1
সংবিধান বাঁচাও মঞ্চের পক্ষ থেকে গান্ধীজিকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন
পূর্ব বর্ধমান জেলার বলগোনায় সংবিধান বাঁচাও মঞ্চ পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটির পক্ষ থেকে মহাত্মা গান্ধীর জন্মদিনকে কেন্দ্র করে এক শ্রদ্ধাজ্ঞাপন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এদিন স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের হাতে এই উপলক্ষ্যে খাতা ও পেন তুলে দেওয়া হয়। গান্ধীজির প্রতি তারাও শ্রদ্ধা নিবেদন করে। একইসঙ্গে এদিন এখানে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ধর্মসভারও আয়োজন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন সংবিধান বাঁচাও মঞ্চ পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটির সভাপতি রফিকুল হাসান, সংগঠনের সহ-সভাপতি তথা এই জেলা কমিটির মুখপাত্র ও এই সংগঠনের রাজ্য কমিটির ফিনান্সিয়াল এডভাইসার শ্যামাদাস বন্দোপাধ্যায়, জেলা কমিটির সদস্য সব্যসাচী দাস প্রমুখ। এদিনের ধর্ম সভায় শ্যামাদাস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ভারতবর্ষের সনাতন ঐতিহ্য হলো সর্বধর্ম সমন্বয়। এই ঐতিহ্যকে আমাদের রক্ষা করতে হবে। সব ধর্মের মানুষকে একত্রিত করাই ছিল মহাত্মা গান্ধীর মূল মন্ত্র। আমরাও সেই ভাবনাতেই বিশ্বাসী। শ্যামাদাসবাবু বলেন, বিভিন্ন ধর্মের মানুষের কাছে ঈশ্বর নানাভাবে পরিচিত। আমরা যেমন হিন্দুরা ভগবান বলি, মুসলিমরা আল্লাহ বলেন, আবার খ্রীষ্টানরা গড বলেন, কিন্তু যে যাই বলুন ঈশ্বর, আল্লাহ, গড সকলেই মানুষের কল্যাণে তাদের পাশে থাকেন। এটাই সব ধর্মের অন্যতম মিলনের এক চিত্র। আমাদেরও ঈশ্বরের আশীর্বাদ নিয়ে প্রত্যেকটি মানুষকে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে। সেটাই ছিল মহাত্মা গান্ধীর অন্যতম শিক্ষা।
2
জেলার সেরা বিদ্যালয়গুলিকে পুরস্কার প্রদান
অ্যাকাডেমিক এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৫ প্রদান করা হলো পূর্ব বর্ধমান জেলার সেরা বিদ্যালয়গুলিকে। এই উপলক্ষ্যে বর্ধমান সংস্কৃতি লোকমঞ্চে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক উভয় ক্ষেত্রে ছটি করে মোট ১২ টি বিভাগে সেরার স্বীকৃতি জন্য ৪৮ টি বিদ্যালয়কে মনোনীত করা হয়। এরমধ্যে ১২ টি বিদ্যালয়কে জেলার সেরা বিদ্যালয় হিসেবে পুরস্কৃত করা হয়। এবার সার্বিক বিভাগে সেরা প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্বাচিত হয়েছে মিনাপুর জুনিয়ার বেসিক স্কুল। সার্বিক বিভাগে সেরা মাধ্যমিক বিদ্যালয় নির্বাচিত হয়েছে মাজিগ্রাম বিশ্বেশ্বরী হাইস্কুল। সেরা মিড ডে মিলের জন্য পুরস্কৃত হয়েছে দুটি বিদ্যালয় যথাক্রমে বনগ্রাম প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মৌগ্রাম হাইস্কুল। অপারেশন গ্রীন কর্মসূচীতে সেরা নির্বাচিত হয়েছে চন্ডিপুরডাঙ্গা আদিবাসী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বেলার ভুরকুন্ডা হাইস্কুল। এছাড়াও অন্যান্য বিভাগে সেরা বিদ্যালয়গুলিকে পুরস্কৃত করা হয়। বিভিন্ন বিভাগে সেরা ছাত্রছাত্রীদেরও এ দিন পুরস্কার প্রদান করা হয়। ব্যক্তিগত বিভাগে সেরা বিদ্যালয় পরিদর্শক (প্রাথমিক), সেরা সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক), সেরা সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক), এদের সম্মানিত করা হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক আয়েশা রাণী এ, জেলা পরিষদের সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহার, পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের অধ্যক্ষ অপার্থিব ইসলাম, শিক্ষা দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু কোনার, জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য, মহকুমা শাসক তীর্থঙ্কর বিশ্বাস, জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক রাম শঙ্কর মন্ডল প্রমুখ। জেলার সেরা বিদ্যালয়গুলিকে আগামী দিনে নিজেদের আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে অনুপ্রাণিত করেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ।
3
জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে শারদ সম্মান ২০২৫ ঘোষণা
জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে শারদ সম্মান ২০২৫ ঘোষণা করা হয়েছে। এই উপলক্ষ্যে জামালপুর ব্লকের বিডিও পার্থসারথী দে ও পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মেহেমুদ খান একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন। সেখানে তারা বলেন, পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে প্রতীমা, মণ্ডপ, আলোকসজ্জা ও পরিবেশ ভাবনা এই চারটি বিভাগে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারীদের পুরস্কৃত করা হচ্ছে।
প্রতীমায় যুগ্ম ভাবে প্রথম হয়েছে হালারা সার্বজনীন ও নেতাজি অ্যাথলেটিক ক্লাব। দ্বিতীয় পাঁচড়া চৌবেরিয়া বাজার সার্বজনীন ও তৃতীয় হয়েছে জামালপুর বকুলতলা সার্বজনীন। মণ্ডপ সজ্জায় প্রথম কালেরা বাজার ব্যবসায়ী সমিতি সার্বজনীন, দ্বিতীয় কালনা কাঁশরা সার্বজনীন, তৃতীয় স্থান পেয়েছে আঁটপাড়া দাসপাড়া(স্কুল মাঠ) সার্বজনীন। অলোকসজ্জায় প্রথম কালনা কাঁশরা সার্বজনীন, যুগ্ম ভাবে দ্বিতীয় হালারা সার্বজনীন,জামালপুর কিশলয় সমিতি সার্বজনীন, তৃতীয় স্থানে আছে জামালপুর বাজার গঞ্জ বারোয়ারী সার্বজনীন। পরিবেশ ভাবনায় প্রথম স্থান পেয়েছে চকদিঘী মিলন সংঘ সার্বজনীন, যুগ্ম ভাবে দ্বিতীয় হয়েছে জৌগ্রাম স্টেশন বাজার সার্বজনীন ও নেতাজি অ্যাথলেটিক ক্লাব সার্বজনীন ও যুগ্ম ভাবে তৃতীয় হয়েছে কলুপুকুর তেলে পুকুর (জৌগ্রাম) সার্বজনীন, নখরা তপশীলী মহিলা সার্বজনীন। সাংবাদিক বৈঠকে তারা সকলকেই শুভেচ্ছা জানান। পরবর্তী পর্যায়ে পুরস্কার প্রাপক প্রতিটি পুজো কমিটির হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।


