এসএফআই – এর উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ে ডেপুটেশন কর্মসূচী | জামালপুরে প্রায় ৬৩ হাজার পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে মহাপ্রসাদ


1
এসএফআই – এর উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ে ডেপুটেশন কর্মসূচী

পরীক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরের ছাত্রছাত্রীরা দীর্ঘদিন ধরে ভুগছে। এসএফআই পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটির পক্ষ থেকে ধারাবাহিকভাবে এই সমস্যার সমাধানের দাবিতে আন্দোলন চলছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে সাময়িক সুরাহা মিললেও স্থায়ী সমাধান করতে পারেননি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ২০ জুন এসএফআই পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটির পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা হলো সমস্যার সমাধানের দাবিতে। প্রাথমিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাতের লক্ষ্যে আগাম চিঠি দিলেও, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অনুপস্থিত ছিলেন এদিন। এদিকে রেজিস্ট্রারের সঙ্গে আলোচনায় উঠে আসে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরের সমস্যাগুলির কথা। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক স্তরের পরীক্ষা গ্রহণ, ফলাফল প্রকাশের ক্ষেত্রে অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারের মান্যতা দেওয়ার ব্যাপক ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। তাই এই বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়ার জন্য আবেদন জানানো হয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে।
বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের সঙ্গে এই সমস্যাগুলির সমাধানের দাবিতেই ডেপুটেশন দেয় এসএফআই। পরিকাঠামোর মানোন্নয়ন ও অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারের মান্যতা দেওয়ার ক্ষেত্রে ইতিবাচক আশ্বাস দিলেও ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থবিরোধী অগণতান্ত্রিক, অবৈধ, মেয়াদোত্তীর্ণ ছাত্র সংসদের কার্যকলাপ বন্ধ করতে কোনো ইতিবাচক আশ্বাস দিতে পারেননি। এর ফলে এই মেয়াদোত্তীর্ণ ছাত্র সংসদের হাত ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সোশ্যাল, হোস্টেল অ্যালটমেন্ট, মেস কমিটির নির্বাচন সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে দুর্নীতির সুযোগ গড়ে উঠেছে তার সুরাহা নিয়ে নিশ্চুপ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এদিন এসএফআই-এর পক্ষ থেকে ১০ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে। অবৈধ ছাত্র সংসদের কার্যকলাপ বন্ধ না করা হলে, যে সমস্যাগুলির সমাধানের আশ্বাস দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তার অন্যথা হলে এসএফআই – এর পক্ষ থেকে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে। এদিন ডেপুটেশন কর্মসূচীতে সংগঠনের জেলা সম্পাদক উষসী রায় চৌধুরী, সভাপতি প্রবীর ভৌমিক, রাজ্য কমিটির সদস্য অয়ন মণ্ডল সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

2
জামালপুরে প্রায় ৬৩ হাজার পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে মহাপ্রসাদ

দুয়ারে রেশনের মাধ্যমে জামালপুর ব্লকে শুরু হয়েছে দীঘায় প্রতিষ্ঠিত জগন্নাথ দেবের মহা প্রসাদ বিতরণের কাজ। প্রসঙ্গত, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন রাজ্যের প্রতিটি পরিবারের হাতে জগন্নাথ দেবের মহাপ্রসাদ পৌঁছে দেওয়ার। সেই মতো জামালপুর ব্লকে মহাপ্রসাদ প্যাকেজিংয়ের কাজ শুরু হয়েছে। এবার এই মহাপ্রসাদ মানুষের হাতে তুলে দিতে উপস্থিত ছিলেন পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি ভূতনাথ মালিক, বিডিও পার্থসারথী দে, জয়েন্ট বিডিও রুন্দ্রেন্দু নন্দী,পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মেহেমুদ খান ও পঞ্চায়েতের সদস্যরা। বিডিও পার্থসারথী দে বলেন, প্রায় ৪০৭০ জন মানুষের হাতে এই মহাপ্রসাদ তুলে দেওয়া হলো একদিনে। তিনি আরও বলেন, প্রায় ৬৩ হাজার পরিবারের হাতে এই মহাপ্রসাদ আগামী ১০ দিনে তুলে দেওয়া হবে। মেহমুদ খান বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর এ এক অনন্য প্রয়াস। দীঘায় মহাসমারোহে প্রতিষ্ঠা করেছেন জগন্নাথ দেবের মন্দির। আর সেই জগন্নাথ দেবের আশীর্বাদ স্বরূপ মহাপ্রসাদ পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি পরিবারের হাতে তুলে দেবার ব্যবস্থা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের প্রতিটা মানুষ যাঁরা সেই প্রতিষ্ঠার দিন উপস্থিত থাকতে পারেন নি তাঁরাও জগন্নাথ দেবের মহাপ্রসাদ হাতে পাবেন। ত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান মেহেমুদ খান।