একজন বিজেপি কর্মী হিসেবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেল হোক সেটাই চাইবো, বর্ধমানে জেলা বিজেপি কার্যালয়ে এক কর্মসূচীতে এসে বার্তা বিজেপির সাংসদ সৌমিত্র খাঁর
রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের দ্বিতীয় সরকার গঠন হওয়ার পর দুর্নীতিতে ভরে উঠে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয় তৃণমূল দল। সেই কারণে অনেকেই দল ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। দল দুর্নীতিতে ভরে উঠলে কি পরিণতি হয় এখন তৃণমূল দল তার উদাহরণ। ১৫ জুন বর্ধমানে বিজেপির জেলা কার্যালয়ে একটি কর্মসূচীতে এসে এই মন্তব্য করেন বিজেপির সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। এদিন মোদী সরকারের ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত কর্মসূচীতে যোগ দিতে আসেন বিজেপি সাংসদ। মোদী সরকারের বিভিন্ন সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরেন তিনি। তৃণমূল বিধায়ক ও সাংসদদের মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়ের দল ছেড়ে দেওয়ার প্রসঙ্গে বলেন, তৃণমূল দলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া আর কোনোও সাংসদ থাকবেন না। তৃণমূল কংগ্রেস কোনোও দল নয়। কয়েকটি গোষ্ঠী মিলে দুর্নীতির অংশীদারির জন্যে একসঙ্গে হয়েছিল। তার মধ্যে কংগ্রেস রয়েছে। তাই ক্ষমতা চলে যাওয়ার পর দলের বিধায়ক, সাংসদরা কেউ পাশে থাকছে না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রসঙ্গে বিজেপি সাংসদ বলেন,” তৃণমূল দলে দুর্নীতি স্বাভাবিক হয়ে উঠেছিল। থাকতে গেলে দুর্নীতি করতে হবে এটাই নিয়ম হয়ে গিয়েছিল। সেখানে দাঁড়িয়ে একজন সাধারণ কর্মী থেকে সাংসদ সকলেই দুর্নীতিগ্রস্ত। এক সময় যারা পুলিশকে ব্যবহার করেছিল। এখন তাদের ঘরেই পুলিশ যাচ্ছে। একজন বিজেপি কর্মী হিসেবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেল হোক সেটাই চাইব।
সৌমিত্র খাঁ বলেন, বিজেপি সাংগঠনিক দল। দলের বিভিন্ন স্তরের প্রশিক্ষণ শুরু হচ্ছে। বিজেপি দলের নীতিতে চলবে। প্রশাসন তার কাজ করবে। আগামীদিনে তৃণমূলের কি অবস্থা হয় তার দিকে আমরাও তাকিয়ে আছি সকলে।



