3
রবীন্দ্র-নজরুল সন্ধ্যা এবং কৃতী ছাত্র-ছাত্রী সম্বর্ধনা

বর্ধমানের তেজগঞ্জ চিলড্রেন ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের উদ্যোগে প্রতিবছরের মতো এবছরও রবীন্দ্র নজরুল সন্ধ্যা এবং কৃতী ছাত্র-ছাত্রী সংবর্ধনা জ্ঞাপন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক খোকন দাস। উপস্থিত ছিলেন এন আই টি দুর্গাপুরের অধ্যাপক ডঃ সুজিত শংকর পাঁজা, ডঃ কৌশিক মন্ডল সহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ। এই অনুষ্ঠানে তেজগঞ্জ চিলড্রেন ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের সম্পাদক উৎপল দত্ত তার স্বাগত ভাষণে সংস্থার বাৎসরিক কাজের নানান দিক তুলে ধরেন। এই সংস্থাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাসের কাছে সহযোগিতা প্রার্থনা করেন। এ ব্যাপারে বিধায়ক খোকন দাস এই সংস্থাকে সর্বতোভাবে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি এই সংস্থার বহুমুখী কর্মযজ্ঞের প্রশংসাও করেন। এদিনের অনুষ্ঠানে মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিকে কৃতী ছাত্রছাত্রীদের সম্বর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে কচিকাঁচা থেকে শুরু করে স্থানীয় অতিথি শিল্পী সকলেই অংশগ্রহণ করেন।