কর্মসংস্থানের লক্ষ্য নিয়ে মার্কেট কমপ্লেক্স গড়ে তোলা হলো | পরিবেশ বিষয়ে সচেতনতা শিবির


1
কর্মসংস্থানের লক্ষ্য নিয়ে মার্কেট কমপ্লেক্স গড়ে তোলা হলো

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লক্ষ্য হলো সাধারণ মানুষের জন্য কর্মসংস্থান তৈরী করা। আর সেই কাজ করার ক্ষেত্রে একদিকে যেমন সরকারি চাকরির ব্যবস্থা তিনি করেছেন, ঠিক তেমনই আবার ছোট ছোট কলকারখানা, বাণিজ্য কেন্দ্র ইত্যাদি গড়ে তোলার মধ্যে দিয়ে কর্মসংস্থানকে আরও প্রসারিত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। তারই অঙ্গ হিসেবে পূর্ব বর্ধমান জেলার কৈয়র গ্রাম পঞ্চায়েতের উদ্যোগে গুইরে নতুন মার্কেট কমপ্লেক্স গড়ে তোলা হলো। এর মধ্যে দিয়ে এখানকার মানুষের আর্থিক স্থিতি তৈরী হবে বলে জানালেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের অধ্যক্ষ অপার্থিব ইসলাম। ১১ জুন এই নবনির্মিত মার্কেট কমপ্লেক্সের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অপার্থিব ইসলাম ও জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ বিশ্বনাথ রায়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কৈয়র গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শাহজাহান মন্ডল সহ গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্যান্য সদস্য ও আধিকারিক এবং কর্মীবৃন্দ। অপার্থিব বলেন, এই গ্রাম পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে স্থানীয় মানুষের সুবিধার্থে এই মার্কেট কমপ্লেক্স তৈরী করা হয়েছে। যেখানে ৬ জন ব্যক্তি তার বাণিজ্যিক কাজ চালাতে পারবেন। এর ফলে ছটি পরিবার উপকৃত হবে। এখানকার স্থানীয় অর্থনীতিতেও যার একটা ইতিবাচক প্রভাব লক্ষ্য করা যাবে।

বিশ্বনাথ রায় বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কর্মসংস্থান তৈরীর ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এবং বাণিজ্যকে সবসময় গুরুত্ব দিয়েছেন। কারণ এর মধ্যে দিয়ে গ্রামীণ এলাকার অর্থনীতিকে চাঙ্গা করে তোলা যায়। সাধারণ মানুষের কর্মসংস্থান গড়ে তোলা যায়। এই মার্কেট কমপ্লেক্স সাধারণ মানুষের কর্মসংস্থান তৈরী করার ক্ষেত্রে একটা বড় ভূমিকা নেবে।

শাহাজাহান মন্ডল বলেন,এই ধরনের উদ্যোগকে আমাদের সুরক্ষিত রাখতে হবে। পরিকাঠামোর দিকটিকে গুরুত্ব দিতে হবে।

2
পরিবেশ বিষয়ে সচেতনতা শিবির

বর্ধমানের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার উদ্যোগে উত্তরবঙ্গ সম্মেলন আয়োজিত হল। বিভিন্ন কলেজ ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার প্রতিনিধিদের নিয়ে হাওড়া থেকে দার্জিলিং,কার্শিয়াং ও জলদাপাড়া ঘুরে সমীক্ষা চালানো হয়। কিভাবে স্থানীয় খাদ্যাভ্যাস ও বর্জ্য সমস্যায় প্রভাব ফেলছে পর্যটকরা , একইভাবে তার সমাধান কিভাবে সম্ভব তা নিয়ে স্থানীয় পরিবেশকর্মী , হোটেল ব্যবসায়ী সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের মানুষদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। সচেতনতা প্রসারে শিলিগুড়ি থেকে রংটং পর্যন্ত একটি সাইকেল র‍্যালীও করা হয়। উদ্যোক্তাদের তরফে সন্দীপন সরকার জানান ‘এক জন পর্যটক প্রতিদিন গড়ে ১৯০ গ্রাম বর্জ্য তার যাত্রাপথে এবং গড়ে ৩০০গ্রাম বর্জ্য পাহাড়ে অবস্থানের সময় তৈরী করছে। দুই ক্ষেত্রেই অপচনশীল কঠিন বর্জ্যের পরিমাণ অর্ধেকের বেশী , যা ৮০% পর্যন্ত কমানো সম্ভব। যে ব্যক্তি বাড়িতে সাধারণ জলশোধনকারী মেশিন নি:সৃত জল খায়। তাতেও বেড়াতে গিয়ে অকারণ প্ল্যাস্টিক জলের বোতল ব্যবহার করছে। হাত মোছার জন্য যথেচ্ছ ন্যাপকিন ব্যবহার করছে। রেল যাত্রাপথেও পরিবেশ বান্ধব পাত্রের বদলে প্ল্যাস্টিকের পাত্রে খাবার দেওয়া হচ্ছে। মালদা ও নিউ জলপাইগুড়ির মতো বড় স্টেশনগুলিতে এহেন প্লাস্টিক বর্জ্য বাড়ছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনা না থাকায়, অনেকেই ২ বা ৩ জনের যাত্রার প্রয়োজনেও সর্বাধিক ৬ জনের বহনকারী বড় যানে চড়ছেন। ফলত গাড়ির সংখ্যা বাড়ায় দূষণ বাড়ছে, স্থানীয় খাবারের বদলে ক্রমাগত প্রচলিত রেস্টুরেন্টের মেনুর খাবার মানুষ বেশী খাওয়ায় স্থানীয় খাদ্যাভাসে প্রভাব পড়ছে। এই সব বিষয়গুলি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের কলেজ পড়ুয়া ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার প্রতিনিধিদের চাক্ষুষ করলো। যা নিয়ে তারা সচেতনতা ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে। রেল সহ উত্তরবঙ্গের স্থানীয় প্রসাশনকেও জলবায়ু ও পরিবেশ রক্ষায় বেশ কিছু প্রস্তাব পাঠানো হচ্ছে”। সন্দীপন বলেন, আশাকরি এ ব্যাপারে সদর্থক সাড়া পাওয়া যাবে।