1
মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের সাফল্য কামনায় হাতে তুলে দেওয়া হল ফুল-পেন
সারা রাজ্যের পাশাপাশি পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও চলছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। এই উপলক্ষে পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানাতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংগঠনের জেলা সভাপতি স্বরাজ ঘোষ জানান, বিভিন্ন স্কুলের সামনে শিবির করা হয়েছে, যেখানে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
বর্ধমান ১ নম্বর ব্লক তৃণমূল ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানানো হয়। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক নিশীথ মালিক, বিশিষ্ট সমাজসেবী বিশ্বেশ্বর চৌধুরী এবং স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব।
বিধায়ক নিশীথ মালিক জানান, “মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে পরীক্ষা দিতে পারে, তার জন্য রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে রাজ্যের সর্বত্র পরীক্ষা চলছে, যা আমাদের জন্য আনন্দের।”
বিশ্বেশ্বর চৌধুরী বলেন, “তৃণমূল ছাত্র পরিষদের এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তারা ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থেকে মনোবল বাড়ানোর কাজ করছে। এই পরীক্ষা প্রতিটি শিক্ষার্থীর জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা। তাই আমরা তাদের অনুপ্রাণিত করতে এই উদ্যোগ নিয়েছি।”
এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরীক্ষার্থীদের হাতে গোলাপ ফুল, জলের বোতল ও পেন তুলে দেওয়া হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভবিষ্যতেও ছাত্রছাত্রীদের পাশে থেকে তাদের সহযোগিতা করা হবে।
2
রাজ্য বাজেটে মহিলাদের অগ্রগতিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
একটি পরিবারে মহিলারা এক একটি স্তম্ভ। তাদের আর্থিক স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত করতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের অধ্যক্ষ অপার্থিব ইসলাম। তিনি বলেন, ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মুখ্যমন্ত্রী নারী শিক্ষায় গুরুত্ব দিয়েছেন, বাল্যবিবাহ রোধে কন্যাশ্রী ও রূপশ্রী প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছেন, যা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে।
অপার্থিব ইসলাম জানান, সবুজসাথী প্রকল্পের মাধ্যমে মেয়েদের স্কুলে আসা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে পরিবারে মহিলাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত হয়েছে। এছাড়া লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের মাধ্যমে মহিলাদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বীতার উপর জোর দেওয়া হয়েছে, যা অন্যান্য রাজ্য অনুকরণ করছে।
তিনি বলেন, “একটি শিক্ষিত ও স্বাবলম্বী মহিলা একটি পরিবারকে এগিয়ে নিয়ে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, আর রাজ্য সরকার সেই কাজটাই করে চলেছে।


