শিব মন্দিরে স্বস্ত্রীক পুজো দিলেন মন্ত্রী | বিদ্যালয়ে প্রকৃতি সংরক্ষণ দিবস পালন | বাংলা ভাষাভাষীদের উপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে শহরে প্রতিবাদ


1
শিব মন্দিরে স্বস্ত্রীক পুজো দিলেন মন্ত্রী

শ্রাবণ মাসের সোমবারকে কেন্দ্র করে পূর্ব বর্ধমান জেলার পূর্বস্থলী ১ নম্বর ব্লকের পঞ্চানন তলায় শিব মন্দিরে স্বস্ত্রীক পুজো দিলেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। স্থানীয় ভাতশালা – রাজাপুরে পঞ্চানন তলা বাজারে শতাব্দী প্রাচীন এই শিব মন্দিরটি খুবই বিখ্যাত। শ্রাবণ মাসের প্রতি সোমবার হাজার হাজার ভক্তের সমাগম ঘটে এখানে। তারা বাবার মাথায় জল ঢালতে ও পুজো দিতে আসেন বলে জানান মন্দির কর্তৃপক্ষ। ২৮ জুলাই, সোমবার সকালে এই মন্দিরে এসে শিবের মাথায় দুধ ও জল ঢালেন মন্ত্রী। মালা পরিয়ে দেন শিবলিঙ্গে। পুজো দেন তার স্ত্রীও। মন্ত্রী বলেন, শ্রাবণ মাসের প্রতি সোমবার শিবের মাথায় এখানে হাজার হাজার ভক্ত জল ঢালেন। আমি তাদেরই মধ্যে একজন ভক্ত হিসেবে এখানে শিবের মাথায় জল ঢাললাম। হিন্দু ধর্মের রীতি মেনে অনেকেই এই ধর্মাচরণ করে থাকেন।

2
বিদ্যালয়ে প্রকৃতি সংরক্ষণ দিবস পালন

২৮ জুলাই ছিল প্রকৃতি সংরক্ষণ দিবস। এদিন কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীদের অবসর সময়ে দেখানো হলো দুটি চলচ্চিত্র। মাইগ্রেন্টস দেখিয়েছে দুটি মেরুভাল্লুক কীভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের ফাঁদে পড়ে পরিবেশ আর জীবন বদলাতে বাধ্য হয়। আওয়ার প্ল্যানেটে ডেভিড অ্যাটেনবরো দেখিয়েছেন আমাদের গ্রহের আশু সমস্যা কী কী।
এ বিষয়ে প্রধানশিক্ষক ডক্টর সুভাষচন্দ্র দত্ত জানান, প্রকৃতিপাঠ বৃহত্তরভাবে শিক্ষার অঙ্গ। বিশ্ব নাগরিক হিসেবে সবার এই বিষয়ে সজাগ থাকা উচিত। বিশেষ করে ছাত্রছাত্রীদের কাছে প্রকৃতি পাঠ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

3
বাংলা ভাষাভাষীদের উপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে শহরে প্রতিবাদ

বাংলা ভাষাভাষীদের উপর বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে অত্যাচার করা হচ্ছে। সেখানে বাংলা ভাষায় কথা বললে বেছে বেছে তাদের পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে বিএসএফের মাধ্যমে বাংলাদেশে পাচার করে দেওয়া হচ্ছে। এদেশের একজন বৈধ নাগরিক শুধুমাত্র বাংলা ভাষায় কথা বলার অপরাধে ভিন দেশে চলে যাচ্ছেন। জন্মসূত্রে ভারতীয় নাগরিকদের এইভাবে ভয়ংকর অত্যাচারের শিকার হতে হচ্ছে। এরই প্রতিবাদে বর্ধমান শহরের ৩৫টি ওয়ার্ডে প্রতিবাদ মিছিল সংগঠিত করা হয়েছে বলে জানালেন বর্ধমান শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তন্ময় সিংহ রায়। তিনি বলেন, ২১ জুলাই কলকাতার ধর্মতলায় শহীদ স্মরণ সভার মঞ্চ থেকে এই প্রতিবাদ কর্মসূচীর ডাক দিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ২৭ জুলাই এই কর্মসূচী শুরু করার জন্য তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব ও কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছিলেন। একই কথা বলেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাদের নির্দেশ মতো বর্ধমান শহরে প্রতিটি ওয়ার্ড তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ মিছিল সংগঠিত হয়। এই মিছিলে তৃণমূল কংগ্রেসের ওয়ার্ড সভাপতি ও কাউন্সিলররা নেতৃত্ব দেন। এই কর্মসূচী ধারাবাহিকভাবে চলবে।