1
বর্ধমানে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক মিঠুন চক্রবর্তীর
২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সদস্য মিঠুন চক্রবর্তী নির্বাচনী প্রস্তুতির কাজে জেলায় জেলায় ঘোরা শুরু করেছেন। তার এই কর্মসূচীর অঙ্গ হিসেবে ১২ আগস্ট বর্ধমান রবীন্দ্রভবনে বিজেপির বর্ধমান উত্তর ও দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের কর্মীদের নিয়ে বৈঠক করেন মিঠুন চক্রবর্তী। এদিন প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্যে দিয়ে কর্মসূচীর আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন এই তারকা নেতা। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা, দলের রাজ্য কার্যকরী কমিটির সদস্য তথা বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রের অবজার্ভার সন্দীপ নন্দী সহ অন্যান্য নেতৃত্ববৃন্দ। এদিন সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, মূলত দলীয় সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য নিয়েই তারা এই ধরনের কর্মসূচীর আয়োজন করছেন। তিনি বলেন, বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে সর্বত্রই দলের নেতা ও কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে পথ চলতে হবে। বিধানসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা প্রসঙ্গে মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, তাদের যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তারা যদি ঠিকমতো দায়িত্ব পালন করেন তাহলে সঠিকভাবে ভোট করা যাবে।
2
দিল্লীতে ইন্ডিয়া জোটের নেতৃত্বের উপর পুলিশী জুলুমের প্রতিবাদ
দিল্লীতে নির্বাচন কমিশনের দপ্তরে গিয়ে ভোটার তালিকা নিয়ে তাদের কথা বলার জন্য ধর্ণায় বসতে গিয়েছিলেন ইন্ডিয়া জোটের নেতৃত্বরা। সেখানে তাদের পৌঁছনোর আগেই পথে আটকে দেওয়া হয়। এরপর জোটের নেতৃত্বদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অভিযোগ, হেনস্থা করা হয় রাহুল গান্ধী সহ একাধিক জোট নেতৃত্বকে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১২ আগস্ট বর্ধমান কোর্ট কম্পাউন্ডে পূর্ব বর্ধমান জেলা কংগ্রেস কমিটির পক্ষ থেকে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই প্রতিবাদ সভায় জেলা কংগ্রেস নেতৃত্ব শ্যামাদাস বন্দোপাধ্যায় বলেন, গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করার প্রচেষ্টা নিয়েছে কেন্দ্রের শাসক দল। তাই ইন্ডিয়া জোটের নেতৃত্বের উপরে তারা আক্রমণ হেনেছে। পুলিশের পক্ষ থেকে হেনস্থা করা হয়েছে তাদের। এই হেনস্থার শিকার হয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ তথা দলের সর্বভারতীয় নেতৃত্ব রাহুল গান্ধী। আমরা এর প্রতিবাদে আজ পথে নেমে মোদি সরকারের কাছে এই ধরনের জঘন্য ঘটনার জন্য জবাব চাইছি।
তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক দেশে মানুষকে লাঠিপেটা করার অধিকার পুলিশকে দেওয়া হয়নি। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে যদি কোনো কর্মসূচী গ্রহণ করা হয় এবং সেই কর্মসূচী যদি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে বহাল রেখে কার্যকর হয়, তাহলে সেখানে পুলিশ হস্তক্ষেপ করতে পারে না। কিন্তু দিল্লীর ঘটনা সেই যুক্তিকে মানেনি। পুলিশ দিয়ে সেখানে গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে প্রতিহত করা হয়েছে। তারই প্রতিবাদে আমরা আজ পথে নেমেছি।
3
বর্ধমান ১ ব্লকে আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান কর্মসূচী চলছে
পূর্ব বর্ধমান জেলার বর্ধমান ১ নম্বর ব্লক এলাকার বিভিন্ন বুথে চলছে আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান কর্মসূচী। এই কর্মসূচীতে প্রতিটি এলাকায় সাধারণ মানুষরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করছেন। ফলে এই কর্মসূচীকে কেন্দ্র করে আয়োজিত ক্যাম্পগুলি ভরে উঠছে এলাকার মানুষের আনাগোনায়। এখানে এই উদ্যোগ ইতিমধ্যেই সফল বলা যায় বলে দাবি করলেন ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি মানস ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, এই কর্মসূচীকে সফল করার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীরা স্থানীয় মানুষদের সবরকম ভাবে সহযোগিতা করছেন। আমরাও দলের পক্ষ থেকে যাতে বিভিন্ন এলাকার মানুষ আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান ক্যাম্পে আসেন তারজন্য তাদের উৎসাহিত করছি। এলাকার উন্নয়নে স্থানীয় মানুষদের অংশগ্রহণের বিষয়টিকে কার্যকর করার জন্য এই প্রচেষ্টা নেওয়া হয়েছে বলে জানান মানসবাবু।


