বর্ধমানে অনুষ্ঠিত হলো দু’দিনের মেকআপ ফেস্টিভ্যাল I অসুস্থ পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে

1
বর্ধমানে অনুষ্ঠিত হলো দু’দিনের মেকআপ ফেস্টিভ্যাল

বর্ধমান ক্রমবর্ধমান। আর এই ভাবনাকে সাথী করেই এবার এই শহরের বর্ধমান ভবনে অনুষ্ঠিত হলো দুদিনের মেকআপ ফেস্টিভ্যাল। চয়েজ ফাউন্ডেশন – এর উদ্যোগে আয়োজিত এই মেকআপ ফেস্টিভ্যালে প্রায় ১০০ প্রশিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। ছিলেন ৬ জন প্রশিক্ষিকা। তারা প্রত্যেকেই এই ধরনের একটি উদ্যোগ গ্রহণের জন্য আয়োজক সংস্থার কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। জানা যায়, এই মেকআপ ফেস্টিভ্যালে পূর্ব বর্ধমান জেলা সহ পশ্চিম বর্ধমান, হুগলি, বীরভূমসহ বিভিন্ন জেলা থেকে প্রশিক্ষার্থীরা প্রশিক্ষণ নিতে এসেছেন। এ প্রসঙ্গে দুই প্রশিক্ষিকা জানান, এখানে একদিকে যেমন বিয়ে বাড়ির কনে সাজানোর বিষয়টিকে হাতে-কলমে শেখানো হচ্ছে, তেমনই কেউ যদি ব্যক্তিগতভাবে নিজেকে সাজিয়ে তুলতে চান সেক্ষেত্রে কি করণীয় সে বিষয়েও প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। তারা বলেন, ভবিষ্যতে এখানে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের মেকআপ ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত হবে তেমনই আশা করা যাচ্ছে। আয়োজকরা এ ব্যাপারে ভবিষ্যতে নিশ্চয়ই উদ্যোগ নেবেন। আর এরফলে লাভবান হবেন এখানে আগত প্রশিক্ষার্থীরা। এই মেকআপ সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ মূলত প্রশিক্ষার্থীদের পেশাগত জগতে প্রতিষ্ঠা লাভে সহযোগিতা করবে।

2
অসুস্থ পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে দিলেন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ

সারা রাজ্যের সঙ্গে পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও অনুষ্ঠিত হচ্ছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। এবার পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোট ব্লকের মাঝিগ্রামে অবস্থিত মাজিগ্রাম বিশ্বেশ্বরী হাইস্কুলের ১৫০ জন ছাত্রছাত্রী মাধ্যমিক পরীক্ষা দিচ্ছে। তাদের পরীক্ষা কেন্দ্র হলো মঙ্গলকোট আবুল কাশেম মেমোরিয়াল হাইস্কুল। মঙ্গলবার ছিল তাদের ভূগোল পরীক্ষা। কিন্তু পরীক্ষা হলে মাঝিগ্রাম বিশ্বেশ্বরী হাইস্কুলের ছাত্র সৌম দাস না পৌঁছনোয় পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে বিষয়টি দ্রুত জানানো হয় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে। সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুব্রত কুমার সাহা সহ অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকারা বিষয়টি নিয়ে তৎপর হন। তারা তৎক্ষণাৎ খবর নিয়ে জানতে পারেন সৌম্য দাস গুরুতর অসুস্থ। তার ডায়রিয়া হয়েছে। এদিকে তার বাবা-মা নিজেদের কাজে মাঠে গেছেন। ফলে তাকে পরীক্ষা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার মতো কেউ নেই। এই পরিস্থিতিতে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে গাড়ির ব্যবস্থা করে তাকে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হয়। প্রধান শিক্ষক সুব্রত কুমার সাহা জানান, সকলের সমবেত প্রচেষ্টায় বিদ্যালয়ের এই ছাত্রকে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। সে পরীক্ষাও দিয়েছে। পরীক্ষা গ্রহণ কেন্দ্র থেকে বিষয়টি তাদের জানানোর ফলেই এটা সম্ভব হলো। এর জন্য তিনি তাদের ধন্যবাদ জানান। একইসঙ্গে সৌম্য দাসের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।