1
জামালপুরে শহীদ তর্পণ সভা
২০১০ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর জামালপুরে অমরপুর এলাকায় সিপিএম-এর হার্মাদ বাহিনীর হাতে খুন হয়ে শহীদ হন তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী পাঁচুগোপাল রুইদাস ও ইশায়ক মল্লিক। তারই কিছুদিন আগে সেখানে সিপিএম -এর গুণ্ডা বাহিনীর হাতে খুন হন উত্তম ভুল। সেই সময় এমন পরিস্থিতি ছিল যে সিপিএমের বিরুদ্ধে সামান্য প্রতিবাদ টুকুও করা যেত না। কিন্তু সেইসময় এই মানুষগুলি প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে চাইছিল সিপিএমের বিরুদ্ধে। আর তারই ফলস্বরূপ তাদের খুন হতে হয়। সেইসময় জামালপুর ছুটে আসেন তৎকালীন রেলমন্ত্রী দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলের রাজ্য যুব সভাপতি মদন মিত্র। যেমন ওই এলাকায় ছুটে গিয়েছিলেন তেমনই জামালপুর নেতাজী ময়দানে করেছিলেন সভা। তারপর ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসে দল। জামালপুর থেকে জয়লাভ করেন তৃণমূলের বিধায়ক। জামালপুর থেকে নিশ্চিহ্ন হতে থাকে সিপিএম। ক্ষমতায় এসে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই শহীদদের ভোলেননি। প্রতিটি শহীদদের মৃত্যুদিনগুলি শহীদ দিবস হিসাবে সম্মান ও শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করা হয়। শুধু তাই নয় প্রতিটি শহীদ পরিবারের সদস্যদের চাকরির ব্যবস্থা করেছেন তিনি। এদিনের এই শহীদ স্মরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক অলোক কুমার মাঝি, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি মেহেমুদ খান , কার্যকরী সভাপতি ভূতনাথ মালিক, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পূর্ণিমা মালিক, জেলা পরিষদের দুই সদস্যা কল্পনা সাঁতরা ও শোভা দে, শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি তাবারক আলী মন্ডল, জোতশ্রীরাম অঞ্চল সভাপতি তপন দে সহ সমস্ত অঞ্চল সভাপতি, শাখা সংগঠনের সভাপতি, প্রধান, উপ প্রধানরা। শহীদ বেদীতে মালা দিয়ে শহীদদের সম্মান জানানো হয়। তোলা হয় দলীয় পতাকা। উপস্থিত সকল বক্তারা সেই সময়ের ঘটনার কথা স্মৃতিচারণ করেন। বক্তব্য রাখেন মেহেমুদ খান ও অলোক কুমার মাঝি।
2
রক্তদান শিবির, বস্ত্রদান ও কৃতী ছাত্রছাত্রী সম্বর্ধনা
রানাপাড়া জৌগ্রাম আলু ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর একটি রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। এর পাশাপাশি এলাকার দুঃস্থ মানুষের হাতে কম্বল তুলে দেওয়া হয় ও কৃতী ছাত্রছাত্রীদের পুরস্কৃত করা হয়। রক্তদাতাদের উৎসাহিত করতে ও ব্যবসায়ী সমিতির এই কাজে খুশি হয়ে তাদের ডাকে সাড়া দিয়ে সেখানে উপস্থিত ছিলেন ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মেহেমুদ খান। ছিলেন আবুজহাটি ২ অঞ্চল প্রধান ঝর্না দাস, জৌগ্রাম অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মৃদুল কান্তি মন্ডল সহ অন্যান্যরা। উপস্থিত অতিথিরা প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন। বক্তব্য রাখতে গিয়ে মেহেমুদ খান বলেন, রানাপাড়া জৌগ্রাম আলু ব্যবসায়ী সমিতি একটি অত্যন্ত ভালো সামাজিক কাজ করেছেন। রক্তদান মানে জীবন দান। তাদের এই রক্তদান শিবির থেকে সংগৃহীত রক্ত ব্লাড ব্যাংকের রক্তের চাহিদা মেটাবে। অসহায় মানুষকে বস্ত্র দান সেও এক মহান কাজ। তিনি তাদের ধন্যবাদ জানান। আলু ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক সুশীল ঘোষ বলেন, তারা প্রতিবছরই এধরনের কাজ করে থাকেন। আজকের রক্তদান শিবিরে প্রায় ১৬০ জন রক্তদান করেন।
ধুলুক নেতাজি ক্লাবের পক্ষ থেকেও একটি রক্তদান শিবির করা হয়। সেখানে রক্তদাতাদের উৎসাহিত করতে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক অলোক কুমার মাঝি, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি মেহেমুদ খান, প্রধান বিকাশ পাকড়ে, অঞ্চল সভাপতি জয়দেব দাস সহ অন্যান্যরা। এখানে ৫০ জন রক্তদাতা রক্তদান করেন।


